ঢাকা ব্যুরো: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সাজসজ্জা-আলোকচিত্র ও মুক্তিযুদ্ধের বই মেলা উদযাপন কমিটি আয়োজিত বিএনপির দুই দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বইমেলা ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য গঠিত স্বেচ্ছাসেবকদের চরম উশৃংখলতা ও অনুষ্ঠানে আগতদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং একাধিকবার ঘটে হাতাহাতির মতো ঘটনা।

বুধবার (২৩ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ২৩ ও ২৪ মার্চ বিএনপির এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। সকাল সাড়ে দশটায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় পৌনে ১২টায়।

সরজমিনে দেখা গেছে, পুরো অনুষ্ঠানেই লাল-সবুজ গেঞ্জি পরিহিত স্বেচ্ছাসেবকরা আগত সকলের সঙ্গে উগ্র আচরণ করতে। এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গঠিত স্বেচ্ছাসেবক বেশির ভাগই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতাকর্মী বলে জানান ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে চিত্রপ্রদর্শনীতে কর্তব্যরত সাংবাদিকরা নিজের পরিচয়পত্র দিয়ে ভিতর প্রবেশ করতে চাইলেও সেই স্বেচ্ছাসেবকদের হাতে নাজেহাল হতে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের।

এছাড়া একপর্যায়ে একাধিকবার নিজেদের মাঝে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে তারা, যা একাধিকবার হাতাহাতি রূপান্তর হয়।

প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে মূল অনুষ্ঠানেও দেখা চরম অব্যবস্থপনা। এক পর্যায়ে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স দায়িত্বরত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে তাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করার জন্য নির্দেশ দেন।

প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীতের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিএনপির শীর্ষনেতারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দলীয় চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বীর প্রতীক প্রমুখ।

ঢাকা ব্যুরো: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সাজসজ্জা-আলোকচিত্র ও মুক্তিযুদ্ধের বই মেলা উদযাপন কমিটি আয়োজিত বিএনপির দুই দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বইমেলা ও চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য গঠিত স্বেচ্ছাসেবকদের চরম উশৃংখলতা ও অনুষ্ঠানে আগতদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং একাধিকবার ঘটে হাতাহাতির মতো ঘটনা।

বুধবার (২৩ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ২৩ ও ২৪ মার্চ বিএনপির এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। সকাল সাড়ে দশটায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় পৌনে ১২টায়।

সরজমিনে দেখা গেছে, পুরো অনুষ্ঠানেই লাল-সবুজ গেঞ্জি পরিহিত স্বেচ্ছাসেবকরা আগত সকলের সঙ্গে উগ্র আচরণ করতে। এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গঠিত স্বেচ্ছাসেবক বেশির ভাগই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতাকর্মী বলে জানান ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন।

অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে চিত্রপ্রদর্শনীতে কর্তব্যরত সাংবাদিকরা নিজের পরিচয়পত্র দিয়ে ভিতর প্রবেশ করতে চাইলেও সেই স্বেচ্ছাসেবকদের হাতে নাজেহাল হতে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের।

এছাড়া একপর্যায়ে একাধিকবার নিজেদের মাঝে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে তারা, যা একাধিকবার হাতাহাতি রূপান্তর হয়।

প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে মূল অনুষ্ঠানেও দেখা চরম অব্যবস্থপনা। এক পর্যায়ে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স দায়িত্বরত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে তাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করার জন্য নির্দেশ দেন।

প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীতের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বিএনপির শীর্ষনেতারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দলীয় চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বীর প্রতীক প্রমুখ।