শেখ সাদী সুমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: মাদকে ছেয়ে গেছে দেশ। মাদকের কারণে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ। মাদক নিয়ে অনেক সময় অভিযান হয় ধর পাকড়াও হয় কিন্তু সব সব সময় বড় বড় মাদক ব্যবসায়িরা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাহিরে। কারণ মাদক ব্যাবসায়িদের রয়েছে কোটি কোটি টাকা। যে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলে পুলিশ থেকে শুরু করে গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও হোমরাচোমরাদের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিটি উপজেলার অলিতে গলিতে অবাদে বিক্রি হচ্ছে মাদক অথচ প্রসাশন রয়েছে নিরব। কারণ টাকার কাছে হার মেনে নেয় সবাই। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বিল কেন্দুয়াই গ্রামের মাস্টার বাড়ির নুরু মিয়ার ছেলে আইনুল হক মুন্নার বিরুদ্ধে একাধিক পএিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত হয়ে গত-২৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টায় দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পএিকার স্টাফ রিপোটার মোঃ কামরুজ্জামান ভুঁইয়া সহ অনান্য পএিকার সাংবাদিকরা পেশাগত কাজের শেষে মটর সাইকেলে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার পথে বিল কেন্দুয়াই মাস্টার বাড়ির সামনে আসার পর মাদক ব্যবসায়ি সন্ত্রাসী আইনুল হক মুন্নাও তার ৭/৮জন সহচর পুর্ব পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক কামরুজ্জমান ও অন্যান্য সাংবাদিকদের উপর দেশিয় বেনেট, রামদা. ছুরি. বল্লম সহ নানান অস্ত্র নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে হামলা করে।

এসময় মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী আইনুল হক মুন্না সাংবাদিক কামরুজ্জমানকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাত জখম করে। সাংবাদিক কামরুজ্জমানের সাথে থাকা অন্য সাংবাদিকদের বেদমভাবে মারধর করে আহত করে। এদের মধ্যে দৈনিক আমার সংগ্রাম পএিকার রিপোটার নিলা আক্তারকে মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী মুন্নারা বেদম মারধর করে জখম করে ও সাংবাদিক কামরুজ্জামান ও সাংবাদিক নিলার সাথে থাকা নগদ বিশ হাজার টাকা ও ডি এস এল আর ক্যামেরা যার মুল্য এক লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা সহ স্বর্ণের চেইন ও আংটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে সাংবাদিক কামরুজ্জমান সহ আহত সাংবাদিকরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় মামলা করতে বার বার চেষ্টা করলে মামলা নেয়নি সংশ্লিষ্ঠ পুলিশ প্রশাসন।

এই বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপারের কাছে জানতে চাইলে তিনি আন্তরিকতার সাথে বিষয়টি শুনেন এবং আশ্বাস দেন যে এবিষয়ে বিষয়ে মামলা হবে।

শেখ সাদী সুমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: মাদকে ছেয়ে গেছে দেশ। মাদকের কারণে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ। মাদক নিয়ে অনেক সময় অভিযান হয় ধর পাকড়াও হয় কিন্তু সব সব সময় বড় বড় মাদক ব্যবসায়িরা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাহিরে। কারণ মাদক ব্যাবসায়িদের রয়েছে কোটি কোটি টাকা। যে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলে পুলিশ থেকে শুরু করে গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও হোমরাচোমরাদের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিটি উপজেলার অলিতে গলিতে অবাদে বিক্রি হচ্ছে মাদক অথচ প্রসাশন রয়েছে নিরব। কারণ টাকার কাছে হার মেনে নেয় সবাই। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বিল কেন্দুয়াই গ্রামের মাস্টার বাড়ির নুরু মিয়ার ছেলে আইনুল হক মুন্নার বিরুদ্ধে একাধিক পএিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত হয়ে গত-২৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টায় দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পএিকার স্টাফ রিপোটার মোঃ কামরুজ্জামান ভুঁইয়া সহ অনান্য পএিকার সাংবাদিকরা পেশাগত কাজের শেষে মটর সাইকেলে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার পথে বিল কেন্দুয়াই মাস্টার বাড়ির সামনে আসার পর মাদক ব্যবসায়ি সন্ত্রাসী আইনুল হক মুন্নাও তার ৭/৮জন সহচর পুর্ব পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক কামরুজ্জমান ও অন্যান্য সাংবাদিকদের উপর দেশিয় বেনেট, রামদা. ছুরি. বল্লম সহ নানান অস্ত্র নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে হামলা করে।

এসময় মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী আইনুল হক মুন্না সাংবাদিক কামরুজ্জমানকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাত জখম করে। সাংবাদিক কামরুজ্জমানের সাথে থাকা অন্য সাংবাদিকদের বেদমভাবে মারধর করে আহত করে। এদের মধ্যে দৈনিক আমার সংগ্রাম পএিকার রিপোটার নিলা আক্তারকে মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী মুন্নারা বেদম মারধর করে জখম করে ও সাংবাদিক কামরুজ্জামান ও সাংবাদিক নিলার সাথে থাকা নগদ বিশ হাজার টাকা ও ডি এস এল আর ক্যামেরা যার মুল্য এক লক্ষ পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা সহ স্বর্ণের চেইন ও আংটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে সাংবাদিক কামরুজ্জমান সহ আহত সাংবাদিকরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় মামলা করতে বার বার চেষ্টা করলে মামলা নেয়নি সংশ্লিষ্ঠ পুলিশ প্রশাসন।

এই বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপারের কাছে জানতে চাইলে তিনি আন্তরিকতার সাথে বিষয়টি শুনেন এবং আশ্বাস দেন যে এবিষয়ে বিষয়ে মামলা হবে।