বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (এসএমএম- আইএইচআরসি) এর উদ্যোগে আজ সোমবার(১৬ ডিসেম্বর)সকাল ১০টায় নগরের মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয় শহীদ মিনারে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগের প্রবীণ মানবাধিকার নেতা মোহাম্মদ আমির হোসেন খান।

বিজয় দিবসের আলোচনায় সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের জন্য বীর শহীদদের যে ত্যাগ তা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরও তাদের আশা আকাঙ্খা পূর্ণ হয় নি। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বার বার লঙ্ঘিত হয়েছে।

মানবাধিকার নেতা এস এম কামরুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা থেকে রাজনৈতিক দলগুলো সরে আসায় বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় মানবাধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

মাঈনউদ্দীন আহমদ বলেন, বিজয় দিবসের আনন্দ পরবর্তী বছরগুলোতে বেঁচে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা শান্তি পায় নি। এখানেই রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়েছিল। সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আমির হোসেন খান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আগামীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন একাগ্রচিত্তে কাজ করে যাবে।

অন্যান্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ-এর মানবাধিকার নেতা এস এম কামরুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, ড. সাজ্জাদ হোসেন, মঈনউদ্দীন আহমদ, নুরুল আবছার তৌহিদ, ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু তৈয়ব, মো. আসিফ গণি, রোকেয়া চৌধুরী পপি, ফারজানা আক্তার, আবু আহমদ মিয়া, খুরশিদ আলম, মো. হাশেম, মো. ইলিয়াস, মো. শাহেদ, মো. রাজীব প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (এসএমএম- আইএইচআরসি) এর উদ্যোগে আজ সোমবার(১৬ ডিসেম্বর)সকাল ১০টায় নগরের মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয় শহীদ মিনারে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগের প্রবীণ মানবাধিকার নেতা মোহাম্মদ আমির হোসেন খান।

বিজয় দিবসের আলোচনায় সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের জন্য বীর শহীদদের যে ত্যাগ তা স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরও তাদের আশা আকাঙ্খা পূর্ণ হয় নি। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বার বার লঙ্ঘিত হয়েছে।

মানবাধিকার নেতা এস এম কামরুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা থেকে রাজনৈতিক দলগুলো সরে আসায় বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় মানবাধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

মাঈনউদ্দীন আহমদ বলেন, বিজয় দিবসের আনন্দ পরবর্তী বছরগুলোতে বেঁচে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা শান্তি পায় নি। এখানেই রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়েছিল। সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আমির হোসেন খান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আগামীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন একাগ্রচিত্তে কাজ করে যাবে।

অন্যান্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ-এর মানবাধিকার নেতা এস এম কামরুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, ড. সাজ্জাদ হোসেন, মঈনউদ্দীন আহমদ, নুরুল আবছার তৌহিদ, ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু তৈয়ব, মো. আসিফ গণি, রোকেয়া চৌধুরী পপি, ফারজানা আক্তার, আবু আহমদ মিয়া, খুরশিদ আলম, মো. হাশেম, মো. ইলিয়াস, মো. শাহেদ, মো. রাজীব প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি