মিজবাউল হক, চকরিয়া : কক্সবাজার-১ আসনের সাবেক এমপি জাফর আলমের সহযোগি একাধিক মামলার আসামি কৈয়ারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মক্কী ইকবালকে (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৭ অক্টোবর) বিকাল দুইটার দিকে উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাসিম্মাকাটার তিন রাস্তার মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, নির্বাচনি অফিস পোড়ানো ও বিএনপির মিছিলে হামলাসহ বিভিন্ন অপরাধের মামলা রয়েছে। মক্কী ইকবাল ওই এলাকার নুরুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মক্কী ইকবাল কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক এমপি জাফর আলমের অন্যতম সহযোগি হিসেবে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। আওয়ামী লীগের কোন ধরণের পদ-পদবী না থাকলেও পরপর দুই বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেন তিনি। জাফর আলমের ছত্রছায়ায় সরকারি জমি দখল, বিচার বাণিজ্য ও সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে মক্কী ইকবালের বিরুদ্ধে। মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, রাস্তাঘাট, সড়ক ও কালভার্টের উন্নয়নের নামে লাখ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। মক্কী ইকবাল বিচারের নামে বিএনপি ও জামাতের নেতাকর্মীদের পরিষদে ডেকে এনে হয়রানী ও নির্যাতন করতেন। তার হাত থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও বাদ যায়নি। বিগত সময়ে সাবেক এমপি জাফরের আশকারা পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনকে নানাভাবে হয়রানী করতেন। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে হাতঘড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক। নির্বাচনের সময় কৈয়ারবিল ইউনিয়নে কল্যাণ পার্টির নির্বাচনী কার্যালয় মক্কী ইকবালের নেতৃত্বে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেন। ওইসময় তাকে প্রধান আসামি করে মামলাও করেন কল্যাণ পার্টির দপ্তর সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে গত ২৮ সেপ্টেম্বর শহীদ আবদুল হামিদ চকরিয়া পৌরবাস টার্মিনালে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে দেয়া সংবর্ধনা শেষে বিএনপি নেতাকর্মীরা চলে যাওয়ার সময় সাহারবিল এলাকায় গাড়ির বহরে হামলার অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় মক্কী ইকবালকে আসামী করে মামলাও করেছিলো স্থানীয় বিএনপি নেতা। কাকারা ইউনিয়নের যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান হত্যাকান্ডে জড়িত থকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতাকর্মী। দীর্ঘদিন আত্মগোপন থাকার পর ২৭ অক্টোবর বিকাল দুইটার দিকে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের হাসিম্মারকাটা নামক স্থান থেকে চকরিয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।

কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মক্কী ইকবালকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনজুর কাদের ভূইয়া।

মিজবাউল হক, চকরিয়া : কক্সবাজার-১ আসনের সাবেক এমপি জাফর আলমের সহযোগি একাধিক মামলার আসামি কৈয়ারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মক্কী ইকবালকে (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৭ অক্টোবর) বিকাল দুইটার দিকে উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাসিম্মাকাটার তিন রাস্তার মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, নির্বাচনি অফিস পোড়ানো ও বিএনপির মিছিলে হামলাসহ বিভিন্ন অপরাধের মামলা রয়েছে। মক্কী ইকবাল ওই এলাকার নুরুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মক্কী ইকবাল কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক এমপি জাফর আলমের অন্যতম সহযোগি হিসেবে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। আওয়ামী লীগের কোন ধরণের পদ-পদবী না থাকলেও পরপর দুই বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেন তিনি। জাফর আলমের ছত্রছায়ায় সরকারি জমি দখল, বিচার বাণিজ্য ও সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে মক্কী ইকবালের বিরুদ্ধে। মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, রাস্তাঘাট, সড়ক ও কালভার্টের উন্নয়নের নামে লাখ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। মক্কী ইকবাল বিচারের নামে বিএনপি ও জামাতের নেতাকর্মীদের পরিষদে ডেকে এনে হয়রানী ও নির্যাতন করতেন। তার হাত থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও বাদ যায়নি। বিগত সময়ে সাবেক এমপি জাফরের আশকারা পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনকে নানাভাবে হয়রানী করতেন। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে হাতঘড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক। নির্বাচনের সময় কৈয়ারবিল ইউনিয়নে কল্যাণ পার্টির নির্বাচনী কার্যালয় মক্কী ইকবালের নেতৃত্বে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেন। ওইসময় তাকে প্রধান আসামি করে মামলাও করেন কল্যাণ পার্টির দপ্তর সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে গত ২৮ সেপ্টেম্বর শহীদ আবদুল হামিদ চকরিয়া পৌরবাস টার্মিনালে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে দেয়া সংবর্ধনা শেষে বিএনপি নেতাকর্মীরা চলে যাওয়ার সময় সাহারবিল এলাকায় গাড়ির বহরে হামলার অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় মক্কী ইকবালকে আসামী করে মামলাও করেছিলো স্থানীয় বিএনপি নেতা। কাকারা ইউনিয়নের যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান হত্যাকান্ডে জড়িত থকার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতাকর্মী। দীর্ঘদিন আত্মগোপন থাকার পর ২৭ অক্টোবর বিকাল দুইটার দিকে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের হাসিম্মারকাটা নামক স্থান থেকে চকরিয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।

কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মক্কী ইকবালকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনজুর কাদের ভূইয়া।