খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাতে সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করেছে। খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও ‘সমকাল’-এর প্রতিনিধি প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার(২৫ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ি সদর থানার সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। শুক্র ও শনিবার সরকারী ছুটি থাকায় খাগড়াছড়ি মডেল থানার লকাপে বন্দি আছেন।

রোববার বিজ্ঞ আদালতে তোলা হলে জামিন না মন্জুর করলে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

সহকর্মী সাংবাদিকরা জানান, জেলা শহরের মিলনপুর এলাকায় একটি অনুষ্ঠান থেকে প্রদীপ চৌধুরী বাড়ি ফিরছিলেন। পুলিশ তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

তিনি ৫ আগস্ট পরবর্তী খাগড়াছড়ি সদর থানাসহ জেলার ৪টি থানায় পৃথক ৫টি মামলার এজহারভুক্ত আসামি। মামলাগুলো করেছেন বিএনপি‘র নেতাকর্মীরা। ২০১২সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা করা হয়। এ ছাড়া ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে সংঘষের ঘটনায় করা মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়।

সাংবাদিক প্রদীপ চৌধুরী দৈনিক সমকাল ও সুপ্রভাত বাংলাদেশ-এর খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি। ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের জেলা শাখার সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।

খাগড়াছড়ি মডেল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো: আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলার এজহার ভুক্ত আসামি। মামলাগুলো করেছেন বিএনপি‘র নেতাকর্মীরা। ২০১২সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা,বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা ছিল।

এ ছাড়া ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে সংঘষের ঘটনা করা মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়। তিনি পলাতক আসামি।

উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট পরবর্তী মামলায় খাগড়াছড়ির আরো ৬ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে। মামলার ভয়ে তারাও আত্মগোপনে আছেন।

সাংবাদিক প্রদীপ চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সৈকত দেওয়ানসহ জেলার সিনিয়র সাংবাদিকরা।এক বিবৃতিতে অবিলম্বে তাকে মুক্তির দাবি করা হয়। একই সঙ্গে তদন্ত ছাড়া কোনো সাংবাদিককে গ্রেপ্তার না করার অনুরোধ করা হয়।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাতে সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করেছে। খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও ‘সমকাল’-এর প্রতিনিধি প্রদীপ চৌধুরীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার(২৫ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ি সদর থানার সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। শুক্র ও শনিবার সরকারী ছুটি থাকায় খাগড়াছড়ি মডেল থানার লকাপে বন্দি আছেন।

রোববার বিজ্ঞ আদালতে তোলা হলে জামিন না মন্জুর করলে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

সহকর্মী সাংবাদিকরা জানান, জেলা শহরের মিলনপুর এলাকায় একটি অনুষ্ঠান থেকে প্রদীপ চৌধুরী বাড়ি ফিরছিলেন। পুলিশ তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

তিনি ৫ আগস্ট পরবর্তী খাগড়াছড়ি সদর থানাসহ জেলার ৪টি থানায় পৃথক ৫টি মামলার এজহারভুক্ত আসামি। মামলাগুলো করেছেন বিএনপি‘র নেতাকর্মীরা। ২০১২সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা করা হয়। এ ছাড়া ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে সংঘষের ঘটনায় করা মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়।

সাংবাদিক প্রদীপ চৌধুরী দৈনিক সমকাল ও সুপ্রভাত বাংলাদেশ-এর খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি। ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের জেলা শাখার সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।

খাগড়াছড়ি মডেল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো: আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলার এজহার ভুক্ত আসামি। মামলাগুলো করেছেন বিএনপি‘র নেতাকর্মীরা। ২০১২সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা,বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা ছিল।

এ ছাড়া ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে সংঘষের ঘটনা করা মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়। তিনি পলাতক আসামি।

উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট পরবর্তী মামলায় খাগড়াছড়ির আরো ৬ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে। মামলার ভয়ে তারাও আত্মগোপনে আছেন।

সাংবাদিক প্রদীপ চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সৈকত দেওয়ানসহ জেলার সিনিয়র সাংবাদিকরা।এক বিবৃতিতে অবিলম্বে তাকে মুক্তির দাবি করা হয়। একই সঙ্গে তদন্ত ছাড়া কোনো সাংবাদিককে গ্রেপ্তার না করার অনুরোধ করা হয়।