নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এর উদ্যোগে বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থায়ী পে-কমিশন গঠন, টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূর্নবহাল, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের মধ্যে সৃষ্ট পদবী এবং স্কেল বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে সচিবালয় এবং সচিবালয়ের বাহিরের সকল কর্মচারিদের এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ ৭ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অদ্য ১০/০৯/২০২৪খ্রি. রোজ মঙ্গলবার, বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটরিয়ামে এক প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধি সমাবেশে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশবরেন্য নেতা সর্বজনাব মাহমুদুর রহমান মান্না, সভাপতি, নাগরিক ঐক্য, নূরুল হক নুর, সভাপতি, গণঅধিকার পরিষদ, জোনায়েদ সাকী, প্রধান সমন্বয়কারী, গণ সংগতি আন্দোলন ও জনাব ইলিয়াস খান সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেসক্লাব।

সমাবেশে মোঃ মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য পাঠ করেন জনাব মোঃ লুৎফর রহমান, সমন্বয়ক ও সভাপতি ১১-২০ ফোরাম এবং মুখ্য সমন্বয়ক জনাব ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে লিখিত দাবীনামা পাঠ করেন মোঃ ছালজার রহমান, সমন্বয়ক ও মহাসচিব, বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটি।

প্রতিনিধি সমাবেশে অতিথি .মাহমুদুর রহমান মান্না, সভাপতি, নাগরিক ঐক্য বলেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ৭দফা দাবীতে আজকের সমাবেশ অত্যান্ত যৌক্তিক। ২০১৫ সালের পে-স্কেল ছিল একটি বৈষম্যে ভরা পে-স্কেল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতনে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। বর্তমান বাজারে এই বেতন-ভাতা দিয়ে কর্মচারীরা কোন ভাবেই চলতে পারে না। আপনাদের দাবীর সাথে আমরা সম্পূর্ণ একমত। আপনাদের এই দাবী বাস্তাবায়নের জন্য আমরা সকলে মিলে সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাবো। জনাব জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন কর্মচারীদের পেট খালি রেখে দুর্নীতি না করার জন্য পরামর্শ দেয়াটা হাস্যকর। তাদের বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী পর্যাপ্ত বেতন-ভাতা দিতে হবে। জনাব ইলিয়াস খান বলেন বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফসল হলো বর্তমান সরকার। এই সরকারের আমলে কর্মচারীদের বেতন ও পদবী বৈষম্যসহ সকল বৈষম্য দূর করা হবে। এ জন্য দরকার হলে আমাকে যেখানে যেতে হয় আপনাদেরকে নিয়ে সেখানে যাবো, আমি চাই কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী নির্ধারণ করা হউক এবং সর্বনি¤œ বেতন কমপক্ষে ২৫,০০০/- টাকা করা হউক।

উক্ত প্রতিনিধি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সর্বজনাব মোঃ লুৎফর রহমান, সভাপতি ১১-২০ ফোরাম ও সমন্বয়ক দাবী আদায় ঐক্য পরিষদ, রফিকুল আলম, সভাপতি, বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড কর্মচারি সমিতি, খায়ের আহম্মেদ মজুমদার, সমন্বয়ক, মোঃ ছালজার রহমান, মহাসচিব, বাংলাদেশ ৩য় শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতি, কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান পিয়াল, কার্যকরী সভাপতি, বাংলাদেশ ৩য় শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতি নুরে আলম, সদস্য সচিব, বাংলাদেশ ১৭-২০ কর্মচারি সমিতি, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সমন¦য়ক, মোঃ রফিকুল ইসলাম মামুন, যুগ্ম সমন¦য়ক, মোঃ ফরিদ আহমেদ সরদার, কায়সার হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, শেখ মোঃ রাসেল, মোঃ তারিকুল ইসলাম, কামরুজ্জামান উজ্জল, সরোয়ার হোসেন তালুকদার, মাহবুব হোসেন তালুকদার, নূর ই মোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, আরিফুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন (শিক্ষা বোর্ড), রিয়াজউদ্দিন, দৌলত জামান, আব্দুল্যাহ আল মামুন, মোঃ শফিকুল ইসলাম, গাজী সাইফুল ইসলাম, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ জহিরুল ইসলাম, মোঃ নজরুল ইসলাম, লিপি আক্তার, খাদিজা নাজনীনসহ বিভিন্ন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী দাবী আদায় ঐক্য পরিষদের ৭ দফা দাবীবাস্তবায়নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মোঃ ইউনুস মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রজাতন্ত্রের ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিদের বেতন ও পদবী বৈষম্য তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে সমন্বয়ক জনাব মো. ছালজার রহমান বলেন, ‘‘আমাদের সংগঠনের ব্যানারে ২০১৯ সন থেকে সংবাদ সম্মেলন, স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন, বিভাগীয় সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। সর্বশেষ ২০ আগষ্ট, ২০২৪ এ জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষিত ৩০ আগষ্ট, ২০২৪ তারিখ শাহবাগ জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচীর আহবান করা হয়েছিল। কিন্তু দেশের চলমান অবস্থা বিবেচনা এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কর্মচারীদের দাবীর বিষয়ে আশ^াষের প্রেক্ষিতে প্রোগ্রাম স্থগিত করা হয়। বিগত সরকার বেতন-ভাতাদি সকল আশাকে নিরাশায় পরিণত করে সরকার কর্তৃক ৫% বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় প্রজাতন্ত্রের ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিরা চরমভাবে হতাশ ও ক্ষুদ্ধ। সরকার কর্তৃক এ ৫ % বিশেষ সুবিধা বর্তমান বাজার ব্যবস্থার সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়াও আমাদের সংগঠনের দাবি ছিল কর্মচারি অংগনে বৈষম্য দূর করা। কিন্তু তা না হয়ে প্রদেয় ৫% বিশেষ সুবিধায় ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিদের বৈষম্য আরও বৃদ্ধি হয়েছে। ১১-২০ গ্রেডের অধিকাংশ কর্মচারিদের মূল বেতন ২০,০০০/-(বিশহাজার) টাকার নীচে , তাদের আগামী ৪/৫ বছরের বিশেষ সুবিধা সর্বনি¤œ ১০০০/-(এক হাজার) টাকার উর্দ্ধে উঠবেনা। অথচ ১-৯ম গ্রেডের কর্মচারিদের এ সুবিধা চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। আমরা এ ধরণের বিশেষ সুবিধা চাইনি। বর্ণিতকারণে বিগত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ৫% বিশেষ সুবিধা পুনঃবিবেচনা করে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার ঘাষণা অনুযায়ী বর্তমান সময়ের মুদ্রাস্ফীতির সাথে সংগতি রেখে তামূল বেতনের সাথে সংযোজন ও সকল ভাতাদি যুগোপযোগী করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানান। একইসাথে যথাশীঘ্র বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।

সেমিনারে বক্তব্যে মুখ্য সমন্বয়ক ও সভাপতি বলেন, দ্বিতীয় বারের মত ছাত্র-জনতার স্বাধীন দেশে এ রকম বৈষম্য আমরা দেখতে চাই না। দ্রব্য-মূল্যেও লাগামহীন উর্দ্ধোগতি ও পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যয়ভার প্রাপ্ত বেতনের অর্থ দিয়ে মাসের ১৫ দিনও চলা সম্ভব হয়না। ৫ বছর পর পর পে-স্কেল প্রদানের প্রথাচালু থাকলেও ২০১৫ সালের ৮ম পে-স্কেল প্রদানের পর দীর্ঘ ৯ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে এ পর্যায়ে কর্মচারিদের ৯ম পে-স্কেলসহ ভাতাদির অসংগতি দূর করার জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার আশুহস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। একই সাথে অনতিবিলম্বে সকল দপ্তর অধিদপ্তরের কর্মচারীদের পদনাম সচিবালয়ের ন্যায় পরিবর্তন করে বেতন ও পদবী বৈষম্য দুরকরে পূর্বের ন্যায় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূনর্বহালসহ এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন করার জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জোর দাবি জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের বঞ্চিত লক্ষ লক্ষ কর্মচারীদের দাবীর বিষয় বিবেচনা করার বক্তব্য প্রদান করায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের নেকহায়াত ও সুস্থতা কামনা করা হয়।

অনতিবিলম্বে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারিদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে আন্দোলনের কর্মসূচি দিবেন বলে ঘোষণা করেন। দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে উক্ত কর্মসূচি পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এর উদ্যোগে বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থায়ী পে-কমিশন গঠন, টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূর্নবহাল, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের মধ্যে সৃষ্ট পদবী এবং স্কেল বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে সচিবালয় এবং সচিবালয়ের বাহিরের সকল কর্মচারিদের এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ ৭ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অদ্য ১০/০৯/২০২৪খ্রি. রোজ মঙ্গলবার, বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটরিয়ামে এক প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধি সমাবেশে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশবরেন্য নেতা সর্বজনাব মাহমুদুর রহমান মান্না, সভাপতি, নাগরিক ঐক্য, নূরুল হক নুর, সভাপতি, গণঅধিকার পরিষদ, জোনায়েদ সাকী, প্রধান সমন্বয়কারী, গণ সংগতি আন্দোলন ও জনাব ইলিয়াস খান সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেসক্লাব।

সমাবেশে মোঃ মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য পাঠ করেন জনাব মোঃ লুৎফর রহমান, সমন্বয়ক ও সভাপতি ১১-২০ ফোরাম এবং মুখ্য সমন্বয়ক জনাব ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে লিখিত দাবীনামা পাঠ করেন মোঃ ছালজার রহমান, সমন্বয়ক ও মহাসচিব, বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটি।

প্রতিনিধি সমাবেশে অতিথি .মাহমুদুর রহমান মান্না, সভাপতি, নাগরিক ঐক্য বলেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ৭দফা দাবীতে আজকের সমাবেশ অত্যান্ত যৌক্তিক। ২০১৫ সালের পে-স্কেল ছিল একটি বৈষম্যে ভরা পে-স্কেল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতনে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। বর্তমান বাজারে এই বেতন-ভাতা দিয়ে কর্মচারীরা কোন ভাবেই চলতে পারে না। আপনাদের দাবীর সাথে আমরা সম্পূর্ণ একমত। আপনাদের এই দাবী বাস্তাবায়নের জন্য আমরা সকলে মিলে সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাবো। জনাব জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন কর্মচারীদের পেট খালি রেখে দুর্নীতি না করার জন্য পরামর্শ দেয়াটা হাস্যকর। তাদের বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী পর্যাপ্ত বেতন-ভাতা দিতে হবে। জনাব ইলিয়াস খান বলেন বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফসল হলো বর্তমান সরকার। এই সরকারের আমলে কর্মচারীদের বেতন ও পদবী বৈষম্যসহ সকল বৈষম্য দূর করা হবে। এ জন্য দরকার হলে আমাকে যেখানে যেতে হয় আপনাদেরকে নিয়ে সেখানে যাবো, আমি চাই কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী নির্ধারণ করা হউক এবং সর্বনি¤œ বেতন কমপক্ষে ২৫,০০০/- টাকা করা হউক।

উক্ত প্রতিনিধি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সর্বজনাব মোঃ লুৎফর রহমান, সভাপতি ১১-২০ ফোরাম ও সমন্বয়ক দাবী আদায় ঐক্য পরিষদ, রফিকুল আলম, সভাপতি, বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড কর্মচারি সমিতি, খায়ের আহম্মেদ মজুমদার, সমন্বয়ক, মোঃ ছালজার রহমান, মহাসচিব, বাংলাদেশ ৩য় শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতি, কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান পিয়াল, কার্যকরী সভাপতি, বাংলাদেশ ৩য় শ্রেণী সরকারি কর্মচারি সমিতি নুরে আলম, সদস্য সচিব, বাংলাদেশ ১৭-২০ কর্মচারি সমিতি, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সমন¦য়ক, মোঃ রফিকুল ইসলাম মামুন, যুগ্ম সমন¦য়ক, মোঃ ফরিদ আহমেদ সরদার, কায়সার হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, শেখ মোঃ রাসেল, মোঃ তারিকুল ইসলাম, কামরুজ্জামান উজ্জল, সরোয়ার হোসেন তালুকদার, মাহবুব হোসেন তালুকদার, নূর ই মোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, আরিফুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন (শিক্ষা বোর্ড), রিয়াজউদ্দিন, দৌলত জামান, আব্দুল্যাহ আল মামুন, মোঃ শফিকুল ইসলাম, গাজী সাইফুল ইসলাম, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ জহিরুল ইসলাম, মোঃ নজরুল ইসলাম, লিপি আক্তার, খাদিজা নাজনীনসহ বিভিন্ন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী দাবী আদায় ঐক্য পরিষদের ৭ দফা দাবীবাস্তবায়নে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মোঃ ইউনুস মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রজাতন্ত্রের ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিদের বেতন ও পদবী বৈষম্য তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে সমন্বয়ক জনাব মো. ছালজার রহমান বলেন, ‘‘আমাদের সংগঠনের ব্যানারে ২০১৯ সন থেকে সংবাদ সম্মেলন, স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন, বিভাগীয় সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। সর্বশেষ ২০ আগষ্ট, ২০২৪ এ জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষিত ৩০ আগষ্ট, ২০২৪ তারিখ শাহবাগ জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচীর আহবান করা হয়েছিল। কিন্তু দেশের চলমান অবস্থা বিবেচনা এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কর্মচারীদের দাবীর বিষয়ে আশ^াষের প্রেক্ষিতে প্রোগ্রাম স্থগিত করা হয়। বিগত সরকার বেতন-ভাতাদি সকল আশাকে নিরাশায় পরিণত করে সরকার কর্তৃক ৫% বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় প্রজাতন্ত্রের ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিরা চরমভাবে হতাশ ও ক্ষুদ্ধ। সরকার কর্তৃক এ ৫ % বিশেষ সুবিধা বর্তমান বাজার ব্যবস্থার সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়াও আমাদের সংগঠনের দাবি ছিল কর্মচারি অংগনে বৈষম্য দূর করা। কিন্তু তা না হয়ে প্রদেয় ৫% বিশেষ সুবিধায় ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিদের বৈষম্য আরও বৃদ্ধি হয়েছে। ১১-২০ গ্রেডের অধিকাংশ কর্মচারিদের মূল বেতন ২০,০০০/-(বিশহাজার) টাকার নীচে , তাদের আগামী ৪/৫ বছরের বিশেষ সুবিধা সর্বনি¤œ ১০০০/-(এক হাজার) টাকার উর্দ্ধে উঠবেনা। অথচ ১-৯ম গ্রেডের কর্মচারিদের এ সুবিধা চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। আমরা এ ধরণের বিশেষ সুবিধা চাইনি। বর্ণিতকারণে বিগত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ৫% বিশেষ সুবিধা পুনঃবিবেচনা করে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার ঘাষণা অনুযায়ী বর্তমান সময়ের মুদ্রাস্ফীতির সাথে সংগতি রেখে তামূল বেতনের সাথে সংযোজন ও সকল ভাতাদি যুগোপযোগী করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানান। একইসাথে যথাশীঘ্র বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।

সেমিনারে বক্তব্যে মুখ্য সমন্বয়ক ও সভাপতি বলেন, দ্বিতীয় বারের মত ছাত্র-জনতার স্বাধীন দেশে এ রকম বৈষম্য আমরা দেখতে চাই না। দ্রব্য-মূল্যেও লাগামহীন উর্দ্ধোগতি ও পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যয়ভার প্রাপ্ত বেতনের অর্থ দিয়ে মাসের ১৫ দিনও চলা সম্ভব হয়না। ৫ বছর পর পর পে-স্কেল প্রদানের প্রথাচালু থাকলেও ২০১৫ সালের ৮ম পে-স্কেল প্রদানের পর দীর্ঘ ৯ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে এ পর্যায়ে কর্মচারিদের ৯ম পে-স্কেলসহ ভাতাদির অসংগতি দূর করার জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার আশুহস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। একই সাথে অনতিবিলম্বে সকল দপ্তর অধিদপ্তরের কর্মচারীদের পদনাম সচিবালয়ের ন্যায় পরিবর্তন করে বেতন ও পদবী বৈষম্য দুরকরে পূর্বের ন্যায় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূনর্বহালসহ এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন করার জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জোর দাবি জানানো হয়।

তিনি আরও বলেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের বঞ্চিত লক্ষ লক্ষ কর্মচারীদের দাবীর বিষয় বিবেচনা করার বক্তব্য প্রদান করায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের নেকহায়াত ও সুস্থতা কামনা করা হয়।

অনতিবিলম্বে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারিদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে আন্দোলনের কর্মসূচি দিবেন বলে ঘোষণা করেন। দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে উক্ত কর্মসূচি পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।