ঢাকা: ৭০ বছর আগে ভাষা আন্দোলনের যে মূল চেতনা ছিল সেই চেতনা ছিল আমাদের স্বাধীকারের চেতনা, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার চেতনা। সেই চেতনা ছিল মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার। আমরা সকলে কথা বলতে পারবো। আমরা আমাদের স্বাধীন চিন্তা প্রকাশ করতে পারবো। বাক-স্বাধীনতা থাকবে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকবে। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই চেতনাকে ধারণ করেই আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছি। আজ সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি), সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য আমাদের আজকে এমন একটি সরকার জনগণের ঘাড়ে চেপে বসে আছে। তারা একুশের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে দিয়েছে। তারা ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে।
ভাষা আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়নে দেশে ‘গণঅভ্যুত্থান’ গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে তিনি বলেন, ভয়াবহ একটা ফ্যাসিজম এই দেশের উপরে চলছে। এটাকে সরানোর জন্য, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবার জন্যে, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এখানে একটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করব।তার মধ্য দিয়ে সত্যিকার অর্থে আমরা একুশের চেতনাকে বাস্তবায়িত করব।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রথম একুশে পদক শুরু করেছিলেন। দুর্ভাগ্য আমাদের আজকে এমন একটি সরকার এই দেশের জনগণের ওপরে চেপে বসে আছে যারা জনগণের সমস্ত আশা আকাঙ্ক্ষাকে দমন করছে এবং একুশের যে চেতনা সেই চেতনাকে তারা ভুলুণ্ঠিত করে দিয়েছে। তারা জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বাক-স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। এই দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরিভাবে পঙ্গু করে ফেলা হচ্ছে। বাংলাভাষা এখনো সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
সরকারের দমনপীড়নের কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘আজকে আমাদের গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনি অসুস্থ অবস্থায় গৃহবন্দি হয়ে আছেন। আমাদের নেতা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবে মিথ্যা মামলায় দেশ থেকে বহু দূরে নির্বাসিত হয়ে আছেন। অগণিত মানুষ আজকে মিথ্যা মামলায় পড়ে আছে। এই থেকে আমাদের পরিত্রাণ পেতে হবে।”
ঢাকা: ৭০ বছর আগে ভাষা আন্দোলনের যে মূল চেতনা ছিল সেই চেতনা ছিল আমাদের স্বাধীকারের চেতনা, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার চেতনা। সেই চেতনা ছিল মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার। আমরা সকলে কথা বলতে পারবো। আমরা আমাদের স্বাধীন চিন্তা প্রকাশ করতে পারবো। বাক-স্বাধীনতা থাকবে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকবে। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই চেতনাকে ধারণ করেই আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছি। আজ সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি), সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য আমাদের আজকে এমন একটি সরকার জনগণের ঘাড়ে চেপে বসে আছে। তারা একুশের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে দিয়েছে। তারা ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে, বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে।
ভাষা আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়নে দেশে ‘গণঅভ্যুত্থান’ গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে তিনি বলেন, ভয়াবহ একটা ফ্যাসিজম এই দেশের উপরে চলছে। এটাকে সরানোর জন্য, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবার জন্যে, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এখানে একটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করব।তার মধ্য দিয়ে সত্যিকার অর্থে আমরা একুশের চেতনাকে বাস্তবায়িত করব।
মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রথম একুশে পদক শুরু করেছিলেন। দুর্ভাগ্য আমাদের আজকে এমন একটি সরকার এই দেশের জনগণের ওপরে চেপে বসে আছে যারা জনগণের সমস্ত আশা আকাঙ্ক্ষাকে দমন করছে এবং একুশের যে চেতনা সেই চেতনাকে তারা ভুলুণ্ঠিত করে দিয়েছে। তারা জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বাক-স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। এই দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরিভাবে পঙ্গু করে ফেলা হচ্ছে। বাংলাভাষা এখনো সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
সরকারের দমনপীড়নের কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘আজকে আমাদের গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনি অসুস্থ অবস্থায় গৃহবন্দি হয়ে আছেন। আমাদের নেতা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবে মিথ্যা মামলায় দেশ থেকে বহু দূরে নির্বাসিত হয়ে আছেন। অগণিত মানুষ আজকে মিথ্যা মামলায় পড়ে আছে। এই থেকে আমাদের পরিত্রাণ পেতে হবে।”