বিজন কুমার বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মা ও শিশু, পুষ্টি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইউএসএআইডির সহযোগিতায় সোশাল মার্কেটিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় কক্সবাজার জেলার চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও উখিয়া সহ ৬ উপজেলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সীমান্তিক গত ২০১৯ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। সংস্থাটির চলমান কার্যক্রম আরো বেগবান ও টেকসই করার লক্ষ্যে জিএসএমদের সাথে অভিজ্ঞতা ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ বৃহস্পতিবার(২৯ আগস্ট) ইউএসএআইডির সহযোগিতায় সোশ্যাল মাকেটিং কোম্পানি এর ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সীমান্তিক কর্তৃক চকরিয়া সাম্পান রেস্টুরেন্ট কনফারেন্স রুমে জিএসএমদের নিয়ে অভিজ্ঞতা ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র ম্যানেজার, এসএমসি।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ,কে,এম ফজলে খোদা, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার, এসএমসি, মোঃ কামাল হোসেন, ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার, সীমান্তিক, ডাঃ মোঃ সাইমুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, মোঃ কাজী মারুফ আহম্মেদ, রিজিওনাল টিম লিডার, সীমান্তিক, কক্সবাজার, মোঃ লোকমান হোসেন, রিজিওনাল টিম লিডার, সীমান্তিক, চট্টগ্রাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, এসএমসি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং প্রোডাক্টের গুনগত মানে কোন আপস করে না। চাকরিতে কোন স্বাধীনতা নেই। আপনারা সবাই উদ্যোক্তা এবং স্বাধীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেষে উপস্থিত জিএসএমরা অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

এ সময় ৬ উপজেলার ১৭৬ জন জিএসএম সহ ইউএস, সিএম ও প্যারামেডিক গন অংশগ্রহন করেন।

জিএসএম গণ কমিউনিটিতে জনগণের স্বাস্থ্যগত আচরণ পরিবর্তন বিশেষ করে মা ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে স্থায়ীত্ব আনয়নের জন্য নানাবিধ পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য সামগ্রী হাতের কাছে পৌছানো এবং নিজেকে একজন নারী উদ্যাক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

মত বিনিময় সভায় ফজলে খোদা উপস্থিত সকলের কাজের অগ্রগতির জন্য বিভিন্ন দিক নিদের্শনামুলক পরামর্শ প্রদান করেন।

উপস্থিত কর্মকর্তাগণ পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির হার বৃদ্ধি, এএনসির হার বৃদ্ধি ও শিশু পুষ্টি হীনতা দুরী করনে বিশেষ ভুমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

মতবিনিময় সভা শেষে শ্রেষ্ঠ উপজেলা সুপারভাইজার, শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি মোবিলাইজার, শ্রেষ্ঠ জিএসএমদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বিজন কুমার বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মা ও শিশু, পুষ্টি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইউএসএআইডির সহযোগিতায় সোশাল মার্কেটিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় কক্সবাজার জেলার চকরিয়া, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও উখিয়া সহ ৬ উপজেলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সীমান্তিক গত ২০১৯ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। সংস্থাটির চলমান কার্যক্রম আরো বেগবান ও টেকসই করার লক্ষ্যে জিএসএমদের সাথে অভিজ্ঞতা ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ বৃহস্পতিবার(২৯ আগস্ট) ইউএসএআইডির সহযোগিতায় সোশ্যাল মাকেটিং কোম্পানি এর ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সীমান্তিক কর্তৃক চকরিয়া সাম্পান রেস্টুরেন্ট কনফারেন্স রুমে জিএসএমদের নিয়ে অভিজ্ঞতা ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র ম্যানেজার, এসএমসি।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ,কে,এম ফজলে খোদা, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার, এসএমসি, মোঃ কামাল হোসেন, ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার, সীমান্তিক, ডাঃ মোঃ সাইমুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, মোঃ কাজী মারুফ আহম্মেদ, রিজিওনাল টিম লিডার, সীমান্তিক, কক্সবাজার, মোঃ লোকমান হোসেন, রিজিওনাল টিম লিডার, সীমান্তিক, চট্টগ্রাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, এসএমসি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং প্রোডাক্টের গুনগত মানে কোন আপস করে না। চাকরিতে কোন স্বাধীনতা নেই। আপনারা সবাই উদ্যোক্তা এবং স্বাধীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেষে উপস্থিত জিএসএমরা অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

এ সময় ৬ উপজেলার ১৭৬ জন জিএসএম সহ ইউএস, সিএম ও প্যারামেডিক গন অংশগ্রহন করেন।

জিএসএম গণ কমিউনিটিতে জনগণের স্বাস্থ্যগত আচরণ পরিবর্তন বিশেষ করে মা ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে স্থায়ীত্ব আনয়নের জন্য নানাবিধ পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য সামগ্রী হাতের কাছে পৌছানো এবং নিজেকে একজন নারী উদ্যাক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

মত বিনিময় সভায় ফজলে খোদা উপস্থিত সকলের কাজের অগ্রগতির জন্য বিভিন্ন দিক নিদের্শনামুলক পরামর্শ প্রদান করেন।

উপস্থিত কর্মকর্তাগণ পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির হার বৃদ্ধি, এএনসির হার বৃদ্ধি ও শিশু পুষ্টি হীনতা দুরী করনে বিশেষ ভুমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

মতবিনিময় সভা শেষে শ্রেষ্ঠ উপজেলা সুপারভাইজার, শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি মোবিলাইজার, শ্রেষ্ঠ জিএসএমদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।