প্রদীপ চৌধূরী, কক্সবাজার: সীমান্তের ফাঁক গলে কক্সবাজারের উপকূল দিয়ে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি করা জ্বালানি ও ভোজ্যতেল। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজনৈতিক অস্থিরতায় ধুকতে থাকা পাশের দেশ মিয়ানমারে ১ লিটার অকটেনের দাম ৬০০ টাকা। কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ থেকে এক লিটার অকটেন পাচারকারী নৌকায় তুলে দিতে পারলেই হাতে লাভ হিসেবে চলে আসছে নগদ ১৬৫ টাকা। আর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সাগর থেকে মিয়ানমার উপকূলে পোঁছলে সেই অক্টেনের প্রতি লিটার লাভ দাঁড়াবে ৩০০ টাকা। মাদকের চেয়েও জ্বালানি তেল পাচারে হঠাৎ এমন অস্বাভাবিক লাভ দেখে সেই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে উপকূলের মানুষ।

প্রতিদিন রাতের বেলা এভাবে মিয়ানমারে জ্বালানি ও ভোজ্য তেল পাচারের খবর মিলছে। সাগর পথের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে এমন পাচরের তথ্য মতে কক্সবাজারের এলিট ফোর্স ১৫ এর সদস্যরা সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে এক চালানে ২ হাজার ৯০০ লিটার অকটেন উদ্ধার করেছে। সেই সঙ্গে অকটেনের পাচারের সঙ্গে জড়িত ছয় জন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।

পাচারে জড়িতারা জানিয়েছেন, ওই অকটেনের ৬৯ টি প্লাস্টিক কন্টেনারে করে নৌকায় পাচার করা হচ্ছিল মিয়ানমারে।

র্যাবের একটি সূত্র জানিয়েছে, পাচারকারীরা উখিয়ার একটি তেলের পাম্প থেকে ওই অকটেনের প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা করে কিনে মিয়ানমারে নিয়ে যাচ্ছিল।

র্যাব ১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু সালাম চৌধুরী জানান, সম্প্রতি কক্সবাজারের সাগরের বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করে চোরাকারবারী চক্র জ্বালানি অকটেন পাশের দেশে পাচার করে আসছে।

এ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব ১৫ এর একটি চকৌস অভিযানিক দল গত শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় মেরিন ড্রাইভের দরিয়া নগর ব্রিজের উপর বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানকালে টেকনাফ অভিমুখী দু’টি পিকআপ ভ্যান আটক করা হয়। সেখানে ৬৯ টি কন্টেইনারে ২ হাজার ৯০০ লিটার অকটেন পাওয়া যায়।

এ সময় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন -গিয়াস উদ্দিন জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনারপাড়ার বাসিন্দা, মোহাম্মদ আয়াস ওরফে রিয়াজ (২২), মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন(২০), আলি আকবর( ৩৮) মোহাম্মদ সোহেল (১৯) মোহাম্মদ এহসানুল্লাহ ওরফ রহমত উল্লাহ(২৩) ও রামুর হিমছড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ দেলোয়ার (২৪)।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, পিকআপ করেই অকটেন মিয়ানমার মুখী নৌকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা পরস্পরের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন পেট্রোলপাম থেকে পাইকারি দামে জ্বালানি অকটেন ক্রয় করে বেশি মূল্যে অবৈধভাবে সাগরের বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করে মিয়ানমারে চোরাই পথে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন তারা।

প্রদীপ চৌধূরী, কক্সবাজার: সীমান্তের ফাঁক গলে কক্সবাজারের উপকূল দিয়ে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি করা জ্বালানি ও ভোজ্যতেল। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজনৈতিক অস্থিরতায় ধুকতে থাকা পাশের দেশ মিয়ানমারে ১ লিটার অকটেনের দাম ৬০০ টাকা। কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ থেকে এক লিটার অকটেন পাচারকারী নৌকায় তুলে দিতে পারলেই হাতে লাভ হিসেবে চলে আসছে নগদ ১৬৫ টাকা। আর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সাগর থেকে মিয়ানমার উপকূলে পোঁছলে সেই অক্টেনের প্রতি লিটার লাভ দাঁড়াবে ৩০০ টাকা। মাদকের চেয়েও জ্বালানি তেল পাচারে হঠাৎ এমন অস্বাভাবিক লাভ দেখে সেই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে উপকূলের মানুষ।

প্রতিদিন রাতের বেলা এভাবে মিয়ানমারে জ্বালানি ও ভোজ্য তেল পাচারের খবর মিলছে। সাগর পথের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে এমন পাচরের তথ্য মতে কক্সবাজারের এলিট ফোর্স ১৫ এর সদস্যরা সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে এক চালানে ২ হাজার ৯০০ লিটার অকটেন উদ্ধার করেছে। সেই সঙ্গে অকটেনের পাচারের সঙ্গে জড়িত ছয় জন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।

পাচারে জড়িতারা জানিয়েছেন, ওই অকটেনের ৬৯ টি প্লাস্টিক কন্টেনারে করে নৌকায় পাচার করা হচ্ছিল মিয়ানমারে।

র্যাবের একটি সূত্র জানিয়েছে, পাচারকারীরা উখিয়ার একটি তেলের পাম্প থেকে ওই অকটেনের প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা করে কিনে মিয়ানমারে নিয়ে যাচ্ছিল।

র্যাব ১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু সালাম চৌধুরী জানান, সম্প্রতি কক্সবাজারের সাগরের বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করে চোরাকারবারী চক্র জ্বালানি অকটেন পাশের দেশে পাচার করে আসছে।

এ তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব ১৫ এর একটি চকৌস অভিযানিক দল গত শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় মেরিন ড্রাইভের দরিয়া নগর ব্রিজের উপর বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানকালে টেকনাফ অভিমুখী দু’টি পিকআপ ভ্যান আটক করা হয়। সেখানে ৬৯ টি কন্টেইনারে ২ হাজার ৯০০ লিটার অকটেন পাওয়া যায়।

এ সময় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন -গিয়াস উদ্দিন জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনারপাড়ার বাসিন্দা, মোহাম্মদ আয়াস ওরফে রিয়াজ (২২), মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন(২০), আলি আকবর( ৩৮) মোহাম্মদ সোহেল (১৯) মোহাম্মদ এহসানুল্লাহ ওরফ রহমত উল্লাহ(২৩) ও রামুর হিমছড়ির বাসিন্দা মোহাম্মদ দেলোয়ার (২৪)।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, পিকআপ করেই অকটেন মিয়ানমার মুখী নৌকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা পরস্পরের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন পেট্রোলপাম থেকে পাইকারি দামে জ্বালানি অকটেন ক্রয় করে বেশি মূল্যে অবৈধভাবে সাগরের বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করে মিয়ানমারে চোরাই পথে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন তারা।