মোঃ মশিউর রহমান, রংপুর : কনকনে শীতে চরম বিপাকে পড়েছেন তারাগঞ্জ উপজেলার গরিব-অসহায় শীতার্ত মানুষ। এই শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন সমাজের ছিন্নমূল মানুষেরা। গরিব-দুঃখী শীতার্ত মানুষের শীতের কষ্ট লাঘবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও প্রতিষ্ঠান ঘুরে ঘুরে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির হচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানা।

জানা গেছে, গত সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আনা দেড় হাজার কম্বল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট-বাজার, কয়েকটি আশ্রয়ণ প্রকল্প, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন পাড়ার-মহল্লার ছিন্নমূল ও অসহায় শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করছেন ।

কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর মাদ্রাসা মোড়ের অন্ধ ভিখারী কবে বেওয়া জানান , “এবারে খুব শীত আইছে বা। আইত হইলে শীত কনকন করি হাড্ডিত নাগে। প্রতিবন্ধী ভাতার টাকায় খুব কষ্টে দিন যায়। গরম কাপড় কেনমো, তার টাকা নাই। কম্বল পায়া খুব উপকার হইল। এল্যা ঠান্ডা জার (শীত) একনা কম নাগবে।’

পাউবো’র ক্যানেলের ধারে বসবাস করা মনি বেগম শীতবস্ত্র কম্বল পেয়ে বলেন, রাতে ভাত খেয়ে শুয়ে আছি , হঠাৎ গাড়ির শব্দ। ঘুম থেকে উঠে দেখি ইউএনও স্যার কম্বল নিয়ে এসেছেন। কনকনে শীত ও ঠান্ডা বাতাস বইছে এমন সময়ে গরমের কাপড় কম্বল পেয়ে আমি খুবই খুশি। স্বামী সন্তান নিয়ে খুবই কষ্টে ছিলাম। আমি এখন স্বামী সন্তান নিয়ে খুবই আরামে আছি। আমি ইউএনও স্যারদের জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদের ভালো করেন।

খারুভাজ দারুস সালাম হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় গিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে শীত নিবারনের জন্য কম্বল তুলে দেন ইউএনও রুবেল রানা। মাদ্রসার মুহতামিম জানান, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুঃচিন্তায় ছিলাম । ইউএনও স্যার নিজের হাতে কম্বল দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের। এই কনকনে শীতে কম্বল পেয়ে শীতার্ত শিশুদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠে।

আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর দর্জিপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে গভীর রাতে কম্বল নিয়ে ছুটে যান ইউএনও রুবেল রানা । সেখানকার এক প্রতিবন্ধী জানান, অনেক মানুষের কাছে গিয়েছি কেউ আমাকে একটা শীতবস্ত্র দেয়নি। বরং ফিরিয়ে দিয়েছে। পুরাতন কাঁথা গায়ে মুড়িয়ে থাকতাম , ঠান্ডায় ঘুম আসতো না। কিন্তু রাতের আঁধারে ইউএনও স্যার আমার বাড়িতে ঢুকে কম্বল দিয়েছেন। এটা সত্যি অকল্পনীয়। অনেক উপকার হলো।

ইউএনও রুবেল রানা জানান, প্রচণ্ড শীতে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষদের একটা করে কম্বল দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এই শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের মানবিক দায়িত্ব বলে আমি মনে করি। শীতে কোনো দুস্থ পরিবার যেন কষ্ট না পায়, সে জন্য আমরা তাদের পাশে শীতবস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়েছি। উষ্ণতার পরশ কম্বল দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। তথ্য পেলে পুনরায় ছুটে যাবেন শীতার্ত , ছিন্নমূল , অসহায় মানুষদের মাঝে ও শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

মোঃ মশিউর রহমান, রংপুর : কনকনে শীতে চরম বিপাকে পড়েছেন তারাগঞ্জ উপজেলার গরিব-অসহায় শীতার্ত মানুষ। এই শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন সমাজের ছিন্নমূল মানুষেরা। গরিব-দুঃখী শীতার্ত মানুষের শীতের কষ্ট লাঘবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও প্রতিষ্ঠান ঘুরে ঘুরে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির হচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানা।

জানা গেছে, গত সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আনা দেড় হাজার কম্বল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট-বাজার, কয়েকটি আশ্রয়ণ প্রকল্প, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন পাড়ার-মহল্লার ছিন্নমূল ও অসহায় শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করছেন ।

কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর মাদ্রাসা মোড়ের অন্ধ ভিখারী কবে বেওয়া জানান , “এবারে খুব শীত আইছে বা। আইত হইলে শীত কনকন করি হাড্ডিত নাগে। প্রতিবন্ধী ভাতার টাকায় খুব কষ্টে দিন যায়। গরম কাপড় কেনমো, তার টাকা নাই। কম্বল পায়া খুব উপকার হইল। এল্যা ঠান্ডা জার (শীত) একনা কম নাগবে।’

পাউবো’র ক্যানেলের ধারে বসবাস করা মনি বেগম শীতবস্ত্র কম্বল পেয়ে বলেন, রাতে ভাত খেয়ে শুয়ে আছি , হঠাৎ গাড়ির শব্দ। ঘুম থেকে উঠে দেখি ইউএনও স্যার কম্বল নিয়ে এসেছেন। কনকনে শীত ও ঠান্ডা বাতাস বইছে এমন সময়ে গরমের কাপড় কম্বল পেয়ে আমি খুবই খুশি। স্বামী সন্তান নিয়ে খুবই কষ্টে ছিলাম। আমি এখন স্বামী সন্তান নিয়ে খুবই আরামে আছি। আমি ইউএনও স্যারদের জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদের ভালো করেন।

খারুভাজ দারুস সালাম হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় গিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে শীত নিবারনের জন্য কম্বল তুলে দেন ইউএনও রুবেল রানা। মাদ্রসার মুহতামিম জানান, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুঃচিন্তায় ছিলাম । ইউএনও স্যার নিজের হাতে কম্বল দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের। এই কনকনে শীতে কম্বল পেয়ে শীতার্ত শিশুদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠে।

আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর দর্জিপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে গভীর রাতে কম্বল নিয়ে ছুটে যান ইউএনও রুবেল রানা । সেখানকার এক প্রতিবন্ধী জানান, অনেক মানুষের কাছে গিয়েছি কেউ আমাকে একটা শীতবস্ত্র দেয়নি। বরং ফিরিয়ে দিয়েছে। পুরাতন কাঁথা গায়ে মুড়িয়ে থাকতাম , ঠান্ডায় ঘুম আসতো না। কিন্তু রাতের আঁধারে ইউএনও স্যার আমার বাড়িতে ঢুকে কম্বল দিয়েছেন। এটা সত্যি অকল্পনীয়। অনেক উপকার হলো।

ইউএনও রুবেল রানা জানান, প্রচণ্ড শীতে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষদের একটা করে কম্বল দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এই শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের মানবিক দায়িত্ব বলে আমি মনে করি। শীতে কোনো দুস্থ পরিবার যেন কষ্ট না পায়, সে জন্য আমরা তাদের পাশে শীতবস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়েছি। উষ্ণতার পরশ কম্বল দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। তথ্য পেলে পুনরায় ছুটে যাবেন শীতার্ত , ছিন্নমূল , অসহায় মানুষদের মাঝে ও শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।