নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিবিদগণ যখন সহিংসতা পরিহার করে সম্প্রীতির চর্চা করবেন, তখনই সহিংসতামুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ‘সংঘাত নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই’ এ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য ধরে চকরিয়া উপজেলা পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ – পিএফজি এর উদ্যোগে ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় আয়োজিত “নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধে নাগরিকদের দায়িত্ব” শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেন।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সাড়ে ৯টায় চকরিয়াস্থ আইসিডিডিআর,বি’র হল রুমে অনুষ্ঠিত এ ওয়ার্কশপে চকরিয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। চকরিয়া পিএফজির কো-অর্ডিনেটর আলমগীর কবির রাজুর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

এরপর দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর মুহাম্মদ আব্দুর রব খান কার্যসূচী অনুযায়ী ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।

এসময় চকরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাতুজ্জামান নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য উপজেলার ন্যায় চকরিয়াতেও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা আশা করব যে, নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলবেন। প্রার্থী এবং তার কর্মীরা একে অন্যের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকবেন।পাশাপাশি যে কোন অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকার জন্য সকলের প্রতি বিশেষ অনুরোধ রইল।

চকরিয়া থানার সাব ইন্সপেক্টর মানিক মিয়া বলেন, চকরিয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চকরিয়াতে বসবাসরত সকল শ্রেণির মানুষ যদি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য পুলিশকে সহায়তা করে তাহলে নির্বাচনের সময় এখানে কোন সংঘাত ও সহিংসতা হবেনা। তাই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমি পিএফজিসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহেদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. ফেরদৌস আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শওকত হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মাস্টার বদিউল আলম, কল্যাণ পার্টির জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম রিফাতুল ইসলাম চৌধুরী, চকরিয়া কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পদ্মলোচন বড়ুয়া, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ সালাহ উদ্দিন খালেদ, সনাক সভাপতি বুলবুল জান্নাত, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রতন বরণ দাশ, প্রফেসর শওকত, পিস এ্যাম্বাসেডর শাহ মোহাম্মদ জাহেদ, মিজবাউল হক, শাহানা বেগম, আবুল মনসুর মহসিন, সাইদুল হক চৌধুরী, মাও রুহুল কুদ্দুস আনোয়ারী, ফোরকানুল ইসলাম টিটু, ফোরকানুল ইসলাম, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সিনিয়র রিজিয়নাল ম্যানেজার সদরুল আমিন।

পরিশেষে চকরিয়া পিএফজির প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট লুৎফুল কবিরের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মশালার সমাপ্তি ঘটে।

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজনীতিবিদগণ যখন সহিংসতা পরিহার করে সম্প্রীতির চর্চা করবেন, তখনই সহিংসতামুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ‘সংঘাত নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই’ এ স্লোগানকে প্রতিপাদ্য ধরে চকরিয়া উপজেলা পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ – পিএফজি এর উদ্যোগে ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় আয়োজিত “নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধে নাগরিকদের দায়িত্ব” শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেন।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সাড়ে ৯টায় চকরিয়াস্থ আইসিডিডিআর,বি’র হল রুমে অনুষ্ঠিত এ ওয়ার্কশপে চকরিয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। চকরিয়া পিএফজির কো-অর্ডিনেটর আলমগীর কবির রাজুর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

এরপর দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর মুহাম্মদ আব্দুর রব খান কার্যসূচী অনুযায়ী ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।

এসময় চকরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাতুজ্জামান নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য উপজেলার ন্যায় চকরিয়াতেও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা আশা করব যে, নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলবেন। প্রার্থী এবং তার কর্মীরা একে অন্যের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকবেন।পাশাপাশি যে কোন অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকার জন্য সকলের প্রতি বিশেষ অনুরোধ রইল।

চকরিয়া থানার সাব ইন্সপেক্টর মানিক মিয়া বলেন, চকরিয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চকরিয়াতে বসবাসরত সকল শ্রেণির মানুষ যদি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য পুলিশকে সহায়তা করে তাহলে নির্বাচনের সময় এখানে কোন সংঘাত ও সহিংসতা হবেনা। তাই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমি পিএফজিসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যম কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহেদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. ফেরদৌস আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শওকত হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মাস্টার বদিউল আলম, কল্যাণ পার্টির জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম রিফাতুল ইসলাম চৌধুরী, চকরিয়া কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পদ্মলোচন বড়ুয়া, সিটি কলেজের অধ্যক্ষ সালাহ উদ্দিন খালেদ, সনাক সভাপতি বুলবুল জান্নাত, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রতন বরণ দাশ, প্রফেসর শওকত, পিস এ্যাম্বাসেডর শাহ মোহাম্মদ জাহেদ, মিজবাউল হক, শাহানা বেগম, আবুল মনসুর মহসিন, সাইদুল হক চৌধুরী, মাও রুহুল কুদ্দুস আনোয়ারী, ফোরকানুল ইসলাম টিটু, ফোরকানুল ইসলাম, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সিনিয়র রিজিয়নাল ম্যানেজার সদরুল আমিন।

পরিশেষে চকরিয়া পিএফজির প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট লুৎফুল কবিরের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মশালার সমাপ্তি ঘটে।