মিজবাউল হক, চকরিয়া : দূর্গোৎসবে সরকারি বরাদ্দের চাল আতপ না দিয়ে সিদ্ধ দেওয়ার চেষ্ঠা ও পূজা কমিটির নেতাদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করায় চকরিয়া খাদ্য গুদামের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। কক্সবাজার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সৈয়দ আতিকুল হকের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত দল আজ সোমবার (৩০ অক্টোবর) চকরিয়ায় এসে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন।

তদন্ত কমিটি পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্য গুদামের ওসি নাছির উদ্দিন আহমদের কাছ থেকে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য নিয়েছেন। এসময় তদন্ত কমিটির অপর দু’সদস্য জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক (কারিগরি) রোকসানা আক্তার ও খাদ্য পরিদর্শক সুলতানা রাজিয়া উপস্থিত ছিলেন।

তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তপন মল্লিক।

চাল নিয়ে “চালবাজি” খেলছে চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

আরো পড়ুনঃ https://thecrimebd.net/news/54756/

তিনি বলেন, দূর্গোৎসবের চকরিয়া উপজেলার ৯২টি মন্ডপের জন্য সরকার থেকে সাড়ে ৪৩ মেট্টিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ১৮ অক্টোবর বরাদ্দের চালের বিপরিতে ডিও লেটার ছাড় দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, পূজা কমিটির নেতারা চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামে বরাদ্দের চাল উত্তোলন করতে গেলে ওসি নাছির উদ্দিন তাদেরকে আতপ চাল না দিয়ে সিদ্ধ চাল নিতে বলেন। তারা সিদ্ধ চাল না নিয়ে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ানের নির্দেশে বদরখালী খাদ্য গুদাম থেকে আতপ চাল অবমুক্ত করা হয়।

চকরিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ বলেন, চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামের ওসি নাছির উদ্দিন আতপ চালের বিপরিতে সিদ্ধ চাল দেওয়া হবে এমন বাহনা তুলে কৌশলে আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। আমরা এই ধরনের অনিয়মে ছাড়া দিইনি। আতপ চাল না দিয়ে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধ চাল দেবে এই সিদ্ধান্তে অটল থাকেন খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা। পরে চিরিঙ্গা খাদ্য গুদাম থেকে চাল উত্তোলন করিনি।

তিনি আজ সোমবার ৩০ অক্টোবর তদন্ত কমিটির কাছে ঘটনার বিষয়ে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন ।

তিনি আরও বলেন, সরকার প্রতি বছর দূর্গোৎসবের জন্য চাল বরাদ্দ দিয়ে আসছেন। এ চাল উত্তোলন করতে কোন হয়রানি পোহাতে হয়নি, এমনকি চাল উত্তোলনে সব ধরনের সহযোগিতাও পেয়েছি। অথচ এ বছর খাদ্য গুদামের ওসি নাছির উদ্দিনকে গোপনে উপঢো কন দিইনি বলে তিনি আতপ চাল না দিয়ে সিদ্ধ চাল দিতে চেষ্টা করেছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান বলেন, চালের ডিও লেটার দেওয়ার পর আমি নিজেও ওসি নাছির উদ্দিনকে পূজার চাল গুলো ছেড়ে দিতে বলি, কিন্তু তিনি আমাকে দিয়ে দিচ্ছেন বললেও পরে আর দেয়নি। পরবর্তী সময়ে পূজার জন্য বরাদ্দের চাল গুলো বদরখালী খাদ্য গুদাম থেকে অবমুক্ত করে দিই।

তদন্ত কমিটির প্রধান কক্সবাজার সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালাহউদ্দিন বলেন, চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামের ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। শেষ করতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি, খাদ্য গুদামের ওসির বক্তব্য নিয়েছি। তবে ওই সময় দপ্তরে না থাকায় চকরিয়ার ইউএনও এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মিজবাউল হক, চকরিয়া : দূর্গোৎসবে সরকারি বরাদ্দের চাল আতপ না দিয়ে সিদ্ধ দেওয়ার চেষ্ঠা ও পূজা কমিটির নেতাদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করায় চকরিয়া খাদ্য গুদামের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। কক্সবাজার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সৈয়দ আতিকুল হকের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত দল আজ সোমবার (৩০ অক্টোবর) চকরিয়ায় এসে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন।

তদন্ত কমিটি পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্য গুদামের ওসি নাছির উদ্দিন আহমদের কাছ থেকে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্য নিয়েছেন। এসময় তদন্ত কমিটির অপর দু’সদস্য জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক (কারিগরি) রোকসানা আক্তার ও খাদ্য পরিদর্শক সুলতানা রাজিয়া উপস্থিত ছিলেন।

তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তপন মল্লিক।

চাল নিয়ে “চালবাজি” খেলছে চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

আরো পড়ুনঃ https://thecrimebd.net/news/54756/

তিনি বলেন, দূর্গোৎসবের চকরিয়া উপজেলার ৯২টি মন্ডপের জন্য সরকার থেকে সাড়ে ৪৩ মেট্টিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ১৮ অক্টোবর বরাদ্দের চালের বিপরিতে ডিও লেটার ছাড় দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, পূজা কমিটির নেতারা চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামে বরাদ্দের চাল উত্তোলন করতে গেলে ওসি নাছির উদ্দিন তাদেরকে আতপ চাল না দিয়ে সিদ্ধ চাল নিতে বলেন। তারা সিদ্ধ চাল না নিয়ে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ানের নির্দেশে বদরখালী খাদ্য গুদাম থেকে আতপ চাল অবমুক্ত করা হয়।

চকরিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কান্তি দাশ বলেন, চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামের ওসি নাছির উদ্দিন আতপ চালের বিপরিতে সিদ্ধ চাল দেওয়া হবে এমন বাহনা তুলে কৌশলে আমাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। আমরা এই ধরনের অনিয়মে ছাড়া দিইনি। আতপ চাল না দিয়ে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধ চাল দেবে এই সিদ্ধান্তে অটল থাকেন খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা। পরে চিরিঙ্গা খাদ্য গুদাম থেকে চাল উত্তোলন করিনি।

তিনি আজ সোমবার ৩০ অক্টোবর তদন্ত কমিটির কাছে ঘটনার বিষয়ে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন ।

তিনি আরও বলেন, সরকার প্রতি বছর দূর্গোৎসবের জন্য চাল বরাদ্দ দিয়ে আসছেন। এ চাল উত্তোলন করতে কোন হয়রানি পোহাতে হয়নি, এমনকি চাল উত্তোলনে সব ধরনের সহযোগিতাও পেয়েছি। অথচ এ বছর খাদ্য গুদামের ওসি নাছির উদ্দিনকে গোপনে উপঢো কন দিইনি বলে তিনি আতপ চাল না দিয়ে সিদ্ধ চাল দিতে চেষ্টা করেছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান বলেন, চালের ডিও লেটার দেওয়ার পর আমি নিজেও ওসি নাছির উদ্দিনকে পূজার চাল গুলো ছেড়ে দিতে বলি, কিন্তু তিনি আমাকে দিয়ে দিচ্ছেন বললেও পরে আর দেয়নি। পরবর্তী সময়ে পূজার জন্য বরাদ্দের চাল গুলো বদরখালী খাদ্য গুদাম থেকে অবমুক্ত করে দিই।

তদন্ত কমিটির প্রধান কক্সবাজার সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালাহউদ্দিন বলেন, চিরিঙ্গা খাদ্য গুদামের ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। শেষ করতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি, খাদ্য গুদামের ওসির বক্তব্য নিয়েছি। তবে ওই সময় দপ্তরে না থাকায় চকরিয়ার ইউএনও এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।