মো. আয়ুব মিয়াজী, চন্দনাইশ: ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে (শুক্রবার) শুরু হয়েছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আগামী ২৪ অক্টোবর মঙ্গলবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে ৫ দিনব্যাপি এ উৎসবের।

চন্দনাইশের ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নে ১’শ ২৮টি পূজা মন্ডপে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দূর্গা উৎসব শুরু হয়েছে। সনাতনী ধর্মাবল্মীদের মতে দুঃখের দ্বারা যাকে লাভ করা যায় তিনিই দুর্গা। দেবী দুঃখ দিয়ে মানুষের সহ্যক্ষমতা পরীক্ষা করেন। তখন মানুষ অস্থির না হয়ে তাঁকে ডাকলেই তিনি তার কষ্ট দূর করেন।

পঞ্জিকা মতে জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার ঘোটকে (ঘোড়ায়) চড়ে কৈলাশ থেকে মর্ত্যালোকে (পৃথিবীতে) এসেছেন। অন্যদিকে কৈলাশে (স্বর্গে) বিদায়ও নেবেন ঘোড়ায় চড়ে। সারা চন্দনাইশে এখন বইছে উৎসবের আমেজ। ঢাক-ঢোল কাঁসা এবং শঙ্খের আওয়াজে মুখরিত হয়ে উঠেছে বিভিন্ন মন্ডপ।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উৎসবের প্রথম দিন ষষ্ঠী পূজা সম্পন্ন হয়েছে। সকাল থেকে প্রতিটি মন্ডপে চন্ডিপাঠে মুখরিত ছিল। ২১ অক্টোবর উৎসবের দ্বিতীয় দিন মহাসপ্তমীর পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

মো. আয়ুব মিয়াজী, চন্দনাইশ: ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে (শুক্রবার) শুরু হয়েছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আগামী ২৪ অক্টোবর মঙ্গলবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে ৫ দিনব্যাপি এ উৎসবের।

চন্দনাইশের ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নে ১’শ ২৮টি পূজা মন্ডপে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দূর্গা উৎসব শুরু হয়েছে। সনাতনী ধর্মাবল্মীদের মতে দুঃখের দ্বারা যাকে লাভ করা যায় তিনিই দুর্গা। দেবী দুঃখ দিয়ে মানুষের সহ্যক্ষমতা পরীক্ষা করেন। তখন মানুষ অস্থির না হয়ে তাঁকে ডাকলেই তিনি তার কষ্ট দূর করেন।

পঞ্জিকা মতে জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার ঘোটকে (ঘোড়ায়) চড়ে কৈলাশ থেকে মর্ত্যালোকে (পৃথিবীতে) এসেছেন। অন্যদিকে কৈলাশে (স্বর্গে) বিদায়ও নেবেন ঘোড়ায় চড়ে। সারা চন্দনাইশে এখন বইছে উৎসবের আমেজ। ঢাক-ঢোল কাঁসা এবং শঙ্খের আওয়াজে মুখরিত হয়ে উঠেছে বিভিন্ন মন্ডপ।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উৎসবের প্রথম দিন ষষ্ঠী পূজা সম্পন্ন হয়েছে। সকাল থেকে প্রতিটি মন্ডপে চন্ডিপাঠে মুখরিত ছিল। ২১ অক্টোবর উৎসবের দ্বিতীয় দিন মহাসপ্তমীর পূজা অনুষ্ঠিত হবে।