নুরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের সংস্কার সাধনের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চুনতিতে সীরতুন্নবী (স.) নামে এক মাহফিলের গোড়াপত্তন করেন আলহাজ্ব হযরত শাহ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ. আ.)। ১৯৭২ ইংরেজী (১৩৯২ হিজরী সনের ১২ রবিউল আউয়াল) এ মাহফিলের শুভ সূচনা করা হয়।

চুনতির হযরত শাহ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ. আ.) এ মাহফিল শুরু করলেও দেশে-বিদেশে এর ব্যাপক প্রচার রয়েছে। ১৯৭২ সাল থেকে প্রতিবছর যথাসময়ে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। হযরত শাহ শাহেব কেবলা (রহ. আ.) এর সবচেয়ে বড় কেরামত হলো ১৯ দিনব্যাপী মাহফিলে সীরতুন্নবী (স.) চলমান রয়েছে। এ মাহফিল আজ সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করে চলেছে।

এ সীরত মাহফিলের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব শাহ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ. আ.) দক্ষিণ চট্টগ্রামের চুনতি গ্রামে ১৯০৭ ইংরেজি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পিতামহ আলহাজ্ব মুফতি মাওলানা কাজী ইউসুফ (রা.) এর পারিবারিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, প্রসিদ্ধ দারুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসা এবং উপমহাদেশের বিখ্যাত কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি প্রায়ই বলতেন আল্লাহ পাকের নিকট তাঁর দুটি আরজ ছিলো। তারমধ্যে একটি ছিলো জ্ঞান, অপরটি প্রকাশ করতেন না। তিনি ইলম, আমল, ইমান ও এবাদতের জন্য সবসময় আল্লাহ পাকের নিকট শুকরিয়া আদায় করতেন।

প্রথম বছর এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ১দিন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে ৩দিন, ১৯৭৪ সালে ৫দিন, ১৯৭৬ সালে ১০ দিন, ১৯৭৭ সালে ১২ দিন, ১৯৭৮ সালে ১২ দিন ও ১৯৭৯ সালে ১৫ দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (স.) মাহফিলের শেষ পর্যায়ে ২দিন করে ৪দিন বাড়ান। তখন থেকে ১৯ দিনব্যাপী এ সীরতুন্নবী (স.) মাহফিল চলমান।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯ দিনব্যাপী এ মাহফিলে ১৫ লক্ষাধিক মানুষ খাবার গ্রহণ করেন। এ মাহফিলে একটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এখানে সকল স্থরের আলম, ওলামা ও অনুসারীরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। এ মাহফিলে অংশগ্রহনকারীদের জন্য ব্যবস্থা হয় দু’বেলা খাবারের। সীরতপ্রেমী ও শাহ সাহেব কেবলার ভক্তদের দেয়া অর্থে এ মাহফিলের যাবতীয় ব্যয় সম্পন্ন করা হয়। প্রত্যেক বছর ১১ রবিউল আউয়াল শুরু হয়ে ৩০ রবিউল আউয়াল পর্যন্ত ১৯দিনব্যাপী এ সীরত মাহফিল সকল মতবাদের অনুসারীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এই ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর এবারের সীরতুন্নবী (স.) মাহফিল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হবে।

আলহাজ্ব হযরত শাহ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ. আ.) তাঁর প্রবর্তিত সীরতুন্নবী (স.) মাহফিলের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার জন্য গড়ে গেছেন ১৩ একর আয়তন বিশিষ্ট এক বিশাল সীরত ময়দান। এ ময়দানের পশ্চিম পাশে নির্মাণ করা হয়েছে সুরম্য জামে মসজিদ ‘মসজিদে বায়তুল্লাহ্’। হযরত শাহ সাহেব কেবলা ১৯৮৩ সালের ২৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি………রাজিউন)। মসজিদে বায়তুল্লাহ্র দক্ষিণ পাশে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।

নুরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সমাজের সংস্কার সাধনের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চুনতিতে সীরতুন্নবী (স.) নামে এক মাহফিলের গোড়াপত্তন করেন আলহাজ্ব হযরত শাহ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ. আ.)। ১৯৭২ ইংরেজী (১৩৯২ হিজরী সনের ১২ রবিউল আউয়াল) এ মাহফিলের শুভ সূচনা করা হয়।

চুনতির হযরত শাহ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ. আ.) এ মাহফিল শুরু করলেও দেশে-বিদেশে এর ব্যাপক প্রচার রয়েছে। ১৯৭২ সাল থেকে প্রতিবছর যথাসময়ে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। হযরত শাহ শাহেব কেবলা (রহ. আ.) এর সবচেয়ে বড় কেরামত হলো ১৯ দিনব্যাপী মাহফিলে সীরতুন্নবী (স.) চলমান রয়েছে। এ মাহফিল আজ সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করে চলেছে।

এ সীরত মাহফিলের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব শাহ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ. আ.) দক্ষিণ চট্টগ্রামের চুনতি গ্রামে ১৯০৭ ইংরেজি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পিতামহ আলহাজ্ব মুফতি মাওলানা কাজী ইউসুফ (রা.) এর পারিবারিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, প্রসিদ্ধ দারুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসা এবং উপমহাদেশের বিখ্যাত কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি প্রায়ই বলতেন আল্লাহ পাকের নিকট তাঁর দুটি আরজ ছিলো। তারমধ্যে একটি ছিলো জ্ঞান, অপরটি প্রকাশ করতেন না। তিনি ইলম, আমল, ইমান ও এবাদতের জন্য সবসময় আল্লাহ পাকের নিকট শুকরিয়া আদায় করতেন।

প্রথম বছর এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ১দিন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে ৩দিন, ১৯৭৪ সালে ৫দিন, ১৯৭৬ সালে ১০ দিন, ১৯৭৭ সালে ১২ দিন, ১৯৭৮ সালে ১২ দিন ও ১৯৭৯ সালে ১৫ দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (স.) মাহফিলের শেষ পর্যায়ে ২দিন করে ৪দিন বাড়ান। তখন থেকে ১৯ দিনব্যাপী এ সীরতুন্নবী (স.) মাহফিল চলমান।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯ দিনব্যাপী এ মাহফিলে ১৫ লক্ষাধিক মানুষ খাবার গ্রহণ করেন। এ মাহফিলে একটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এখানে সকল স্থরের আলম, ওলামা ও অনুসারীরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। এ মাহফিলে অংশগ্রহনকারীদের জন্য ব্যবস্থা হয় দু’বেলা খাবারের। সীরতপ্রেমী ও শাহ সাহেব কেবলার ভক্তদের দেয়া অর্থে এ মাহফিলের যাবতীয় ব্যয় সম্পন্ন করা হয়। প্রত্যেক বছর ১১ রবিউল আউয়াল শুরু হয়ে ৩০ রবিউল আউয়াল পর্যন্ত ১৯দিনব্যাপী এ সীরত মাহফিল সকল মতবাদের অনুসারীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এই ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর এবারের সীরতুন্নবী (স.) মাহফিল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হবে।

আলহাজ্ব হযরত শাহ মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ. আ.) তাঁর প্রবর্তিত সীরতুন্নবী (স.) মাহফিলের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার জন্য গড়ে গেছেন ১৩ একর আয়তন বিশিষ্ট এক বিশাল সীরত ময়দান। এ ময়দানের পশ্চিম পাশে নির্মাণ করা হয়েছে সুরম্য জামে মসজিদ ‘মসজিদে বায়তুল্লাহ্’। হযরত শাহ সাহেব কেবলা ১৯৮৩ সালের ২৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি………রাজিউন)। মসজিদে বায়তুল্লাহ্র দক্ষিণ পাশে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।