প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কমিশনার ও চট্টগ্রাম সিটি কলেজের সাবেক ভিপি (নৈশ) আলহাজ্ব ওয়ালী উল্লাহ বেনু (৭২) গত বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টম্বর) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ইন্তেকাল ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন) করেছেন। বাদ আছর চট্টগ্রাম সিটি কলেজ ক্যাম্পাসে তাঁর জানাজার নামাজ শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর গার্ড অব অনার সম্পন্ন হয়। অতঃপর তাঁকে চৈতন্য গল্লি বাইশ মহল্লা কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তিনি তাঁর বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও দুই কন্যা, নাতি নাতনিসহ অসংখ্য আত্বীয় স্বজন গুণগ্রাহী রেখে যান। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন। তাঁর জানাজায় সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, প্রবীণ রাজনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগ আহ্বায়ক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক সংগঠক আব্দুল হালিম দোভাষ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতাউল্লা চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক দেওয়ান মাকসুদ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মরহুমের ভাই সেলিম উল্লাহ বাচ্চু ও পুত্র আলী উল্লাহ হিরু।
এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক অব্যাহত রয়েছে। এক বিবৃতিতে সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।তিনি শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এদিকে, চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব শেখ মুজিব আহমদ এক বিবৃতিতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য , ষাটের দশকের অন্যতম এই ছাত্র নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা চট্টগ্রাম শহরের নানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
সাবেক ছাত্রনেতা ও যুবনেতা শহীদ মৌলভী সৈয়দ, সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম জননেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ মুক্তিযুদ্ধকালীন ছাত্রনেতার সমকালীন এই নেতা চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালটির কমিশনার হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।




