নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরীর আমবাগান শহীদ শেখ রাসেল পার্কে প্রথম আয়োজিত ‘২য় বাংলাদেশ সিএমএসএমই ট্রেড ফেয়ার’ এখনো জমে উঠেনি। মেলায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, নতুন স্থানে মেলার আয়োজন, আবারো করোনার ঊর্ধ্বগতি ও প্রচারণার অভাবে জমে উঠছে না চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত মাসব্যাপী এ মেলা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভিড় নেই কোনো দোকানে। এরমধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ স্টল চালু হয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ দোকানি এখনো অলস সময় কাটাচ্ছেন। সন্ধ্যা পাঁচটা পর্যন্ত কোন কোন দোকানি এক টাকাও বিক্রি করতে পারেননি বলে জানা যায়। আবার কিছু কিছু স্টল এখনো তৈরির কাজ চলছে। মেলায় প্রায় সব রকমের পণ্যের সমাহার রয়েছে। কিন্তু মেলা নিয়ে সংশয়ে আছে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা। মেলায় অংশগ্রহণকারী স্টল মালিকরা জানান, মেলা শুরু হয়েছে পাঁচদিন। পাঁচদিনে কোনো কোনো ব্যবসায়ী নিজেদের খাবারের টাকাও তুলতে পারেননি। নতুন জায়গা হওয়ায় অনেকে জানেন না এখানে মেলা হচ্ছে। দর্শনাথীদের জানাতে প্রচারণা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। যেহেতু মাসব্যাপী মেলা তাই এখনো ব্যবসার আশা রাখা যায়। এরজন্য বিজ্ঞাপন বাড়ানো প্রয়োজন।
এদিকে, আবার নারী উদ্যোক্তাগণও পড়েছেন বিপাকে। অনেকে স্টল নিয়েছেন কিন্তু এখনি দোকান সাজিয়ে বসবেন কি না তাই নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় আছেন। আয়শা খাতুন নামের এক নারী উদ্যোক্তা বলেন, আমি এখনো দোকান তৈরির কাজ শেষ করতে পারিনি। পারিনি বললে ভুল হবে, আমি নিজেও আগ্রহী হয়ে করছি না। কারণ আবার দেশের যে অবস্থা শুরু হয়েছে সরকার কখন কি সিদ্ধান্ত দেয় তার দিকে চেয়ে আছি। এছাড়া পরিবারও এখন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। সব মিলিয়ে আমি সত্যিই চিন্তায় আছি। যেহেতু দোকান নিয়েছি দোকানের কাজ চালাচ্ছি। পরিস্থিতি বুঝে দোকান চালু করবো। মাসব্যাপী এ মেলা ছোট-বড় মিলে প্রায় ১৫০টি স্টল ও পাঁচটা রাইড নিয়ে সাজানো হয়েছে। মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নারী-পুরুষ উদ্যোক্তাগণ।
পটুয়াখালী থেকে আসা চাঁদপুর মৃৎশিল্প স্টলের মালিক গৌতম পাল বলেন, এর আগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন মেলায় আমি অংশগ্রহণ করেছি। ব্যবসা ভালোই হতো। কিন্তু করোনার কারণে দুই বছর ধরে মেলা বন্ধ ছিল। আবার শুরু হয়েছে আশা নিয়ে অংশগ্রহণ করলাম। কিন্তু এখানে নতুন জায়গা হওয়ায় ব্যবসা হচ্ছে না। এখন একটু ভয়ের মধ্যে আছি।
মেলার আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ২য় বারের মত এ মেলার আয়োজন করেছেন। আবার এই পার্কে স্বাধীনতার পর এটিই প্রথম মেলা। চট্টগ্রামে মেলার জায়গা নেই বললেই চলে সেখানে এটি উদ্যোক্তাদের জন্য ভালো একটি জায়গা বলে আমরা মনে করছি। এছাড়া মেলা শুরু হয়েছে মাত্র পাঁচদিন। সময় বাড়লে দর্শনার্থীও বাড়বে। যেকোন নতুন জায়গায় প্রথম দিকে এমন দর্শনার্থীই হয়। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছি এবং মেলা শেষ পর্যন্ত চালিয়ে নিতে চাই। এখন যদি মেলা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে মেলার সাথে যুক্ত প্রায় ৬শ’ পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে যাবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরীর আমবাগান শহীদ শেখ রাসেল পার্কে প্রথম আয়োজিত ‘২য় বাংলাদেশ সিএমএসএমই ট্রেড ফেয়ার’ এখনো জমে উঠেনি। মেলায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, নতুন স্থানে মেলার আয়োজন, আবারো করোনার ঊর্ধ্বগতি ও প্রচারণার অভাবে জমে উঠছে না চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত মাসব্যাপী এ মেলা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভিড় নেই কোনো দোকানে। এরমধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ স্টল চালু হয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ দোকানি এখনো অলস সময় কাটাচ্ছেন। সন্ধ্যা পাঁচটা পর্যন্ত কোন কোন দোকানি এক টাকাও বিক্রি করতে পারেননি বলে জানা যায়। আবার কিছু কিছু স্টল এখনো তৈরির কাজ চলছে। মেলায় প্রায় সব রকমের পণ্যের সমাহার রয়েছে। কিন্তু মেলা নিয়ে সংশয়ে আছে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা। মেলায় অংশগ্রহণকারী স্টল মালিকরা জানান, মেলা শুরু হয়েছে পাঁচদিন। পাঁচদিনে কোনো কোনো ব্যবসায়ী নিজেদের খাবারের টাকাও তুলতে পারেননি। নতুন জায়গা হওয়ায় অনেকে জানেন না এখানে মেলা হচ্ছে। দর্শনাথীদের জানাতে প্রচারণা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। যেহেতু মাসব্যাপী মেলা তাই এখনো ব্যবসার আশা রাখা যায়। এরজন্য বিজ্ঞাপন বাড়ানো প্রয়োজন।
এদিকে, আবার নারী উদ্যোক্তাগণও পড়েছেন বিপাকে। অনেকে স্টল নিয়েছেন কিন্তু এখনি দোকান সাজিয়ে বসবেন কি না তাই নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় আছেন। আয়শা খাতুন নামের এক নারী উদ্যোক্তা বলেন, আমি এখনো দোকান তৈরির কাজ শেষ করতে পারিনি। পারিনি বললে ভুল হবে, আমি নিজেও আগ্রহী হয়ে করছি না। কারণ আবার দেশের যে অবস্থা শুরু হয়েছে সরকার কখন কি সিদ্ধান্ত দেয় তার দিকে চেয়ে আছি। এছাড়া পরিবারও এখন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। সব মিলিয়ে আমি সত্যিই চিন্তায় আছি। যেহেতু দোকান নিয়েছি দোকানের কাজ চালাচ্ছি। পরিস্থিতি বুঝে দোকান চালু করবো। মাসব্যাপী এ মেলা ছোট-বড় মিলে প্রায় ১৫০টি স্টল ও পাঁচটা রাইড নিয়ে সাজানো হয়েছে। মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নারী-পুরুষ উদ্যোক্তাগণ।
পটুয়াখালী থেকে আসা চাঁদপুর মৃৎশিল্প স্টলের মালিক গৌতম পাল বলেন, এর আগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন মেলায় আমি অংশগ্রহণ করেছি। ব্যবসা ভালোই হতো। কিন্তু করোনার কারণে দুই বছর ধরে মেলা বন্ধ ছিল। আবার শুরু হয়েছে আশা নিয়ে অংশগ্রহণ করলাম। কিন্তু এখানে নতুন জায়গা হওয়ায় ব্যবসা হচ্ছে না। এখন একটু ভয়ের মধ্যে আছি।
মেলার আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ২য় বারের মত এ মেলার আয়োজন করেছেন। আবার এই পার্কে স্বাধীনতার পর এটিই প্রথম মেলা। চট্টগ্রামে মেলার জায়গা নেই বললেই চলে সেখানে এটি উদ্যোক্তাদের জন্য ভালো একটি জায়গা বলে আমরা মনে করছি। এছাড়া মেলা শুরু হয়েছে মাত্র পাঁচদিন। সময় বাড়লে দর্শনার্থীও বাড়বে। যেকোন নতুন জায়গায় প্রথম দিকে এমন দর্শনার্থীই হয়। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছি এবং মেলা শেষ পর্যন্ত চালিয়ে নিতে চাই। এখন যদি মেলা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে মেলার সাথে যুক্ত প্রায় ৬শ’ পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে যাবে।



