ঢাকা ব্যুরো: বিএনপির গণমিছিল থেকে পুলিশ ও মানুষের ওপর হামলা হলে আওয়ামী লীগ ছেড়ে দেবে না। আজ শুক্রবার (১১ আগস্ট)সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকে বিএনপি আয়োজিত গণমিছিল থেকে যদি মানুষের ওপর হামলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর হামলা হয়, সম্পত্তি নষ্ট করা হয় তাহলে আমরা ছেড়ে দেবো না। আমরা জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।
সম্প্রতি সরকারের ভারত সফরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতের বিজেপি ও সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তারা দেশের বর্তমান অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, ভবিষ্যতে যেন এ অগ্রযাত্রা ও এ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যেন বজায় থাকে।
বিএনপি গত কয়েক বছর ধরে বিদেশিদের কাছে ধর্ণা দিয়েছে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশিদের কাছে অনেক অনুনয়-বিনিময় করেছে। কিন্তু বিদেশিরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারে প্রতি কোন সমর্থন জানাননি। আবশেষে দেখা গেল, তারা যেভাবে চেয়েছে সেভাবে কিছুই হচ্ছে না। তারা অন্য সুরে কথা বলা শুরু করছে- ভারত কী বললো, যুক্তরাষ্ট্র কী বললো তাতে কিছু আসে যায়না। এখন তারা বুঝতে পারছে বিদেশিদের পিছনে ছুটে কোন লাভ নেই।
তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এই দেশ বাংলাদেশ। যদি যেতে হয় দেশের জনগণের কাছে যেতে হবে। রাত-বিরাতে মহিলা নেত্রীদের সাজ-গোজ করিয়ে নিয়ে বিদেশের কাছে ধর্ণা দেয়া বন্ধের অনুরোধ জানান তিনি। এতে কোন লাভ হয় না বলেও মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আসারারুল হাসান আসুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমানের সঞ্চালণায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য এড. বলরাম পোদ্দার, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান টিটু প্রমুখ।




