রাউজান প্রতিনিধি: রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিজ উদ্দিন র্যাবের হাতে আটক । ৫ টি হত্যাসহ মোট ১৪ মামলার আসামী রাউজানের আজীজ বাহিনীর প্রধান শীর্ষ সন্ত্রাসী আজীজ উদ্দিন প্রকাশ আজিজ্যা প্রকাশ ইমু র্যাবের হাতে আটক।
গত ১১ জানুয়ারী মঙ্গলবার বিকাল ৫টার সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ থানা এলাকার এ কে খান নামক স্থান থেকে র্যাব শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিজউদ্দিন প্রকাশ ইমু (৪৪) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ।
শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিজউদ্দিন প্রকাশ ইমুর বিরুদ্বে শহীদ হত্যাসহ ৫টি হত্যা মামলা ও অনান্য অপরাধের মামলাসহ মোট ১৪টি মামলা রয়েছে । শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিজ উদ্দিন ইমু গত দেড় বৎসর ধরে নিজ এলাকার বাড়ী ঘর ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমায় । মধ্যপ্রাচ্য থেকে গোপনে দেশে ফিরে এসে চট্টগ্রাম নগরীতে আত্মগোপন করে।
শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিজ উদ্দিন প্রকাশ ইমু কে র্যাব আটক করার পর রিপোর্ট লেখা সময় পর্যন্ত তাকে রাউজান থানায় সোর্পদ করা হয়নি বলে জানান, রাউজান থানার ওসি আবদুল্ল্রাহ আল হারুন।
র্যাব-৭, চট্টগ্রামের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ( মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার বলেন, ২০১৫ সালে রাউজান-রাঙ্গামাটি সড়কের চারাবটতল এলাকায় যুবলীগের কর্মী শহিদুল আলমকে মুখোশ পরিধান করে অনেকটা সিনেমা স্টাইলে মাইক্রোবাস থেকে নেমে গুলি করে হত্যা করে কতিপয় দুস্কৃতকারী।
এ ঘটনার পর রাউজান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। হত্যাকাণ্ডের পর এক নম্বর আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী আজিজ উদ্দিনসহ হত্যার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিদেশে পালিয়ে যায়। বিদেশ থেকেই আজিজ তার বাহিনীকে পরিচালনা করত।
ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারি, আধুনিক ও তথ্য প্রযুুক্তি ব্যবহার অব্যাহত রাখে র্যাব। র্যাব জানতে পারে, ওই মামলার পলাতক এক নম্বর ও মাস্টার মাইন্ড আসামি আকবরশাহ থানাধীন এ কে খান এলাকায় অবস্থান করছে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ জানুয়ারি বিকাল ৫টার দিকে ওই এলাকায় অভিযানে আসামি আজিজ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি জিজ্ঞাসাবাদে সে উক্ত হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলে জানিয়েছেন র্যাব কর্মকর্তা। আইনানুগ কার্যক্রম কাজ শেষে তাকে পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হবে বলে র্যাব কর্মকর্তা জানান ।



