নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি নেতা ও চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

হারিছ চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে লন্ডনে মারা গেছেন। মৃত্যুর পর সেখানেই তাকে দাফন করা হয়।

বুধবার তার মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হারিছ চৌধুরীর আপন চাচাতো ভাই সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

গত মঙ্গলবার হারিছ চৌধুরীর ছবির সঙ্গে নিজের ছবি দিয়ে আশিক চৌধুরী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। আশিক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, মৃত্যুর ঘটনা শতভাগ সত্য, এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো কারণ নেই।

আশিক চৌধুরী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন ‘ভাই বড় ধন, রক্তের বাঁধন’। নিজের ছবির সঙ্গে হারিছ চৌধুরীর একটি ছবি যুক্ত করে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। এর পর স্ট্যাটাসের নিচে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শোক প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব ছিলেন হারিছ চৌধুরী। সেই সময়ের প্রভাবশালী নেতা বিএনপি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই দেশ ছেড়ে চলে যান। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

২০১৮ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে যাবজ্জীবন সাজা হয় হারিছ চৌধুরীর। এর পর থেকে তিনি পলাতক জীবন কাটান।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি নেতা ও চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

হারিছ চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে লন্ডনে মারা গেছেন। মৃত্যুর পর সেখানেই তাকে দাফন করা হয়।

বুধবার তার মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হারিছ চৌধুরীর আপন চাচাতো ভাই সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

গত মঙ্গলবার হারিছ চৌধুরীর ছবির সঙ্গে নিজের ছবি দিয়ে আশিক চৌধুরী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। আশিক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, মৃত্যুর ঘটনা শতভাগ সত্য, এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো কারণ নেই।

আশিক চৌধুরী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন ‘ভাই বড় ধন, রক্তের বাঁধন’। নিজের ছবির সঙ্গে হারিছ চৌধুরীর একটি ছবি যুক্ত করে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। এর পর স্ট্যাটাসের নিচে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শোক প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব ছিলেন হারিছ চৌধুরী। সেই সময়ের প্রভাবশালী নেতা বিএনপি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই দেশ ছেড়ে চলে যান। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

২০১৮ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে যাবজ্জীবন সাজা হয় হারিছ চৌধুরীর। এর পর থেকে তিনি পলাতক জীবন কাটান।