প্রেস বিজ্ঞপ্তি: অটোডাবল সিস্টেম জরিমানা বাতিল করে সহনীয় পর্যায়ে জরিমানা করা, ২০১৩ সালের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নগরীতে ৪ হাজার নতুন সিএনজি অটোরিকশা গাড়ীর রেজিষ্ট্রেশন প্রদান, গ্যারেজ গুলোতে দারোয়ানের নামে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, চট্টগ্রাম জেলাতে অপরিকল্পিত রেজিষ্ট্রেশন বন্ধ করা, চালকদের সহজ শর্তে ফিল্ড টেষ্টের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান করা, চালকদের নিয়োগ পত্র ও প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতা মূলক করা, জেলা-উপজেলা গুলোতে পার্কিং চার্জের নামে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ করার দাবীতে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়ন। আজ সোমবার (১০ জানুয়ারী) সকালে স্মারকলিপি প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সমাবেশ চট্টগ্রাম পুরাতন রেলওয়ে ষ্টেশন চত্তরে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদের সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন পূর্বাঞ্চলের সভপতি বাবু মৃনাল চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন আঞ্চলিক কমিটি সাধারণ সম্পাদক অলি আহমদ।

প্রধান বক্তা ছিলেন ইউনিয়নের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট ভুলন লাল ভৌমিক।

বক্তব্য রাখেন হালকা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহসভাপতি শামসুল ইসলাম আরজু, ইউনিয়েনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মোহাম্মদ বিপ্লব, যুগ্ম সম্পাদক মো: সোলায়মান, অর্থ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, মো: আলম, কামাল ভান্ডারী, মো: হাসান মোল্লা, মো: মনির, রুবেল প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মৃনাল চৌধুরী বলেন, নগরীর জনসংখ্যার তুলনায় সিএনজি অটোরিকশা খুবই কম। অন্যদিকে, অটোরিকশা শ্রমিকের সংখ্যা অনেক বেশী। নতুন ৪ হাজার গাড়ী রেজিষ্ট্রেশন দিলে একদিকে বেকারত্ব দূর হবে, অন্যদিকে যাত্রীসেবা নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, অটোডাবল সিস্টেম জরিমানার ফলে চালকরা আজ নি:স্ব। একটি মামলার জরিমানা দিতে গিয়ে শ্রমিকদের একমাসের ইনকাম চলে যায়। তাই অবিলম্বে পল্স মেশিনে মামলা বন্ধসহ ইউনিয়নের ৭দফা দাবী বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

প্রধান বক্তা ইউনিয়নের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট ভুলন লাল ভৌমিক বলেন, মানুষের জন্য আইন, আইনের জন্য মানুষ নয়। শ্রমজীবি মানুষের কল্যাণে শ্রমবান্ধব আইন প্রনয়ন করতে হবে।

তিনি বলেন অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের যৌক্তিক ৭দফা দাবী বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে আন্তরিক হতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি থাকলে দেশের শ্রমজীবি মানুষ গুলো সম্পদে পরিণত হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন আঞ্চলিক কমিটি সাধারণ সম্পাদক অলি আহমদ বলেন, পরিবহণ সেক্টরে যত্রতত্র মামলা দিয়ে চালকদের হয়রানী, দারোয়ানের নামে চাঁদাবাজী বন্ধ ও চালকদের নিয়োগপত্র প্রদানের মাধ্যমে তাদের ন্যায্যদাবী বাস্তবায়ন করা সময়ে দাবী। স্মারকলিপি প্রদানের পরও উপরোক্ত দাবী বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচীর মাধ্যমে দাবী আদায় করা হবে।

সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অভিমুখে বিশাল মিছিলসহ গিয়ে একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো: মমিনুর রহমানের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ৭দফা দাবী বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত নগরীর থানায় থানায় এবং জেলা-উপজেলায় নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: অটোডাবল সিস্টেম জরিমানা বাতিল করে সহনীয় পর্যায়ে জরিমানা করা, ২০১৩ সালের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নগরীতে ৪ হাজার নতুন সিএনজি অটোরিকশা গাড়ীর রেজিষ্ট্রেশন প্রদান, গ্যারেজ গুলোতে দারোয়ানের নামে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, চট্টগ্রাম জেলাতে অপরিকল্পিত রেজিষ্ট্রেশন বন্ধ করা, চালকদের সহজ শর্তে ফিল্ড টেষ্টের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান করা, চালকদের নিয়োগ পত্র ও প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতা মূলক করা, জেলা-উপজেলা গুলোতে পার্কিং চার্জের নামে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ করার দাবীতে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়ন। আজ সোমবার (১০ জানুয়ারী) সকালে স্মারকলিপি প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সমাবেশ চট্টগ্রাম পুরাতন রেলওয়ে ষ্টেশন চত্তরে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদের সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন পূর্বাঞ্চলের সভপতি বাবু মৃনাল চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন আঞ্চলিক কমিটি সাধারণ সম্পাদক অলি আহমদ।

প্রধান বক্তা ছিলেন ইউনিয়নের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট ভুলন লাল ভৌমিক।

বক্তব্য রাখেন হালকা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহসভাপতি শামসুল ইসলাম আরজু, ইউনিয়েনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মোহাম্মদ বিপ্লব, যুগ্ম সম্পাদক মো: সোলায়মান, অর্থ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, মো: আলম, কামাল ভান্ডারী, মো: হাসান মোল্লা, মো: মনির, রুবেল প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মৃনাল চৌধুরী বলেন, নগরীর জনসংখ্যার তুলনায় সিএনজি অটোরিকশা খুবই কম। অন্যদিকে, অটোরিকশা শ্রমিকের সংখ্যা অনেক বেশী। নতুন ৪ হাজার গাড়ী রেজিষ্ট্রেশন দিলে একদিকে বেকারত্ব দূর হবে, অন্যদিকে যাত্রীসেবা নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, অটোডাবল সিস্টেম জরিমানার ফলে চালকরা আজ নি:স্ব। একটি মামলার জরিমানা দিতে গিয়ে শ্রমিকদের একমাসের ইনকাম চলে যায়। তাই অবিলম্বে পল্স মেশিনে মামলা বন্ধসহ ইউনিয়নের ৭দফা দাবী বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

প্রধান বক্তা ইউনিয়নের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট ভুলন লাল ভৌমিক বলেন, মানুষের জন্য আইন, আইনের জন্য মানুষ নয়। শ্রমজীবি মানুষের কল্যাণে শ্রমবান্ধব আইন প্রনয়ন করতে হবে।

তিনি বলেন অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের যৌক্তিক ৭দফা দাবী বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে আন্তরিক হতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি থাকলে দেশের শ্রমজীবি মানুষ গুলো সম্পদে পরিণত হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন আঞ্চলিক কমিটি সাধারণ সম্পাদক অলি আহমদ বলেন, পরিবহণ সেক্টরে যত্রতত্র মামলা দিয়ে চালকদের হয়রানী, দারোয়ানের নামে চাঁদাবাজী বন্ধ ও চালকদের নিয়োগপত্র প্রদানের মাধ্যমে তাদের ন্যায্যদাবী বাস্তবায়ন করা সময়ে দাবী। স্মারকলিপি প্রদানের পরও উপরোক্ত দাবী বাস্তবায়ন না হলে কঠোর কর্মসূচীর মাধ্যমে দাবী আদায় করা হবে।

সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অভিমুখে বিশাল মিছিলসহ গিয়ে একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো: মমিনুর রহমানের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ৭দফা দাবী বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত নগরীর থানায় থানায় এবং জেলা-উপজেলায় নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে।