খুলনা প্রতিনিধি: “জাতি একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এমনিতেই দ্রব্যমুল্যের লাগামহীন উর্ধগতিতে জনগন দিশেহারা। তার উপর সরকার জনগণের দুর্দশার কথা না ভেবে দফায় দফায় গ্যাস ও বিদ্যুৎতের দাম বৃদ্ধি করেই যাচ্ছে। সরকারের এই আচরণ অমানবিক ও গনবিরোধী।” আজ শুক্রবার (০৩ মার্চ)সকাল ১১টায় খুলনা মহানগরীর ডাকবাংলা মোড়ে খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান কালে জাতীয় পার্টি মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এম পি একথা বলেন।

তিনি বলেন, “একদল জনগণের জন্য মায়া কান্না কেঁদে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকতে চায়। আরেক দল জনগণের দোহাই দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। কিন্তু তারা কেউই জনগনের কথা শুনতে চায় না। নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বললেও তারাই এই ব্যবস্থাকে বাতিল প্রমাণ করেছে। কিন্তু গনতন্ত্রের কথা বলে উভয় দল গত বত্রিশ বছর পালাক্রমে ক্ষমতায় থেকে একটা সর্বজন গৃহীত নির্বাচন পদ্ধতি প্রবর্তন করে নাই। গনতন্ত্রকে উভয় দল জনগণকে ধোকা দেওয়ার যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে। আমরা ক্ষমতায় গেলে নির্বাচন ব্যবস্থার পরিবর্তন করব।”

খুলনা মহানগরীর ডাকবাংলা মোড়ে সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় তিনি আরও বলেন, “গত দশ বছরে দেশ থেকে ছয় লক্ষ কোটি টাকা লুন্ঠনের মাধ্যমে পাচার হয়েছে। সরকারের মন্ত্রী এম পি আমলারা নামে-বেনামে এই অর্থ পাচার করে দেশকে দেউলিয়া হওয়ার পথে এগিয়ে নিচ্ছে। বিএনপি’ও ক্ষমতায় থাকলে দেশকে ঘুষ- দূর্নীতি-লুঠপাট-অরাজকতা-নৈরাজ্য-সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করে। গত বত্রিশ বছর ধরে এই দুই দলের পালাক্রমে ধারাবাহিক লুঠপাট ও অর্থ পাচারের কারনে দেশ ঋণের জালে আটকা পরে যাচ্ছে। জনগণ তাদের ভাঁওতাবাজি বুঝতে পেরেছে। তাই জনগন এই দুই দলকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। জনগন রাজনীতিতে বিকল্প শক্তি খুঁজছে। জাতীয় পার্টি হতে পারে জনগণের সেই বিকল্প ভরষা। আমাদের আছে গৌরবময় সোনালী অতীত। তাই দলকে সংগঠিত করুন।”

খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব সাহিদুর রহমান টেপা, সুনীল শুভ রায়, সৈয়দ দিদার বখ্ত, মোস্তফা আল মাহমুদ, মাননীয় চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম তালুকদার এম পি, নাজনীন সুলতানা।

জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মল্লিক হাদীউজ্জামানের পরিচালনায় এই সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম জহির, ভাইস চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম সরু চৌধুরী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন , যুগ্ম দফতর সম্পাদক সমরেশ মন্ডল মানিক, কেন্দ্রীয় সদস্য সাংবাদিক হাবিবুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, বাগেরহাটের জেলা সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাজরা শহীদুল ইসলাম বাবলু, খুলনা মহানগর সভাপতি এডভোকেট মহানন্দ সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ছাত্র সমাজের সিনিয়র সহ-সভাপতি মারুফ ইসলাম তালুকদার প্রিন্স প্রমুখ।

সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম মধু’কে সভাপতি ও মল্লিক হাদিউজ্জান’কে সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়িত্ব প্রদান করে পরবর্তী জাতীয় পার্টির খুলনা জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।

খুলনা প্রতিনিধি: “জাতি একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এমনিতেই দ্রব্যমুল্যের লাগামহীন উর্ধগতিতে জনগন দিশেহারা। তার উপর সরকার জনগণের দুর্দশার কথা না ভেবে দফায় দফায় গ্যাস ও বিদ্যুৎতের দাম বৃদ্ধি করেই যাচ্ছে। সরকারের এই আচরণ অমানবিক ও গনবিরোধী।” আজ শুক্রবার (০৩ মার্চ)সকাল ১১টায় খুলনা মহানগরীর ডাকবাংলা মোড়ে খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান কালে জাতীয় পার্টি মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এম পি একথা বলেন।

তিনি বলেন, “একদল জনগণের জন্য মায়া কান্না কেঁদে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকতে চায়। আরেক দল জনগণের দোহাই দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। কিন্তু তারা কেউই জনগনের কথা শুনতে চায় না। নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বললেও তারাই এই ব্যবস্থাকে বাতিল প্রমাণ করেছে। কিন্তু গনতন্ত্রের কথা বলে উভয় দল গত বত্রিশ বছর পালাক্রমে ক্ষমতায় থেকে একটা সর্বজন গৃহীত নির্বাচন পদ্ধতি প্রবর্তন করে নাই। গনতন্ত্রকে উভয় দল জনগণকে ধোকা দেওয়ার যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে। আমরা ক্ষমতায় গেলে নির্বাচন ব্যবস্থার পরিবর্তন করব।”

খুলনা মহানগরীর ডাকবাংলা মোড়ে সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় তিনি আরও বলেন, “গত দশ বছরে দেশ থেকে ছয় লক্ষ কোটি টাকা লুন্ঠনের মাধ্যমে পাচার হয়েছে। সরকারের মন্ত্রী এম পি আমলারা নামে-বেনামে এই অর্থ পাচার করে দেশকে দেউলিয়া হওয়ার পথে এগিয়ে নিচ্ছে। বিএনপি’ও ক্ষমতায় থাকলে দেশকে ঘুষ- দূর্নীতি-লুঠপাট-অরাজকতা-নৈরাজ্য-সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করে। গত বত্রিশ বছর ধরে এই দুই দলের পালাক্রমে ধারাবাহিক লুঠপাট ও অর্থ পাচারের কারনে দেশ ঋণের জালে আটকা পরে যাচ্ছে। জনগণ তাদের ভাঁওতাবাজি বুঝতে পেরেছে। তাই জনগন এই দুই দলকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। জনগন রাজনীতিতে বিকল্প শক্তি খুঁজছে। জাতীয় পার্টি হতে পারে জনগণের সেই বিকল্প ভরষা। আমাদের আছে গৌরবময় সোনালী অতীত। তাই দলকে সংগঠিত করুন।”

খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব সাহিদুর রহমান টেপা, সুনীল শুভ রায়, সৈয়দ দিদার বখ্ত, মোস্তফা আল মাহমুদ, মাননীয় চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম তালুকদার এম পি, নাজনীন সুলতানা।

জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মল্লিক হাদীউজ্জামানের পরিচালনায় এই সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম জহির, ভাইস চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম সরু চৌধুরী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন , যুগ্ম দফতর সম্পাদক সমরেশ মন্ডল মানিক, কেন্দ্রীয় সদস্য সাংবাদিক হাবিবুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, বাগেরহাটের জেলা সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাজরা শহীদুল ইসলাম বাবলু, খুলনা মহানগর সভাপতি এডভোকেট মহানন্দ সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ছাত্র সমাজের সিনিয়র সহ-সভাপতি মারুফ ইসলাম তালুকদার প্রিন্স প্রমুখ।

সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম মধু’কে সভাপতি ও মল্লিক হাদিউজ্জান’কে সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়িত্ব প্রদান করে পরবর্তী জাতীয় পার্টির খুলনা জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।