ঢাকা ব্যুরো: যারা দুই বড় দল বলবেন, তারা ভুল করবেন। কেউ কেউ আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির তুলনা করে। কেউ কেউ বলে দুই বড় দল! বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা চলে না। আজ শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি)দুপুরে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্যাপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গারহাট তালিমপুর-তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখানে একটা কথা বলতে চাই- ২০০৮’র নির্বাচনে বিএনপি পেয়েছিলো মাত্র ৩০টা সিট, ৩০০ সিটের মধ্যে। বিএনপি ২০ দলীয় জোট করেছিলো, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছিলো ২৭০টা আসন। ফলাফলের এমন পরিসংখ্যান তুলে ধরে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি কিভাবে এক হয় এমন প্রশ্ন রাখেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সমালোচনা এবং গঠনতন্ত্র না মানার সমালোচনা করে তিনি বলেন: বিএনপি সরকারের আমলে জঙ্গিবাদ, গ্রেনেড হামলা, ৫০০ জায়গায় একই সঙ্গে গ্রেনেড হামলা, ৬৩ জায়গায় বোমা হামলা, দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন ওরা মানুষকে কিছু দেয়নি। মানুষের অর্থ সব লুটপাট করে বিদেশে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটা রাজনৈতিক দল যারা তাদের গঠনতন্ত্র মানে না। বিএনপির গঠনতন্ত্রে আছে সাজাপ্রাপ্ত আসামী দলের নেতা হতে পারে না। বিএনপিতে কী এমন একজন নেতাও পায়, যারা সাজাপ্রাপ্ত না! খালেদা জিয়া তার ছেলে তারেক জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামী। তারেক জিয়া আবার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। নিজেরা নিজেদের গঠনতন্ত্র মানে না- আইনও মানে না।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের জন্মের ইতিহাস তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা চলে না। যারা ওই দুই বড় দল বলবেন তারা ভুল করবেন। আওয়ামী লীগ এ দেশের সাধারণ মানুষের সংগঠন। এদেশের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের মধ্যদিয়ে এ দলের জন্ম হয়েছে।

উৎপাদিত মূল্যের অর্ধেকে বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে বলে সমাবেশে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখন বিশ্ববাজারে তেল- গ্যাস সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে আপনারা সকলে সাশ্রয়ী হবেন, যত কম ব্যবহার করা যায়। বিদেশে এমনকি লন্ডনেও প্রায় দেড়শ’ ভাগ বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। আমরা যে টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করি তার অর্ধেক মূল্যে বিদ্যুৎ দিচ্ছি মানুষের মাঝে। আর সেচ কাজের জন্য আমরা ২০ পারসেন্ট ভর্তুকি দিয়ে দিচ্ছি। আমি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেবো, সব ঘর আলোকিত করবো বলেছিলাম। সেটা আল্লাহ্ রহমতে আমরা করতে পেরেছি।

আওয়ামী লীগ আসার আগে কারও হাতে মোবাইল ছিলো না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজ সকলের হাতে মোবাইল ফোন। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার আগে কারও হাতে মোবাইল ফোন ছিলো না। ৯৬ সালে যখন আমরা সরকারে আসি তখন মোবাইল ফোন আমরা দিয়ে দেই। আজ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সকল তথ্য পাওয়া যায়- সকল সংবাদ পাওয়া যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ শুধু মুখে বলা না, প্রতিটা অঞ্চলে যেনো ব্রডব্যান্ড সেবা পায় ইন্টারনেট সেবা পায় সে ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি।

ঢাকা ব্যুরো: যারা দুই বড় দল বলবেন, তারা ভুল করবেন। কেউ কেউ আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির তুলনা করে। কেউ কেউ বলে দুই বড় দল! বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা চলে না। আজ শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি)দুপুরে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার সাদুল্যাপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গারহাট তালিমপুর-তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখানে একটা কথা বলতে চাই- ২০০৮’র নির্বাচনে বিএনপি পেয়েছিলো মাত্র ৩০টা সিট, ৩০০ সিটের মধ্যে। বিএনপি ২০ দলীয় জোট করেছিলো, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছিলো ২৭০টা আসন। ফলাফলের এমন পরিসংখ্যান তুলে ধরে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি কিভাবে এক হয় এমন প্রশ্ন রাখেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সমালোচনা এবং গঠনতন্ত্র না মানার সমালোচনা করে তিনি বলেন: বিএনপি সরকারের আমলে জঙ্গিবাদ, গ্রেনেড হামলা, ৫০০ জায়গায় একই সঙ্গে গ্রেনেড হামলা, ৬৩ জায়গায় বোমা হামলা, দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন ওরা মানুষকে কিছু দেয়নি। মানুষের অর্থ সব লুটপাট করে বিদেশে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটা রাজনৈতিক দল যারা তাদের গঠনতন্ত্র মানে না। বিএনপির গঠনতন্ত্রে আছে সাজাপ্রাপ্ত আসামী দলের নেতা হতে পারে না। বিএনপিতে কী এমন একজন নেতাও পায়, যারা সাজাপ্রাপ্ত না! খালেদা জিয়া তার ছেলে তারেক জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামী। তারেক জিয়া আবার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। নিজেরা নিজেদের গঠনতন্ত্র মানে না- আইনও মানে না।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের জন্মের ইতিহাস তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা চলে না। যারা ওই দুই বড় দল বলবেন তারা ভুল করবেন। আওয়ামী লীগ এ দেশের সাধারণ মানুষের সংগঠন। এদেশের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের মধ্যদিয়ে এ দলের জন্ম হয়েছে।

উৎপাদিত মূল্যের অর্ধেকে বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে বলে সমাবেশে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখন বিশ্ববাজারে তেল- গ্যাস সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে আপনারা সকলে সাশ্রয়ী হবেন, যত কম ব্যবহার করা যায়। বিদেশে এমনকি লন্ডনেও প্রায় দেড়শ’ ভাগ বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। আমরা যে টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করি তার অর্ধেক মূল্যে বিদ্যুৎ দিচ্ছি মানুষের মাঝে। আর সেচ কাজের জন্য আমরা ২০ পারসেন্ট ভর্তুকি দিয়ে দিচ্ছি। আমি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেবো, সব ঘর আলোকিত করবো বলেছিলাম। সেটা আল্লাহ্ রহমতে আমরা করতে পেরেছি।

আওয়ামী লীগ আসার আগে কারও হাতে মোবাইল ছিলো না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজ সকলের হাতে মোবাইল ফোন। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার আগে কারও হাতে মোবাইল ফোন ছিলো না। ৯৬ সালে যখন আমরা সরকারে আসি তখন মোবাইল ফোন আমরা দিয়ে দেই। আজ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সকল তথ্য পাওয়া যায়- সকল সংবাদ পাওয়া যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ শুধু মুখে বলা না, প্রতিটা অঞ্চলে যেনো ব্রডব্যান্ড সেবা পায় ইন্টারনেট সেবা পায় সে ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি।