ঢাকা ব্যুরো: ‘আমাদের ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতির ওপর আঘাতকারীদের যারা লালন-পালন করে এবং সেই বিরুদ্ধ ভাবধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাদের প্রতিহত করাই আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারির শপথ।’ আজ মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, ‘১৯৫২ সালের এই দিনে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আমাদের পূর্বসূরীরা জীবন দিয়ে আমাদের ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু সেখান থেকে। সেদিন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাদের ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতির ওপর আঘাত হেনেছিল। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতির ওপর যারা আঘাত হেনেছিল, তাদের ভাবধারা ধারণকারীরা আজ স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও বাংলাদেশে রাজনীতি করে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ভাষা-কৃষ্টিতে যারা পুরোপুরি বিশ্বাস করে না বরং পাকিস্তানি ভাবধারায় বিশ্বাসী, সেই বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে রাজনীতি করে। এবং সে কারণেই স্বাধীনতার পরও আমাদের ভাষা-সংস্কৃতির ওপর বারবার যে আঘাত এসেছে, তার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল।বিএনপি ও তার নেতৃত্ব। এদের প্রতিহত করাই আজকের শপথ।’

ঢাকা ব্যুরো: ‘আমাদের ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতির ওপর আঘাতকারীদের যারা লালন-পালন করে এবং সেই বিরুদ্ধ ভাবধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাদের প্রতিহত করাই আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারির শপথ।’ আজ মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, ‘১৯৫২ সালের এই দিনে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আমাদের পূর্বসূরীরা জীবন দিয়ে আমাদের ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু সেখান থেকে। সেদিন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাদের ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতির ওপর আঘাত হেনেছিল। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতির ওপর যারা আঘাত হেনেছিল, তাদের ভাবধারা ধারণকারীরা আজ স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও বাংলাদেশে রাজনীতি করে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ভাষা-কৃষ্টিতে যারা পুরোপুরি বিশ্বাস করে না বরং পাকিস্তানি ভাবধারায় বিশ্বাসী, সেই বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে রাজনীতি করে। এবং সে কারণেই স্বাধীনতার পরও আমাদের ভাষা-সংস্কৃতির ওপর বারবার যে আঘাত এসেছে, তার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল।বিএনপি ও তার নেতৃত্ব। এদের প্রতিহত করাই আজকের শপথ।’