ঢাকা ব্যুরো: জানুয়া‌রি থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এক পালায় (শিফট) চলবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রবিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের স‌চিব মো. আমিনুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। স‌চিব বলেন, আগামী বছরের জানুয়া‌রি মাস থেকে সারা‌ দে‌শে এ নিয়ম কার্যকর করা হ‌বে।

তিনি বলেন, দে‌শের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়‌কে এক শিফ‌টে আনার পরিকল্পনা কর‌ছি। আগামী বছ‌রের জানুয়া‌রি থে‌কে এটা কার্যকর ক‌রতে পারব।

শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অবকাঠামোগত বিবেচনা করে বিদ্যালয়গুলোকে সমন্বয়ও করা হবে বলে জানিয়ে সচিব বলেন, এখন দুই কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে, এক কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে, আবার তিন কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে। দুই কক্ষে কোনোভাবেই ছয়টি ক্লাস চালানো সম্ভব নয়। আবার রাতারাতি ভবনও নির্মাণ করা যাবে না। এসব বিবেচনা করে দেশের সব বিদ্যালয়কে এক পালায় (শিফটে) আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে কোনো বিদ্যালয় বন্ধ হচ্ছে না, কোনো শিক্ষকও চাকরি হারাচ্ছেন না। সবই ঠিক থাকছে। কেবল কাজটি ভাগ করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এমনও দেখা যেতে পারে, যেখানে দুই কক্ষ আছে, সেখানে প্রাক-প্রাথমিক থাকবে।

কবে নাগাদ এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে জানতে চাইলে সচিব বলেন, আমরা চেষ্টা করছি, আগামী জানুয়ারি থেকেই এটা করতে পারব। পুরোটা না পারলেও নিশ্চয়ই অনেকটা করতে পারব বলে আশা করছি।

ঢাকা ব্যুরো: জানুয়া‌রি থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এক পালায় (শিফট) চলবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রবিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের স‌চিব মো. আমিনুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। স‌চিব বলেন, আগামী বছরের জানুয়া‌রি মাস থেকে সারা‌ দে‌শে এ নিয়ম কার্যকর করা হ‌বে।

তিনি বলেন, দে‌শের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়‌কে এক শিফ‌টে আনার পরিকল্পনা কর‌ছি। আগামী বছ‌রের জানুয়া‌রি থে‌কে এটা কার্যকর ক‌রতে পারব।

শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অবকাঠামোগত বিবেচনা করে বিদ্যালয়গুলোকে সমন্বয়ও করা হবে বলে জানিয়ে সচিব বলেন, এখন দুই কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে, এক কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে, আবার তিন কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে। দুই কক্ষে কোনোভাবেই ছয়টি ক্লাস চালানো সম্ভব নয়। আবার রাতারাতি ভবনও নির্মাণ করা যাবে না। এসব বিবেচনা করে দেশের সব বিদ্যালয়কে এক পালায় (শিফটে) আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে কোনো বিদ্যালয় বন্ধ হচ্ছে না, কোনো শিক্ষকও চাকরি হারাচ্ছেন না। সবই ঠিক থাকছে। কেবল কাজটি ভাগ করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এমনও দেখা যেতে পারে, যেখানে দুই কক্ষ আছে, সেখানে প্রাক-প্রাথমিক থাকবে।

কবে নাগাদ এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে জানতে চাইলে সচিব বলেন, আমরা চেষ্টা করছি, আগামী জানুয়ারি থেকেই এটা করতে পারব। পুরোটা না পারলেও নিশ্চয়ই অনেকটা করতে পারব বলে আশা করছি।