ঢাকা ব্যুরো: দৈনিক ডেঙ্গু রোগী বাড়ায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ। ঢাকা মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দীসহ রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য বরাদ্দ বেড ফাঁকা নেই। তারপরও প্রতিদিন বহু রোগী আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালগুলোতে আলাদা ডেঙ্গু ইউনিট চালু করতে হবে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক অবহিতকরণ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, মিরপুরসহ যেসব এলাকা ডেঙ্গুর অন্যতম হটস্পট। সেখানকার রোগীদের জন্য মিরপুর লালকুঠি ও মহানগর হাসপাতালসহ কোভিডের জন্য ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা দেয়া হবে। যেহেতু সেগুলো এখন ফাঁকা, তাই সমস্যা হবে না।

আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, আমরা চাই না ২০১৯ সালের মতো গুরুতর পরিস্থিতি তৈরি হোক। এজন্য হাসপাতালগুলোতে আলাদা ডেঙ্গু ইউনিট চালু করতে হবে। পর্যাপ্ত ফ্লুইড সরবরাহ করতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিটি ওয়ার্ডে মশারি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে। হটস্পটগুলোতে দ্রুত অভিযানের ব্যবস্থা নিতে সিটি কর্পোরেশনগুলোকে বলেছি। শুধু অভিযান করলেই হবে না, গণমাধ্যমে প্রচারের গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে বর্জ্যের জায়গায় কোনোভাবেই যেন পানি জমে না থাকে। ময়লাগুলো দ্রুত পয়ঃনিষ্কাশনে ব্যবস্থা নিতে হবে। আজকের ময়লা যেন আগামীকালের অপেক্ষায় না থাকে। ওয়াসার অনেক কাজ পড়ে থাকে। সেগুলোতে যাতে পানি জমে না থাকে খেয়াল রাখতে হবে। তবে সাধারণ মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে আমাদের অভিযান পরিচালনা করেও কিছু করতে পারবো না। মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আশেপাশের জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখতে হবে। ডাবের পানি ডেঙ্গুতে খুবই জরুরি, কিন্তু ডাবের খোসা আমাদের জন্য সর্বনাশের কারণ।

ঢাকা ব্যুরো: দৈনিক ডেঙ্গু রোগী বাড়ায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ। ঢাকা মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দীসহ রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য বরাদ্দ বেড ফাঁকা নেই। তারপরও প্রতিদিন বহু রোগী আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালগুলোতে আলাদা ডেঙ্গু ইউনিট চালু করতে হবে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক অবহিতকরণ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, মিরপুরসহ যেসব এলাকা ডেঙ্গুর অন্যতম হটস্পট। সেখানকার রোগীদের জন্য মিরপুর লালকুঠি ও মহানগর হাসপাতালসহ কোভিডের জন্য ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা দেয়া হবে। যেহেতু সেগুলো এখন ফাঁকা, তাই সমস্যা হবে না।

আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, আমরা চাই না ২০১৯ সালের মতো গুরুতর পরিস্থিতি তৈরি হোক। এজন্য হাসপাতালগুলোতে আলাদা ডেঙ্গু ইউনিট চালু করতে হবে। পর্যাপ্ত ফ্লুইড সরবরাহ করতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিটি ওয়ার্ডে মশারি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে। হটস্পটগুলোতে দ্রুত অভিযানের ব্যবস্থা নিতে সিটি কর্পোরেশনগুলোকে বলেছি। শুধু অভিযান করলেই হবে না, গণমাধ্যমে প্রচারের গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে বর্জ্যের জায়গায় কোনোভাবেই যেন পানি জমে না থাকে। ময়লাগুলো দ্রুত পয়ঃনিষ্কাশনে ব্যবস্থা নিতে হবে। আজকের ময়লা যেন আগামীকালের অপেক্ষায় না থাকে। ওয়াসার অনেক কাজ পড়ে থাকে। সেগুলোতে যাতে পানি জমে না থাকে খেয়াল রাখতে হবে। তবে সাধারণ মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে আমাদের অভিযান পরিচালনা করেও কিছু করতে পারবো না। মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আশেপাশের জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখতে হবে। ডাবের পানি ডেঙ্গুতে খুবই জরুরি, কিন্তু ডাবের খোসা আমাদের জন্য সর্বনাশের কারণ।