ঢাকা ব্যুরো: অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন বন্ধ করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সিইসি হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। সক্রিয় অংশগ্রহণমূলক চাই। ঢিমেতালে নয়। গোপন কক্ষে অযাচিত লোকদের উপস্থিতি, এজেন্ট বের করে দেয়া, সিসিটিভির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ নানা অভিযোগ আমাদের কাছে আসে। এরপরে কমিশনের সব সদস্য মিলে আমরা পর্যালোচনা করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ইসির পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যেহেতু ১৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫১টি কেন্দ্রই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তাই অবশিষ্ট কয়েকটি কেন্দ্র থেকে সঠিক মূল্যায়ন করা সম্ভব না। আইনেও বলা আছে যে, কমিশনের কাছে ভোট যদি নিরপেক্ষ না হয় তবে তারা যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন।
এর আগে বুধবার ভোটকেন্দ্রে নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন বন্ধ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রয়াত ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার আসনের উপনির্বাচন বুধবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে কয়েকঘণ্টা ভোট না চলতেই ভোট কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এরপরই নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুরো ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয়।




