নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের চিকিৎসকগণ অত্যন্ত দক্ষ। বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় সকলকে অধিক মনোযোগী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাকাল হতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে জনমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে “ডাঃ সাহিদা করিম অবস এন্ড গাইনী ওয়ার্ড” এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি ফিতা কেটে নবনির্মিত অবস এন্ড গাইনী ওয়ার্ডের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডাঃ সাহিদা করিমের অবদান ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হাসপাতালের অবস এন্ড গাইনী ওয়ার্ডকে “ডাঃ সাহিদা করিম অবস এন্ড গাইনী ওয়ার্ড” নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।
ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ও জাতীয় ঔষধনীতি হালনাগাদকরণ, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা, অসংখ্য নতুন বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, ২৪টি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্যখাতের ডিজিটালাইজেশন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ই-গর্ভনেন্স ও ই-টেন্ডারিং ইত্যাদি অসংখ্য যুগান্তকারী উদ্যোগের পাশাপাশি কোভিড মহামারি মোকাবেলায় ঈর্ষণীয় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালকে বর্তমান সরকার বিনামূল্যে জমি এবং বাৎসরিক অনুদান দেওয়ার কথা স্মরণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বেসরকারি খাতে প্রসূতি স্বাস্থ্য সেবার সূচনাকারী ডাঃ সাহিদা করিম চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে প্রথম গাইনী ওয়ার্ড চালু করেন, বর্তমানে যা হাসপাতালের অন্যতম বিশেষায়িত বিভাগ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। কোভিডকালীন সময়ে রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ প্রসূতিসেবায় দেশব্যাপী বর্তমানে একটি প্রতিষ্ঠিত নাম ‘চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল’।
হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট প্রফেসর এম এ তাহের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এমপি এবং ইনার হুইল ইন্টারন্যাশনালের সাবেক বোর্ড ডিরেক্টর ও লিটল জুয়েলস স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা দিলরুবা আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ডাঃ এ এস এম ফজলুল করিম ডাঃ সাহিদা করিমের নামে স্থাপিত ম্যুরাল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে ডাঃ এ এস এম ফজলুল করিমকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও হাসপাতালের উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য ‘লাইফটাইম এচিভমেন্ট এওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। সমাজের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ ও হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গনমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের চিকিৎসকগণ অত্যন্ত দক্ষ। বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় সকলকে অধিক মনোযোগী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাকাল হতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে জনমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে “ডাঃ সাহিদা করিম অবস এন্ড গাইনী ওয়ার্ড” এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি ফিতা কেটে নবনির্মিত অবস এন্ড গাইনী ওয়ার্ডের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডাঃ সাহিদা করিমের অবদান ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হাসপাতালের অবস এন্ড গাইনী ওয়ার্ডকে “ডাঃ সাহিদা করিম অবস এন্ড গাইনী ওয়ার্ড” নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।
ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ও জাতীয় ঔষধনীতি হালনাগাদকরণ, কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা, অসংখ্য নতুন বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, ২৪টি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্যখাতের ডিজিটালাইজেশন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ই-গর্ভনেন্স ও ই-টেন্ডারিং ইত্যাদি অসংখ্য যুগান্তকারী উদ্যোগের পাশাপাশি কোভিড মহামারি মোকাবেলায় ঈর্ষণীয় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালকে বর্তমান সরকার বিনামূল্যে জমি এবং বাৎসরিক অনুদান দেওয়ার কথা স্মরণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বেসরকারি খাতে প্রসূতি স্বাস্থ্য সেবার সূচনাকারী ডাঃ সাহিদা করিম চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে প্রথম গাইনী ওয়ার্ড চালু করেন, বর্তমানে যা হাসপাতালের অন্যতম বিশেষায়িত বিভাগ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। কোভিডকালীন সময়ে রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ প্রসূতিসেবায় দেশব্যাপী বর্তমানে একটি প্রতিষ্ঠিত নাম ‘চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল’।
হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট প্রফেসর এম এ তাহের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি এমপি এবং ইনার হুইল ইন্টারন্যাশনালের সাবেক বোর্ড ডিরেক্টর ও লিটল জুয়েলস স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা দিলরুবা আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ডাঃ এ এস এম ফজলুল করিম ডাঃ সাহিদা করিমের নামে স্থাপিত ম্যুরাল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে ডাঃ এ এস এম ফজলুল করিমকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও হাসপাতালের উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য ‘লাইফটাইম এচিভমেন্ট এওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। সমাজের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ ও হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গনমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।