রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের কাউনিয়ায় স্কুলছাত্রী সানজিদা আক্তার ইভা(১৬) হত্যার সাথে জড়িত বাকি আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করে মাহীগঞ্জ মেট্রো থানা এলাকাধীন ১নং কল্যানী ইউপির অবস্থিত  বড়দরগা বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

এ মানববন্ধনে পীরগাছা’র বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া উক্ত বিদ্যালয় সমূহের শিক্ষকগণ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গগন তাদের নিজ নিজ বক্তব্যে বলেন, সানজিদা খান ইভা বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের এইবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো, সে অনেক মেধাবী একজন শিক্ষার্থী ছিলো, কিন্তু তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নাহিদুল ও তার সহযোগীরা হত্যা করে, আমরা তার ও তার সহযোগী খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশ সংবিধানের প্রচলিত হত্যা আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড  দাবি করছি।

ঘটনার বিবরনে প্রকাশ পায়, রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার গোড়াই গ্রামের ইব্রাহিম খানের মেয়ে সানজিদা খান ইভা’র সাথে মাহিগঞ্জ মেট্রো থানা’র তালুক উপাশুু গ্রামের নূর হোসেন মিলিটারীর ছেলে নাহিদুলের সাথে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো সানজিদার। কিন্তু পরবর্তীতে সে প্রেম ভেঙ্গে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত  হয়ে গত ১৬ ই আগস্ট মঙ্গলবার ২০২২ ইং তারিখে প্রাক্তন আরও দুই প্রেমিক মিলে সু-পরিকল্পিত ভাবে ইভাকে বাড়ীর পাশ থেকে মোটর সাইকেলে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সানজিদাকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে  হত্যাকরে রাত নয়টার দিকে উক্ত উপজেলার হরিচরণ লস্করপাড়া এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ধারে তাকে ফেলে যায়। পরে রাত ৯ টার সময় সেই এলাকার লোকজন একটি কিশোরীর রক্তাক্ত দেহ রাস্তায় পড়ে  থাকতে দেখে এলাকার লোকজন কাউনিয়া থানায় খবর দেয়। এরপর সেখান থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে  কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক কিশোরিটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে সানজিদার পরিবারের কাছে খবর এলে লাশটি সানজিদার বলে শনাক্ত করে তার পরিবার। সেই সময় তার শরীরে  ছুরিকাঘাতের মোট ১৮টি চিহ্ন দেখতে পায় এলাকাবাসী। ময়নাতদন্তের জন্য ওই রাতেই সানজিদার মরদেহ মর্গে পাঠায় কাউনিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ ঐ সময় সংবাদ কর্মীদের বলেন , মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে পাওয়া খাতার লেখার সূত্র ধরে নগরীর মাহিগঞ্জ থানার তালুক উপাশু গ্রামের নূর হোসেন মিলিটারীর ছেলে নাহিদুলকে গ্রেফতার করা হয় সেই রাতেই। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর নাহিদুল পুলিশের কাছে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

পুলিশের কাছে জবানবন্দিতে নাহিদুল জানান, বছর তিনেক আগে সানজিদার সঙ্গে পরিচয়ের পর তাদের দুজনের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তখন থেকে তাদের গভীর প্রেম চললেও কিছুদিন আগে সানজিদার একাধিক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরার ঘটনা জানতে পেরে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। এরই সুত্র ধরে প্রতিশোধ নিতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নগরীর শাপলা সিনেমা হলে তারা একসঙ্গে সিনেমা দেখেন। বিকেলে পীরগাছার একটি পার্কে ঘোরাঘুরি করে। এরপর সন্ধ্যায় ফিরে আসার পথে সানজিদার অপর দুই প্রেমিকসহ ঘটনাস্থলে একত্রিত হয়ে তিনজন মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে সটকে পড়ে।

পুলিশ নাহিদুলের জবানবন্দির সুত্র ধরে গত বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের পর বড়দরগা বাজরের হায়দার ডা. এর ছেলে মনিরুজ্জামান প্রিন্স কে বড়দরগা বাজার এলাকা থেকে আটক করে।

কাউনিয়া থানা পুলিশ জিজ্ঞেসাবাদ করার পর  তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

অজ্ঞাতনামা আসামি করে সানজিদার পিতা ইব্রাহিম খাঁন ঘটনার দিন কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা ও হত্যাকাণ্ড  ও আসামি ধরার বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) মো. আশরাফুল আলম পলাশ জানান, প্রেম ঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে ইভাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত প্রেমিক নাহেদুল ইসলাম সায়েম আদালতে এ হত্যা কান্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

 তার দেয়া তথ্য মতে কল্যানী ইউপির বিহারী গ্রামের শেখ মো. হায়দার আলীর পুত্র শেখ মো. মনিরুজ্জামান প্রিন্সকে গ্রেফতার করে  আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। হত্যা কাণ্ডের সাথে আরো কেউ জড়িত আছে কী না তা গভীর ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের কাউনিয়ায় স্কুলছাত্রী সানজিদা আক্তার ইভা(১৬) হত্যার সাথে জড়িত বাকি আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করে মাহীগঞ্জ মেট্রো থানা এলাকাধীন ১নং কল্যানী ইউপির অবস্থিত  বড়দরগা বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

এ মানববন্ধনে পীরগাছা’র বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া উক্ত বিদ্যালয় সমূহের শিক্ষকগণ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গগন তাদের নিজ নিজ বক্তব্যে বলেন, সানজিদা খান ইভা বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের এইবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো, সে অনেক মেধাবী একজন শিক্ষার্থী ছিলো, কিন্তু তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নাহিদুল ও তার সহযোগীরা হত্যা করে, আমরা তার ও তার সহযোগী খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশ সংবিধানের প্রচলিত হত্যা আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড  দাবি করছি।

ঘটনার বিবরনে প্রকাশ পায়, রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার গোড়াই গ্রামের ইব্রাহিম খানের মেয়ে সানজিদা খান ইভা’র সাথে মাহিগঞ্জ মেট্রো থানা’র তালুক উপাশুু গ্রামের নূর হোসেন মিলিটারীর ছেলে নাহিদুলের সাথে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো সানজিদার। কিন্তু পরবর্তীতে সে প্রেম ভেঙ্গে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত  হয়ে গত ১৬ ই আগস্ট মঙ্গলবার ২০২২ ইং তারিখে প্রাক্তন আরও দুই প্রেমিক মিলে সু-পরিকল্পিত ভাবে ইভাকে বাড়ীর পাশ থেকে মোটর সাইকেলে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সানজিদাকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে  হত্যাকরে রাত নয়টার দিকে উক্ত উপজেলার হরিচরণ লস্করপাড়া এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ধারে তাকে ফেলে যায়। পরে রাত ৯ টার সময় সেই এলাকার লোকজন একটি কিশোরীর রক্তাক্ত দেহ রাস্তায় পড়ে  থাকতে দেখে এলাকার লোকজন কাউনিয়া থানায় খবর দেয়। এরপর সেখান থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে  কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক কিশোরিটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে সানজিদার পরিবারের কাছে খবর এলে লাশটি সানজিদার বলে শনাক্ত করে তার পরিবার। সেই সময় তার শরীরে  ছুরিকাঘাতের মোট ১৮টি চিহ্ন দেখতে পায় এলাকাবাসী। ময়নাতদন্তের জন্য ওই রাতেই সানজিদার মরদেহ মর্গে পাঠায় কাউনিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ ঐ সময় সংবাদ কর্মীদের বলেন , মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে পাওয়া খাতার লেখার সূত্র ধরে নগরীর মাহিগঞ্জ থানার তালুক উপাশু গ্রামের নূর হোসেন মিলিটারীর ছেলে নাহিদুলকে গ্রেফতার করা হয় সেই রাতেই। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর নাহিদুল পুলিশের কাছে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

পুলিশের কাছে জবানবন্দিতে নাহিদুল জানান, বছর তিনেক আগে সানজিদার সঙ্গে পরিচয়ের পর তাদের দুজনের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তখন থেকে তাদের গভীর প্রেম চললেও কিছুদিন আগে সানজিদার একাধিক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পরার ঘটনা জানতে পেরে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। এরই সুত্র ধরে প্রতিশোধ নিতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নগরীর শাপলা সিনেমা হলে তারা একসঙ্গে সিনেমা দেখেন। বিকেলে পীরগাছার একটি পার্কে ঘোরাঘুরি করে। এরপর সন্ধ্যায় ফিরে আসার পথে সানজিদার অপর দুই প্রেমিকসহ ঘটনাস্থলে একত্রিত হয়ে তিনজন মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে সটকে পড়ে।

পুলিশ নাহিদুলের জবানবন্দির সুত্র ধরে গত বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের পর বড়দরগা বাজরের হায়দার ডা. এর ছেলে মনিরুজ্জামান প্রিন্স কে বড়দরগা বাজার এলাকা থেকে আটক করে।

কাউনিয়া থানা পুলিশ জিজ্ঞেসাবাদ করার পর  তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

অজ্ঞাতনামা আসামি করে সানজিদার পিতা ইব্রাহিম খাঁন ঘটনার দিন কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলা ও হত্যাকাণ্ড  ও আসামি ধরার বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) মো. আশরাফুল আলম পলাশ জানান, প্রেম ঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে ইভাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত প্রেমিক নাহেদুল ইসলাম সায়েম আদালতে এ হত্যা কান্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

 তার দেয়া তথ্য মতে কল্যানী ইউপির বিহারী গ্রামের শেখ মো. হায়দার আলীর পুত্র শেখ মো. মনিরুজ্জামান প্রিন্সকে গ্রেফতার করে  আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। হত্যা কাণ্ডের সাথে আরো কেউ জড়িত আছে কী না তা গভীর ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।