দি ক্রাইম ডেস্ক: রংপুরের পীরগঞ্জে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ভাই আজ বাদী হয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই রাত ১০টার দিকে ওই নারী নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। ওই রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে পথ চলতে না পেরে তিনি স্থানীয় একটি দুর্গামন্দিরের বারান্দায় অবস্থান নেন। পরবর্তীতে ২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাত আনুমানিক ২টার দিকে অভিযুক্ত পাঁচ ব্যক্তি ওই মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর নিকটবর্তী একটি মুদি দোকানে নিয়ে সাটার বন্ধ করে ওই নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের বাসিন্দারা ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দোকান খুলে দ্রুত পালিয়ে যায়।

নৃশংস এই নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন— পার্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা বিদ্যুৎ সরকার, রতন মিয়া, হবিবর রহমান ও মিথুল এবং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের বারাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাফিজার রহমান।

ঘটনার বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক মুঠোফোনে জানান, ‘আমি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’

দি ক্রাইম ডেস্ক: রংপুরের পীরগঞ্জে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ভাই আজ বাদী হয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই রাত ১০টার দিকে ওই নারী নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। ওই রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে পথ চলতে না পেরে তিনি স্থানীয় একটি দুর্গামন্দিরের বারান্দায় অবস্থান নেন। পরবর্তীতে ২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাত আনুমানিক ২টার দিকে অভিযুক্ত পাঁচ ব্যক্তি ওই মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর নিকটবর্তী একটি মুদি দোকানে নিয়ে সাটার বন্ধ করে ওই নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের বাসিন্দারা ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দোকান খুলে দ্রুত পালিয়ে যায়।

নৃশংস এই নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন— পার্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা বিদ্যুৎ সরকার, রতন মিয়া, হবিবর রহমান ও মিথুল এবং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের বারাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাফিজার রহমান।

ঘটনার বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক মুঠোফোনে জানান, ‘আমি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’