মোঃ মশিউর রহমান, রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের কাউনিয়ায় স্কুলছাত্রী সানজিদা আক্তার ইভার (১৬) হত্যা-রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। প্রতারিত হওয়ার ক্ষোভ থেকে তিন প্রেমিক মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে- এমন দাবি করছেন তারা।
একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার হরিচরণ লস্করপাড়া এলাকায় এক কিশোরীকে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ধারে পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। এরপর সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক স্কুলছাত্রী সানজিদা আক্তার ইভামৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশটি সানজিদার বলে শনাক্ত করে তার পরিবার। তার শরীরে  ছুরিকাঘাতের ১৮টি চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ওই রাতেই মরদেহ মর্গে পাঠায় কাউনিয়া থানা পুলিশ।
পুলিশ বলছে, মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে পাওয়া খাতার লেখার সূত্র ধরে নগরীর মাহিগঞ্জ থানার তালুক উপাশু গ্রামের নূর হোসেন মিলিটারীর ছেলে নাহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর নাহিদুল এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।
জবানবন্দিতে নাহিদুল জানান, বছর তিনেক আগে সানজিদার সঙ্গে পরিচয়ের পর তাদের দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তখন থেকে তাদের গভীর প্রেম চললেও কিছুদিন আগে সানজিদার একাধিক প্রেমের ঘটনা জানতে পেরে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়। প্রতিশোধ নিতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী  গত মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নগরীর শাপলা হলে তারা একসঙ্গে সিনেমা দেখেন। বিকেলে পীরগাছার একটি পার্কে ঘোরাঘুরি করে। এরপর সন্ধ্যায় ফিরে আসার পথে সানজিদার অপর দুই প্রেমিকসহ ঘটনাস্থলে একত্রিত হয়ে তিনজন মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে সটকে পড়ে।
এদিকে সানজিদার বাবা ইব্রাহিম খানের দায়ের করা মামলায় নাহিদুলকে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
প্রতক্ষদর্শী হরিচরণ লস্করপাড়া এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, এলাকাবাসী মেয়েটিকে যখন রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন, তখন মেয়েটি অসংখ্যবার কথা বলার চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু গলার আঘাতটা এতোটাই কঠিন ছিলো যে, কথা বলার চেষ্টা করলেই গলার ক্ষতস্থান দিয়ে রক্ত আসতো। প্রতক্ষদর্শীরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে জরিত সকলের ফাঁশির দাবী জানান।
মোঃ মশিউর রহমান, রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের কাউনিয়ায় স্কুলছাত্রী সানজিদা আক্তার ইভার (১৬) হত্যা-রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। প্রতারিত হওয়ার ক্ষোভ থেকে তিন প্রেমিক মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে- এমন দাবি করছেন তারা।
একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার হরিচরণ লস্করপাড়া এলাকায় এক কিশোরীকে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ধারে পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। এরপর সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক স্কুলছাত্রী সানজিদা আক্তার ইভামৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশটি সানজিদার বলে শনাক্ত করে তার পরিবার। তার শরীরে  ছুরিকাঘাতের ১৮টি চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ওই রাতেই মরদেহ মর্গে পাঠায় কাউনিয়া থানা পুলিশ।
পুলিশ বলছে, মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে পাওয়া খাতার লেখার সূত্র ধরে নগরীর মাহিগঞ্জ থানার তালুক উপাশু গ্রামের নূর হোসেন মিলিটারীর ছেলে নাহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর নাহিদুল এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।
জবানবন্দিতে নাহিদুল জানান, বছর তিনেক আগে সানজিদার সঙ্গে পরিচয়ের পর তাদের দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তখন থেকে তাদের গভীর প্রেম চললেও কিছুদিন আগে সানজিদার একাধিক প্রেমের ঘটনা জানতে পেরে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়। প্রতিশোধ নিতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী  গত মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নগরীর শাপলা হলে তারা একসঙ্গে সিনেমা দেখেন। বিকেলে পীরগাছার একটি পার্কে ঘোরাঘুরি করে। এরপর সন্ধ্যায় ফিরে আসার পথে সানজিদার অপর দুই প্রেমিকসহ ঘটনাস্থলে একত্রিত হয়ে তিনজন মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে সটকে পড়ে।
এদিকে সানজিদার বাবা ইব্রাহিম খানের দায়ের করা মামলায় নাহিদুলকে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
প্রতক্ষদর্শী হরিচরণ লস্করপাড়া এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, এলাকাবাসী মেয়েটিকে যখন রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন, তখন মেয়েটি অসংখ্যবার কথা বলার চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু গলার আঘাতটা এতোটাই কঠিন ছিলো যে, কথা বলার চেষ্টা করলেই গলার ক্ষতস্থান দিয়ে রক্ত আসতো। প্রতক্ষদর্শীরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে জরিত সকলের ফাঁশির দাবী জানান।