চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :: কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জাফর আলমের দখলবাজি বন্ধে জোরালো প্রতিবাদের পর পরই ডাকাতি ও লুটপাট চালিয়েছে সাবেক সাংসদ ইলিয়াছের মালিকানাধীন চিংড়িঘেরে।গত বুধবার রাত তিনটার দিকে চকরিয়া উপজেলার রামপুর মৌজার চরণদ্বীপ এলাকায় সংজ্ঞব্ধ চক্রটি তার চিংড়িঘেরে লুটপাট চালায়। ঘেরের চিংড়িসহ বিভিন্ন জাতের প্রায় ১০ মণ মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এতে অন্তত ১২ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে দাবী করেন জাপার এই সাবেক সাংসদ।

গত বুধবার জাতীয় পাটি চকরিয়া ও মাতামহুরী সাংগঠনিক শাখার উদ্যোগে চকরিয়া সদরে জ্বালানি তেরের মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিলে সাবেক এমপি ইলিয়াছ জাফরের বাড়ি ও অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি দিয়েছিলেন। এর পর পরই এই ঘটনা ঘটে। চিংড়ি ঘেরে লুটপাটের জন্য ইলিয়াছ জাফরের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন।

বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেছিলেন, জ্বালানী তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি কক্সবাজার-১ আসনের সরকার দলীয় সাংসদ জাফর আলম এমপির চিংড়িঘের দখল, ভূমি দখল ও চাঁদাবাজিসহ দূর্নীতির কঠোর সমালোচনা করেন। এমনকী সাংসদ জাফর আলম কর্তৃক তার স্বজনরা চকরিয়ার চিংড়িজোনে বিভিন্নভাবে ৫০ হাজার চিংড়িঘেরে দখল করেছে বলেও বক্তব্য দেন। জাফর আলম এমপির অব্যাহত অনিয়ম, দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও জবর দখল বন্ধ না হলে তার বাড়ি ও অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছ।

এধরণের বক্তব্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানাভাবে আলোচনা ও সমালোচনা হয়। সাবেক সাংসদ ইলিয়াছের বক্তব্যের পর বুধবার রাত তিনটার দিকে তার মালিকানাধানী রামপুর মৌজার চরণদ্বীপ এলাকার ২০একরের চিংড়িঘেরে ডাকাতি ও লুটপাট চালায় একটি চক্র। ওই চক্রটি তার ঘের থেকে প্রায় ১০ মণ চিংড়ি সহ বিভিন্ন জাতের প্রায় ১২ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এসময় ঘেরের ৩জন কর্মচারীকেও মারধর করা হয। চক্রটি ঘেরে থাকা জাল, মাছ ধরার বিভিন্ন মালামাল ও সরঞ্জাম নিয়ে যায়।
জাপার সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, দুর্নীতি ও দখল বাজির বিরুদ্ধে কথা বলায় সাংসদ জাফরের নির্দেশে পরিকল্পিতভাবে তার চিংড়িঘেরটি লুটপাট করেছে। দখল নিতে না পেরে চিংড়িঘেরের প্রায় ১২ লাখ টাকার মাছ ও মালামাল লুট করেছে। লুটপাটের ঘটনায় চকরিয়া থানায় মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দন কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছের চিংড়িঘেরে লুটপাট করার বিষয়টি শুনেছি। এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :: কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জাফর আলমের দখলবাজি বন্ধে জোরালো প্রতিবাদের পর পরই ডাকাতি ও লুটপাট চালিয়েছে সাবেক সাংসদ ইলিয়াছের মালিকানাধীন চিংড়িঘেরে।গত বুধবার রাত তিনটার দিকে চকরিয়া উপজেলার রামপুর মৌজার চরণদ্বীপ এলাকায় সংজ্ঞব্ধ চক্রটি তার চিংড়িঘেরে লুটপাট চালায়। ঘেরের চিংড়িসহ বিভিন্ন জাতের প্রায় ১০ মণ মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এতে অন্তত ১২ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে দাবী করেন জাপার এই সাবেক সাংসদ।

গত বুধবার জাতীয় পাটি চকরিয়া ও মাতামহুরী সাংগঠনিক শাখার উদ্যোগে চকরিয়া সদরে জ্বালানি তেরের মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিলে সাবেক এমপি ইলিয়াছ জাফরের বাড়ি ও অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি দিয়েছিলেন। এর পর পরই এই ঘটনা ঘটে। চিংড়ি ঘেরে লুটপাটের জন্য ইলিয়াছ জাফরের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন।

বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেছিলেন, জ্বালানী তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি কক্সবাজার-১ আসনের সরকার দলীয় সাংসদ জাফর আলম এমপির চিংড়িঘের দখল, ভূমি দখল ও চাঁদাবাজিসহ দূর্নীতির কঠোর সমালোচনা করেন। এমনকী সাংসদ জাফর আলম কর্তৃক তার স্বজনরা চকরিয়ার চিংড়িজোনে বিভিন্নভাবে ৫০ হাজার চিংড়িঘেরে দখল করেছে বলেও বক্তব্য দেন। জাফর আলম এমপির অব্যাহত অনিয়ম, দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও জবর দখল বন্ধ না হলে তার বাড়ি ও অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছ।

এধরণের বক্তব্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানাভাবে আলোচনা ও সমালোচনা হয়। সাবেক সাংসদ ইলিয়াছের বক্তব্যের পর বুধবার রাত তিনটার দিকে তার মালিকানাধানী রামপুর মৌজার চরণদ্বীপ এলাকার ২০একরের চিংড়িঘেরে ডাকাতি ও লুটপাট চালায় একটি চক্র। ওই চক্রটি তার ঘের থেকে প্রায় ১০ মণ চিংড়ি সহ বিভিন্ন জাতের প্রায় ১২ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এসময় ঘেরের ৩জন কর্মচারীকেও মারধর করা হয। চক্রটি ঘেরে থাকা জাল, মাছ ধরার বিভিন্ন মালামাল ও সরঞ্জাম নিয়ে যায়।
জাপার সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, দুর্নীতি ও দখল বাজির বিরুদ্ধে কথা বলায় সাংসদ জাফরের নির্দেশে পরিকল্পিতভাবে তার চিংড়িঘেরটি লুটপাট করেছে। দখল নিতে না পেরে চিংড়িঘেরের প্রায় ১২ লাখ টাকার মাছ ও মালামাল লুট করেছে। লুটপাটের ঘটনায় চকরিয়া থানায় মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দন কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছের চিংড়িঘেরে লুটপাট করার বিষয়টি শুনেছি। এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। তবে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।