আদালত প্রতিবেদক: রাউজান থানার পাঁচখাইন গ্রামের আব্দুল ছোবহান মেম্বারের বাড়ীর মরহুম শেখ নুরুল ইসলাম চৌধুরী এর পুত্র শেখ দিদারুল ইসলাম চৌধুরীকে ৫লক্ষ টাকার চেক প্রতারনার মামলায় আজ সোমবার ০৮ আগস্ট সকালে ৩য় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ কাজী মিজানুর রহমান এর আদালত ৫মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং চেকের সমপরিমান ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার রায় দেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামী শেখ দিদারুল ইসলাম চৌধুরী নগরের নবাব সিরাজদৌল্লা রোডস্থ হাফিজ পার্কের মালিক স্বত্তাধিকারী ও ব্যবসায়ী মোঃ হাফিজুর রহমান বাদীর নিকট থেকে ব্যবসার জন্য চেকের মাধ্যমে ১৪ লাখ,২৭ হাজার,২৫০ ধার করেন। আসামী বাদীর চাহিত টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দিতে না পারায় বাদীর উক্ত পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য আসামী তাহার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কর্পোরেট মার্কেটিং কোম্পানী এর নামীয় ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে উপরোক্ত পাওনা টাকার আন্দরে ৫ লক্ষ টাকার এই চেকখানা প্রদান করেন।
আসামীর প্রদত্ত চেক তার কথা মতে বাদী ব্যাংকিং নিয়মে বাদীর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে উপস্থাপন করলে চেকটি ডিজঅনার হয়ে ফেরত আসে। মোঃ হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে আসামীর বিরুদ্ধে গত ২২/০১/২০২০ তারিখে এনআই এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারায় বিজ্ঞ চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট ২য় আদালতে সি.আর মামলা নং- ২২৮/২০ দায়ের করেন।
পরবর্তীতে মামলাটি বিচার নিষ্পত্তির জন্য ৩য় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি হয়ে আসলে তা দায়রা মামলা নং- ১১১৫/২২ হিসেবে রেকর্ড হয়। ৩য় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বাদীর সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং মামলার সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গ্রহণ করে আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতিত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ৩য় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ কাজী মিজানুর রহমান আজ রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।
আজ সোমবার আসামী পলাতক ছিলেন। আদালত প্রদত্ত রায়ে উক্ত পলাতক আসামীকে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং চেকে বর্ণিত ৫ লক্ষ টাকার অর্থদন্ডের রায় দেন। আসামী গ্রেফতারের দিন থেকে রায় কার্যকর হবে।
বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন- এডভোকেট এ.এম জিয়া হাবীব আহ্সান, এডভোকেট এ.এইচ.এম জসিম উদ্দিন, এডভোকেট সাইফুদ্দিন খালেদ, এডভোকেট মোঃ হাসান আলী, এডভোকেট মোঃ বদরুল হাসান, এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আরমান প্রমুখ।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ.পি.পি এডভোকেট নাজিমউদ্দিন চৌধুরী।



