লোহাগাড়া প্রতিনিধি: কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে কর্মকারদের। কারণ, কোরবানির কাজে প্রয়োজনীয় দা-বাটি-চাপাটি ও ছুরি তৈরীর কাজে। এসব উপকরণের চাহিদা বেড়েছে, যারা কোরাবানি করেন তাদেরসহ অপরাপর ঘরেও। এসব যন্ত্র তৈরীতে দিনরাত কাজ করছেন কর্মকারেরা।

আগামী ১০ জুলাই রবিবার ঈদুল আযহা উদ্যাপিত হবে। এরই মাঝে লোহাগাড়ায় জমে উঠেছে পশুর হাট। বেচাকেনা হচ্ছে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল। ক্রেতাসাধারণ জানান, এবারে কোরবানির হাটে পশুর দাম ছড়া। প্রতিটি পশুর দাম হাঁকা হচ্ছে অধিক।

লোহাগাড়া উপজেলা সদরের দরবেশহাটসহ অন্যান্য হাটেও দা-চাপাতি, বটি ও ছুরি তৈরীর জন্য লোহা পেঠানোর শব্দে মুখরিত। দরবেশহাটে রয়েছে বেশ কয়েকটি কামারশালা। এছাড়াও লোহাগাড়া ইউনিয়নে কর্মকার পাড়ায়ও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রায় সবাই। দিনরাত জ¦লছে তাদের লোহা পোড়ানোর ভাতি। দরবেশহাটসহ উপজেলার অপরাপর এলাকায়ও কামাররা নিজ নিজ কামারশালার সামনে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রেখেছেন দা-চাপাতি, বাটি ও ছুরিসহ অন্যান্য ধারালো যন্ত্র। ক্রেতারাও এসব যন্ত্র কিনতে ভিড় করছেন কামারশালায়। ধার পরীক্ষা করছেন আঙুল দ্বারা।

দরবেশ হাটে কর্মরত লালমোহন কর্মকার জানান, ২০ বছরেরও অধিক সময় থেকে এ পেশায় জড়িত তিনি। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী ধারালো যন্ত্র তৈরি করে থাকেন। কোরবানি উপলক্ষে এসব যন্ত্রের চাহিদাও বাড়ে। বিক্রিও হয় ভালো। পশু জবাইয়ের জন্য তেলোয়ার আকারে বানানো হয় লম্বা ছুরি। প্রতিটির মূল্য ১২-১৩শ টাকা বলে জানান তিনি। এছাড়াও দা-বটি, চাপাতি ও ছুরির মূল্য প্রকারভেদে বিক্রি করা হয়। তবে, তা কেজিতে ওজন করে। প্রতি কেজির মূল্য ৭-৮শ টাকা।

লোহাগাড়ায় তালিকাভুক্ত হাটবাজারের বাইরেও বিভিন্নস্থানে কোরবানির পশু, বেচা-কেনা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে তালিকাভুক্ত হাটবাজারের ইজারাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এব্যাপারে প্রতিকার পেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা বরাবরে অভিযোগ করেছেন ৪জন ইজারাদার।

এর মধ্যে রয়েছেন দরবেশহাটের আবু তাহের, চুনতি ডেপুটি বাজারের কামাল উদ্দীন, খানহাটের আবু তাহের ও গৌড়স্থান নয়াবাজারের জাহেদুল ইসলাম। দরাখাস্তকারী ইজারাদারদের অভিযোগ, পদুয়া তেওয়ারীহাটেও প্রতি ররিববার ও বুধবার পশু বেচাকেনা হয়ে আসছে। কিন্তু, উক্ত বাজারের ইজারাদার লোভে পড়ে ঈদুল আযহার পূর্বদিন পর্যন্ত পশু বেচা-কেনার অব্যাহত রাখার প্রচার চালাচ্ছেন। এব্যাপারে অভিযোগকারীগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

লোহাগাড়া প্রতিনিধি: কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে কর্মকারদের। কারণ, কোরবানির কাজে প্রয়োজনীয় দা-বাটি-চাপাটি ও ছুরি তৈরীর কাজে। এসব উপকরণের চাহিদা বেড়েছে, যারা কোরাবানি করেন তাদেরসহ অপরাপর ঘরেও। এসব যন্ত্র তৈরীতে দিনরাত কাজ করছেন কর্মকারেরা।

আগামী ১০ জুলাই রবিবার ঈদুল আযহা উদ্যাপিত হবে। এরই মাঝে লোহাগাড়ায় জমে উঠেছে পশুর হাট। বেচাকেনা হচ্ছে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল। ক্রেতাসাধারণ জানান, এবারে কোরবানির হাটে পশুর দাম ছড়া। প্রতিটি পশুর দাম হাঁকা হচ্ছে অধিক।

লোহাগাড়া উপজেলা সদরের দরবেশহাটসহ অন্যান্য হাটেও দা-চাপাতি, বটি ও ছুরি তৈরীর জন্য লোহা পেঠানোর শব্দে মুখরিত। দরবেশহাটে রয়েছে বেশ কয়েকটি কামারশালা। এছাড়াও লোহাগাড়া ইউনিয়নে কর্মকার পাড়ায়ও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রায় সবাই। দিনরাত জ¦লছে তাদের লোহা পোড়ানোর ভাতি। দরবেশহাটসহ উপজেলার অপরাপর এলাকায়ও কামাররা নিজ নিজ কামারশালার সামনে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রেখেছেন দা-চাপাতি, বাটি ও ছুরিসহ অন্যান্য ধারালো যন্ত্র। ক্রেতারাও এসব যন্ত্র কিনতে ভিড় করছেন কামারশালায়। ধার পরীক্ষা করছেন আঙুল দ্বারা।

দরবেশ হাটে কর্মরত লালমোহন কর্মকার জানান, ২০ বছরেরও অধিক সময় থেকে এ পেশায় জড়িত তিনি। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী ধারালো যন্ত্র তৈরি করে থাকেন। কোরবানি উপলক্ষে এসব যন্ত্রের চাহিদাও বাড়ে। বিক্রিও হয় ভালো। পশু জবাইয়ের জন্য তেলোয়ার আকারে বানানো হয় লম্বা ছুরি। প্রতিটির মূল্য ১২-১৩শ টাকা বলে জানান তিনি। এছাড়াও দা-বটি, চাপাতি ও ছুরির মূল্য প্রকারভেদে বিক্রি করা হয়। তবে, তা কেজিতে ওজন করে। প্রতি কেজির মূল্য ৭-৮শ টাকা।

লোহাগাড়ায় তালিকাভুক্ত হাটবাজারের বাইরেও বিভিন্নস্থানে কোরবানির পশু, বেচা-কেনা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে তালিকাভুক্ত হাটবাজারের ইজারাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এব্যাপারে প্রতিকার পেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা বরাবরে অভিযোগ করেছেন ৪জন ইজারাদার।

এর মধ্যে রয়েছেন দরবেশহাটের আবু তাহের, চুনতি ডেপুটি বাজারের কামাল উদ্দীন, খানহাটের আবু তাহের ও গৌড়স্থান নয়াবাজারের জাহেদুল ইসলাম। দরাখাস্তকারী ইজারাদারদের অভিযোগ, পদুয়া তেওয়ারীহাটেও প্রতি ররিববার ও বুধবার পশু বেচাকেনা হয়ে আসছে। কিন্তু, উক্ত বাজারের ইজারাদার লোভে পড়ে ঈদুল আযহার পূর্বদিন পর্যন্ত পশু বেচা-কেনার অব্যাহত রাখার প্রচার চালাচ্ছেন। এব্যাপারে অভিযোগকারীগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।