বান্দরবান প্রতিনিধি: ‘জেলা পরিষদের অধীনে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কোন ধরনের অনিয়ম হয়নি’ বলে দাবী করেছেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) সকালে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে জেলার ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই দাবী করেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন- এখন মেধাবী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। প্রতিযোগিতা হচ্ছে সরকারী চাকরীতে। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে টাকা আদায়সহ নানা প্রপ্রাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। এমন তথ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে আমাদের যুব ছাত্রসমাজকে উত্তেজিত করেছে।
তিনি আরো বলেন, পরীক্ষার হলে ছোটখাটো কিছু ত্রুটি দেখার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কোন ধরনের অনিয়মের সুযোগ দেয়া হয়নি। মন্ত্রণালয়সহ জেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে একটি স্বচ্ছ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কোটা পদ্ধতির কথা বিবেচনা করে রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় যোগ্য প্রার্থী নাথাকায় পরীক্ষার নাম্বার শীতিল করা হয়েছে। এই অবস্থায় প্রপাগান্ডা ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার হবে বলে জানান পরিষদের চেয়ারম্যান।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অন্যান্য জেলা পরিষদ সদস্য কাঞ্চন জয় তঞ্চঙ্গ্যাঁ, শেখ মাহবুবুর রহমান, শৈহ্লাচিং বাশৈচিং, সত্যহা পানজি ত্রিপুরা, নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিনারুল হক।
প্রসঙ্গত, জেলা পরিষদে সর্বশেষ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ‘‘প্রশ্নপত্র ফাঁস, অর্থের লেনদেন, কোটার নামে বাঙ্গালীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে’’ এমন সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ একটি প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। মিথ্যা প্রপাগান্ডা বিষয়টি পরিষ্কার করতে সাংবাদিকদের নিয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।




