নিজস্ব প্রতিবেদক:  শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে যোগ্য, দক্ষ ও মেধাবী জনশক্তি সৃষ্টিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। ইনকিউবেটরটি উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে ২৫০ জন উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তিগত সেবা ও পরামর্শ এবং আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে তাদের ব্যবসা ক্রমবিকাশে সহায়তা প্রদান করবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার ০৬ জুলাই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামাল স্মরণে খচিত শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর, শেখ জামাল ও রোজী জামাল ডরমেটরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্তাবধানে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১১৩ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ক্যাম্পাসের ৪.৭ একর জায়গার উপর দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন করা হলো।

শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার বর্গফুট করে ৫০ হাজার বর্গফুট আয়তনের ১০ তলাবিশিষ্ট একটি ইনকিউবেশন ভবন এবং ৩৬ হাজার বর্গফুটের ৬ তলাবিশিষ্ট মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবন তৈরি করা হয়েছে। ইনকিউবেশন ভবনে রয়েছে- স্টার্টআপ জোন, ইনোভেশন জোন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিক জোন, ব্রেইনস্ট্রর্মিং জোন, এক্সিবিশন সেন্টার, ই-লাইব্রেরি জোন, ডাটা সেন্টার, রিসার্চ ল্যাব, ভিডিও কনফারেন্সিং কক্ষ ও সভাকক্ষ।

এছাড়া ব্যাংক ও আইটি ফার্মের জন্য পৃথক কর্ণার, অত্যাধুনিক সাইবার ক্যাফে, ফুড কোর্ট, ক্যাফেটেরিয়া, রিক্রিয়েশন জোন, মেকার স্পেস, ডিসপে জোন ও মিডিয়া কাভারেজ জোনও আছে। অন্যদিকে মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবনে রয়েছে ২৫০ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন সুসজ্জিত অডিটোরিয়াম এবং ৫০ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পৃথক ৪টি কম্পিউটার ল্যাব কাম সেমিনার কক্ষ। শেখ জামাল ও রোজি জামালের নামে ৪ তলাবিশিষ্ট নারী পুরুষের জন্য পৃথক দুটি আবাসিক ডরমিটরি ভবন । স্থাপন করা হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ল্যাব, একটি মেশিন লার্নিং ল্যাব, একটি অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাকবোন, একটি সাব-স্টেশন ও সোলার প্যানেল।

উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রান্তে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন চট্টগ্রাম ৬ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য্য ড. মো. রফিকুল আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং উপকার ভোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ।

এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী আইটি বিজনিস ইনকিউবেটর পরিদর্শন যান ।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা শুধু রাউজানের জন্য নয় সমগ্র দেশের জন্য আরেকটি উপহার।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হচ্ছে একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণা উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য একটি কার্যকরী ব্যবস্থা। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) তৈরির মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ ইনকিউবেটর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে আমরা যে ডিজিটাল বাংলাদেশে বাস করছি তা গড়ার পেছনে একমাত্র হাত রয়েছে সজিব ওয়াজেদ জয়ের। তার কল্যাণেই আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্ভব হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা আমরা ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে শুনেছিলাম। আর বর্তমানে আমরা এতে বাস করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সজিব ওয়াজেদ জয় নির্দেশনা দিয়েছেন। উনার নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠিত হয়েছে। সজিব ওয়াজেদ জয় না থাকলে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশে বাস করতে পারতাম না। প্রধানমন্ত্রী মা হিসেবে সাপোর্ট দিয়ে গেছে আর সে তা বাস্তবায়ন করেছে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ইশতেহারে যা যা ঘোষণা দিয়েছেন তা একে একে বাস্তবায়ন হতে চলেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:  শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে যোগ্য, দক্ষ ও মেধাবী জনশক্তি সৃষ্টিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। ইনকিউবেটরটি উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে ২৫০ জন উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তিগত সেবা ও পরামর্শ এবং আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে তাদের ব্যবসা ক্রমবিকাশে সহায়তা প্রদান করবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার ০৬ জুলাই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামাল স্মরণে খচিত শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর, শেখ জামাল ও রোজী জামাল ডরমেটরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্তাবধানে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১১৩ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ক্যাম্পাসের ৪.৭ একর জায়গার উপর দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন করা হলো।

শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার বর্গফুট করে ৫০ হাজার বর্গফুট আয়তনের ১০ তলাবিশিষ্ট একটি ইনকিউবেশন ভবন এবং ৩৬ হাজার বর্গফুটের ৬ তলাবিশিষ্ট মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবন তৈরি করা হয়েছে। ইনকিউবেশন ভবনে রয়েছে- স্টার্টআপ জোন, ইনোভেশন জোন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিক জোন, ব্রেইনস্ট্রর্মিং জোন, এক্সিবিশন সেন্টার, ই-লাইব্রেরি জোন, ডাটা সেন্টার, রিসার্চ ল্যাব, ভিডিও কনফারেন্সিং কক্ষ ও সভাকক্ষ।

এছাড়া ব্যাংক ও আইটি ফার্মের জন্য পৃথক কর্ণার, অত্যাধুনিক সাইবার ক্যাফে, ফুড কোর্ট, ক্যাফেটেরিয়া, রিক্রিয়েশন জোন, মেকার স্পেস, ডিসপে জোন ও মিডিয়া কাভারেজ জোনও আছে। অন্যদিকে মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবনে রয়েছে ২৫০ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন সুসজ্জিত অডিটোরিয়াম এবং ৫০ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পৃথক ৪টি কম্পিউটার ল্যাব কাম সেমিনার কক্ষ। শেখ জামাল ও রোজি জামালের নামে ৪ তলাবিশিষ্ট নারী পুরুষের জন্য পৃথক দুটি আবাসিক ডরমিটরি ভবন । স্থাপন করা হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ল্যাব, একটি মেশিন লার্নিং ল্যাব, একটি অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাকবোন, একটি সাব-স্টেশন ও সোলার প্যানেল।

উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রান্তে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন চট্টগ্রাম ৬ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য্য ড. মো. রফিকুল আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং উপকার ভোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ।

এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটির সভাপতি, প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী আইটি বিজনিস ইনকিউবেটর পরিদর্শন যান ।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা শুধু রাউজানের জন্য নয় সমগ্র দেশের জন্য আরেকটি উপহার।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হচ্ছে একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণা উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য একটি কার্যকরী ব্যবস্থা। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) তৈরির মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ ইনকিউবেটর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে আমরা যে ডিজিটাল বাংলাদেশে বাস করছি তা গড়ার পেছনে একমাত্র হাত রয়েছে সজিব ওয়াজেদ জয়ের। তার কল্যাণেই আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্ভব হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা আমরা ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে শুনেছিলাম। আর বর্তমানে আমরা এতে বাস করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সজিব ওয়াজেদ জয় নির্দেশনা দিয়েছেন। উনার নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠিত হয়েছে। সজিব ওয়াজেদ জয় না থাকলে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশে বাস করতে পারতাম না। প্রধানমন্ত্রী মা হিসেবে সাপোর্ট দিয়ে গেছে আর সে তা বাস্তবায়ন করেছে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ইশতেহারে যা যা ঘোষণা দিয়েছেন তা একে একে বাস্তবায়ন হতে চলেছে।