নিজস্ব প্রতিবেদক: রাত পোহলেই শেষ হচ্ছে চট্টগ্রামের ৬ উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের প্রচারণা। শেষ সময়ে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছে প্রার্থীরা। এরই মধ্যে জমে উঠেছে প্রার্থীদের কথার লড়াই।

নবম ধাপের এই ইউপি নির্বাচনে বাঁশখালী উপজেলার ১৩ ইউপি ছাড়াও ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর, হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ, কর্ণফুলী উপজেলার চর পাথরঘাটা, পটিয়া উপজেলার ছনহরা ও আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সবার চোখ থাকবে বাঁশখালী উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে। এ উপজেলার প্রায় সবকটি ইউপিতেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করায় অপ্রীতিকর ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বিতর্কিত মন্তেব্যের জেরে চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ নিয়ে মন্তব্য করায় পুইঁছড়ি ইউপির আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের মাঠের উত্তাপ ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যানুযায়ী, বাঁশখালী উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে ১২৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৪টিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে পুকুরিয়ার ইউপির ১০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৫টি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২টি। সাধনপুরের ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৩টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, খানখানাবাদের ১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ৭টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, বাহারছড়ার ১০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, কালীপুরের ৯টি ভোটকেন্দ্রের ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, বৈলছড়ির ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৫টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, কাথরিয়ার ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, সরলের ১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, শীলকূপের ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৮টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, গন্ডামারার ১০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, পুঁইছড়ির ১২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৬টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, শেখেরখীলের ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ২টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ছনুয়ার ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ৩টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।

চট্টগ্রাম সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাঁশখালীসহ বিভিন্ন উপজেলার ইউপিগুলোতে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সতর্ক রয়েছে। আশা করছি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারবো। সব বাহিনীর ফোর্স বাড়িয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংখ্যক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাত পোহলেই শেষ হচ্ছে চট্টগ্রামের ৬ উপজেলার ১৮ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের প্রচারণা। শেষ সময়ে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছে প্রার্থীরা। এরই মধ্যে জমে উঠেছে প্রার্থীদের কথার লড়াই।

নবম ধাপের এই ইউপি নির্বাচনে বাঁশখালী উপজেলার ১৩ ইউপি ছাড়াও ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর, হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ, কর্ণফুলী উপজেলার চর পাথরঘাটা, পটিয়া উপজেলার ছনহরা ও আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সবার চোখ থাকবে বাঁশখালী উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে। এ উপজেলার প্রায় সবকটি ইউপিতেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করায় অপ্রীতিকর ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বিতর্কিত মন্তেব্যের জেরে চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ নিয়ে মন্তব্য করায় পুইঁছড়ি ইউপির আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের মাঠের উত্তাপ ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যানুযায়ী, বাঁশখালী উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে ১২৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৪টিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে পুকুরিয়ার ইউপির ১০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৫টি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২টি। সাধনপুরের ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৩টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, খানখানাবাদের ১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ৭টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, বাহারছড়ার ১০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, কালীপুরের ৯টি ভোটকেন্দ্রের ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, বৈলছড়ির ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৫টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, কাথরিয়ার ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, সরলের ১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, শীলকূপের ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৮টি ঝুঁকিপূর্ণ, ১টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, গন্ডামারার ১০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৪টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, পুঁইছড়ির ১২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩টি ঝুঁকিপূর্ণ, ৬টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, শেখেরখীলের ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ২টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ছনুয়ার ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ৩টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।

চট্টগ্রাম সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাঁশখালীসহ বিভিন্ন উপজেলার ইউপিগুলোতে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সতর্ক রয়েছে। আশা করছি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারবো। সব বাহিনীর ফোর্স বাড়িয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংখ্যক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করবেন।