ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার মধ্যে এক উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ওসির কক্ষে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় নিরাপত্তা না পাওয়া এবং নানা অনিয়মের বিষয়ে তথ্য জানতে রাতে সরাইল থানায় যান এমপি রুমিন ফারহানা।

থানায় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি ওসির বিরুদ্ধে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সরাসরি অভিযোগ তোলেন। এই অভিযোগের পরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনা চলাকালে ওসিকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, "আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনি আওয়ামী লীগের চোর।"

তবে ঘুষ গ্রহণের দাবিটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া। তাঁর দাবি, সংসদ সদস্যের সঙ্গে আসা ব্যক্তিটিকে আগের থেকেই শিখিয়ে আনা হয়েছিল। অন্যদিকে রুমিন ফারহানা পাল্টা অভিযোগ তুলে জানান, উক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর পাশাপাশি একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সঙ্গে ওসি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে ওসির বক্তব্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা শত শত লোক সঙ্গে নিয়ে থানায় প্রবেশ করে একটি অস্থির পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে তোলা দুর্নীতির সব অভিযোগই ভিত্তিহীন বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনার পর থেকে পুলিশি আচরণ, দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা ও এর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং একজন জনপ্রতিনিধির সঙ্গে প্রশাসনের সম্পর্কের সীমা নিয়ে নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে।

সরাইল থানার এ ঘটনা এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার মধ্যে এক উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ওসির কক্ষে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় নিরাপত্তা না পাওয়া এবং নানা অনিয়মের বিষয়ে তথ্য জানতে রাতে সরাইল থানায় যান এমপি রুমিন ফারহানা।

থানায় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি ওসির বিরুদ্ধে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সরাসরি অভিযোগ তোলেন। এই অভিযোগের পরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনা চলাকালে ওসিকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, "আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনি আওয়ামী লীগের চোর।"

তবে ঘুষ গ্রহণের দাবিটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া। তাঁর দাবি, সংসদ সদস্যের সঙ্গে আসা ব্যক্তিটিকে আগের থেকেই শিখিয়ে আনা হয়েছিল। অন্যদিকে রুমিন ফারহানা পাল্টা অভিযোগ তুলে জানান, উক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর পাশাপাশি একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সঙ্গে ওসি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে ওসির বক্তব্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা শত শত লোক সঙ্গে নিয়ে থানায় প্রবেশ করে একটি অস্থির পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে তোলা দুর্নীতির সব অভিযোগই ভিত্তিহীন বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনার পর থেকে পুলিশি আচরণ, দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা ও এর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং একজন জনপ্রতিনিধির সঙ্গে প্রশাসনের সম্পর্কের সীমা নিয়ে নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে।

সরাইল থানার এ ঘটনা এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।