তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত রেখেই ফেক নিউজ, প্রেক্ষাপটবিহীন সংবাদ এবং বিকৃত তথ্য নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের লক্ষ্য। বুধবার রাতে ভোলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধে সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ প্রাসঙ্গিক আইনি কাঠামোর আওতায় সরকার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়ায় সংবাদমাধ্যমের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ কেবল বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। তাই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যেন অক্ষুণ্ন থাকে, সেই ভারসাম্য বজায় রেখেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাতীয়তাবাদী সরকার সহমত ও সহাবস্থানে বিশ্বাসী। বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে বসবাস করবে—এমন পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি সব ধরনের ধর্মীয় উৎসবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ভোলার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মন্ত্রী শহরের বিকাশ মজুমদার বাড়ির পূজামণ্ডপ, অনুজকাহালী লেনের পূজামণ্ডপ, মদনমোহন মন্দির, ওয়েস্টার্ন পাড়ার শতদল বিকাশ ক্লাবসংলগ্ন পূজামণ্ডপ, মিহিরলাল সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপ, লক্ষ্মীগোবিন্দ মন্দির, বাপ্পা মাহাজনের পোল পূজামণ্ডপ, বাপ্তা শক্তি সংঘ পূজামণ্ডপ এবং সার্কুলার রোডের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজারিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উৎসবের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত রেখেই ফেক নিউজ, প্রেক্ষাপটবিহীন সংবাদ এবং বিকৃত তথ্য নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের লক্ষ্য। বুধবার রাতে ভোলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধে সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ প্রাসঙ্গিক আইনি কাঠামোর আওতায় সরকার কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, এই প্রক্রিয়ায় সংবাদমাধ্যমের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ কেবল বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। তাই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যেন অক্ষুণ্ন থাকে, সেই ভারসাম্য বজায় রেখেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাতীয়তাবাদী সরকার সহমত ও সহাবস্থানে বিশ্বাসী। বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে বসবাস করবে—এমন পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি সব ধরনের ধর্মীয় উৎসবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ভোলার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মন্ত্রী শহরের বিকাশ মজুমদার বাড়ির পূজামণ্ডপ, অনুজকাহালী লেনের পূজামণ্ডপ, মদনমোহন মন্দির, ওয়েস্টার্ন পাড়ার শতদল বিকাশ ক্লাবসংলগ্ন পূজামণ্ডপ, মিহিরলাল সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপ, লক্ষ্মীগোবিন্দ মন্দির, বাপ্পা মাহাজনের পোল পূজামণ্ডপ, বাপ্তা শক্তি সংঘ পূজামণ্ডপ এবং সার্কুলার রোডের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজারিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উৎসবের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।