ফ্রান্সে চলমান সহিংস বিক্ষোভ ও লুটপাটের ঘটনার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী শনিবারের সম্ভাব্য কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনিয়েজ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জাতীয় পরিষদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সহিংসতা দমনে সেন্তিনেল বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী জেন্ডার্মস সদস্যদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্ব পালনে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।
ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকোর্নু জানিয়েছেন, শনিবারে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিক্ষোভে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। তিনি কট্টর বামপন্থি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দাঙ্গা উস্কে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন। জাতীয় পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও শিক্ষা খাতের বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভের সুযোগ নিচ্ছে কট্টর বামপন্থি গোষ্ঠীগুলো। কিছু এলাকায় এসব গোষ্ঠীর নেতৃত্বে অভ্যুত্থানের তৎপরতাও লক্ষ্য করা গেছে। সরকার স্পষ্ট করেছে যে, এসব গোষ্ঠীকে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন অভিমুখে কোনো মিছিল করতে দেওয়া হবে না।
এর আগে সোমবার সেন্ট্রাল প্যারিসসহ ফ্রান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইয়ের কিছু এলাকা এবং আরও কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি করে বিক্ষোভ ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে মার্সেইয়ের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কারফিউ কার্যকর করার তথ্য পাওয়া গেছে। মার্সেই শহরে এ পর্যন্ত ১০১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।




