ঢাকা প্রতিনিধি: রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানী ও গুলশানের তরুণ-তরুণীদের কাছে এখন এক আতঙ্কের নাম ‘আরাভ’। ওপর তলার বিত্তশালী পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে কৌশলে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন ভয়ংকর মাদক ইয়াবা। সকাল হোক বা গভীর রাত—এক ফোনেই গ্রাহকের হাতে পৌঁছে যায় মাদকের চালান। দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসা এই অপতৎপরতায় ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বহু সম্ভাবনাময় জীবন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আরাভের আসল বাড়ি ধানমন্ডিতে হলেও তার মাদকের প্রধান সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে বনানী ও গুলশান এলাকা কেন্দ্র করে। মোহাম্মদপুরের আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মাদক কারবারিদের সাথে তার রয়েছে গভীর যোগাযোগ। মোহাম্মদপুর থেকে ইয়াবার চালান এনে তা সরবরাহ করা হয় অভিজাত এলাকার তরুণদের কাছে।

আরাভের ইয়াবা বিক্রির কৌশলও বেশ চতুর ও নাটকীয়। শুরুতে ধনী পরিবারের ছেলে-মেয়েদের বাকিতে ইয়াবা সরবরাহ করে নেশায় অভ্যস্ত করে তোলেন তিনি। পরবর্তীতে বকেয়া টাকার পরিমাণ মোটা অঙ্কের হলে তৈরি করেন মানসিক ও শারীরিক চাপ। টাকা পরিশোধ করতে না পারলে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয় ভুক্তভোগীদের ব্যয়বহুল মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও স্বর্ণালংকার।

আরাভের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁকফোকর দিয়ে জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি বারবার একই চক্রে ফিরে যান এবং পুরোদমে শুরু করেন মাদকের ব্যবসা। সর্বশেষ গত জুন মাসে বনানীর সৈনিক ক্লাব ট্রাফিক বক্সের সামনে থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি মোটরসাইকেলসহ আরাভকে ধাওয়া করে আটক করেন ট্রাফিক পুলিশের দুই সার্জেন্ট। আটককালে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা ও মামলা রুজুর জন্য ট্রাফিক সার্জেন্টরা আরাভকে বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

তবে অভিযোগ উঠেছে, থানায় হস্তান্তরের পর মোটা অঙ্কের অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে এই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয় বনানী থানা পুলিশ। ফলে পুলিশের ভূমিকা ও সদিচ্ছা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

অভিজাত এলাকাকে মাদকের থাবা থেকে মুক্ত করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে এই ভয়ংকর কারবারির বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ঢাকা প্রতিনিধি: রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানী ও গুলশানের তরুণ-তরুণীদের কাছে এখন এক আতঙ্কের নাম ‘আরাভ’। ওপর তলার বিত্তশালী পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে কৌশলে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন ভয়ংকর মাদক ইয়াবা। সকাল হোক বা গভীর রাত—এক ফোনেই গ্রাহকের হাতে পৌঁছে যায় মাদকের চালান। দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসা এই অপতৎপরতায় ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বহু সম্ভাবনাময় জীবন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আরাভের আসল বাড়ি ধানমন্ডিতে হলেও তার মাদকের প্রধান সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে বনানী ও গুলশান এলাকা কেন্দ্র করে। মোহাম্মদপুরের আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মাদক কারবারিদের সাথে তার রয়েছে গভীর যোগাযোগ। মোহাম্মদপুর থেকে ইয়াবার চালান এনে তা সরবরাহ করা হয় অভিজাত এলাকার তরুণদের কাছে।

আরাভের ইয়াবা বিক্রির কৌশলও বেশ চতুর ও নাটকীয়। শুরুতে ধনী পরিবারের ছেলে-মেয়েদের বাকিতে ইয়াবা সরবরাহ করে নেশায় অভ্যস্ত করে তোলেন তিনি। পরবর্তীতে বকেয়া টাকার পরিমাণ মোটা অঙ্কের হলে তৈরি করেন মানসিক ও শারীরিক চাপ। টাকা পরিশোধ করতে না পারলে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয় ভুক্তভোগীদের ব্যয়বহুল মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও স্বর্ণালংকার।

আরাভের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁকফোকর দিয়ে জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি বারবার একই চক্রে ফিরে যান এবং পুরোদমে শুরু করেন মাদকের ব্যবসা। সর্বশেষ গত জুন মাসে বনানীর সৈনিক ক্লাব ট্রাফিক বক্সের সামনে থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি মোটরসাইকেলসহ আরাভকে ধাওয়া করে আটক করেন ট্রাফিক পুলিশের দুই সার্জেন্ট। আটককালে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা ও মামলা রুজুর জন্য ট্রাফিক সার্জেন্টরা আরাভকে বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

তবে অভিযোগ উঠেছে, থানায় হস্তান্তরের পর মোটা অঙ্কের অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে এই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয় বনানী থানা পুলিশ। ফলে পুলিশের ভূমিকা ও সদিচ্ছা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

অভিজাত এলাকাকে মাদকের থাবা থেকে মুক্ত করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে এই ভয়ংকর কারবারির বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।