দি ক্রাইম ডেস্ক: নীলফামারীর সৈয়দপুরে অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে সকালে হাসপাতালে সন্তান প্রসব করে দুপুরে পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন আন্নাবিউল উম্মি নামে এক পরীক্ষার্থী ৷ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।

জানা যায়, আন্নাবিউল উম্মি সৈয়দপুর শহরের গোলাহাট এলাকার আজাহার আলীর মেয়ে এবং কয়া গোলাহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সমাজ বিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালের দিকে প্রসব ব্যথা শুরু হয় উম্মির। পরে স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি সন্তান প্রসব করেন। পরে দুপুরের দিকে সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিবকে বিষয়টি জানিয়ে শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। শেষে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বরত সচিব সেই পরীক্ষার্থীর নবজাতক সন্তানকে উপহার সামগ্রী দেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে হঠাৎ প্রসবব্যথা শুরু হলে দ্রুত আন্নাবিউল উম্মিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক সেবা নেওয়ার পর তিনি পরীক্ষা দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান। বিষয়টি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে দুপুরে তিনি পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশ নেন।

এ বিষয়ে আন্নাবিউল উম্মি বলেন, ‘অনেক কষ্ট হচ্ছিল, তবু পরীক্ষা মিস করতে চাইনি। এক বছরের পরিশ্রম যেন নষ্ট না হয়, তাই এ অবস্থায়ই পরীক্ষা দিতে এসেছি।’

এসময় সবার কাছে নিজের ও নিজের নবজাতক সন্তানের জন্য দোয়া চান উম্মি।

সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব শাহীদ শাহাব বলেন, ওই দিন সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার্থীর পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নবজাতক শিশুর জন্য শুভেচ্ছাস্বরূপ উপহারও দেওয়া হয়।

দি ক্রাইম ডেস্ক: নীলফামারীর সৈয়দপুরে অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে সকালে হাসপাতালে সন্তান প্রসব করে দুপুরে পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন আন্নাবিউল উম্মি নামে এক পরীক্ষার্থী ৷ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন তিনি।

জানা যায়, আন্নাবিউল উম্মি সৈয়দপুর শহরের গোলাহাট এলাকার আজাহার আলীর মেয়ে এবং কয়া গোলাহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সমাজ বিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালের দিকে প্রসব ব্যথা শুরু হয় উম্মির। পরে স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি সন্তান প্রসব করেন। পরে দুপুরের দিকে সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিবকে বিষয়টি জানিয়ে শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। শেষে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বরত সচিব সেই পরীক্ষার্থীর নবজাতক সন্তানকে উপহার সামগ্রী দেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে হঠাৎ প্রসবব্যথা শুরু হলে দ্রুত আন্নাবিউল উম্মিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক সেবা নেওয়ার পর তিনি পরীক্ষা দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান। বিষয়টি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে দুপুরে তিনি পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশ নেন।

এ বিষয়ে আন্নাবিউল উম্মি বলেন, ‘অনেক কষ্ট হচ্ছিল, তবু পরীক্ষা মিস করতে চাইনি। এক বছরের পরিশ্রম যেন নষ্ট না হয়, তাই এ অবস্থায়ই পরীক্ষা দিতে এসেছি।’

এসময় সবার কাছে নিজের ও নিজের নবজাতক সন্তানের জন্য দোয়া চান উম্মি।

সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব শাহীদ শাহাব বলেন, ওই দিন সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার্থীর পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নবজাতক শিশুর জন্য শুভেচ্ছাস্বরূপ উপহারও দেওয়া হয়।