কোলকাতা থেকে নিলয় চক্রবর্তী: অবশেষে ভারতজুড়ে ছাত্র আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। টিয়ার গ্যাস এবং লাঠিচার্জ! দিল্লির সহিংস আন্দোলনকারীদের দমন করতে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র টিয়ার গ্যাস এবং লাঠিচার্জ করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে একটা গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেনি, এমনকি রাবার বুলেটও না!

দিল্লির যন্তর মন্তর সহ যে সব পয়েন্টে আন্দোলন ছড়িয়েছে, প্রত্যেকটা পয়েন্টে প্রকাশ্যে সিসি ক্যামেরার ব্যবহার তো হয়েছেই, পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের একদল চৌকস সদস্য, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রশিক্ষিত অফিসার এবং র‍্যাফের ( র‍্যাপিড একশন ফোর্স) সমন্বয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রতিটি স্থানে, প্রতিটি মুভমেন্ট, এমনকি তাদের নিজেদের মধ্যে কথোপকথন সবকিছুই কৌশলে রেকর্ড করে ফেলা হয়েছে।

এই আন্দোলনের পিছনে অর্থের অভ্যন্তরীণ উৎস,আন্তর্জাতিক উৎস, কারা কারা পিছনে কলকাঠি নেড়েছে, কারা কারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উস্কানি দিয়েছে, কারা কিভাবে যুক্ত হয়েছে, কি পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়েছে, ভারতের বা ভারতের বাইরে কে, কারা বা কোন অপশক্তি শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে দিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে ফেলে দিতে চেয়েছিল, এমনকি ভারতকে ভেঙে টুকরো টুকরো করতে চেয়েছিল, এই মুহুর্তে সব তথ্য ভারত সরকারের হাতে চলে এসেছে।

একদিকে যখন বিগত ৫ দিন ধরে এসব মোকাবিলা করা হচ্ছে, অন্যদিকে ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্রের জাল যেন এর চাইতে বেশি বিস্তৃত হতে না পারে, তার জন্য নরেন্দ্র মোদীর রেকর্ড ব্রেকিং সেই দুইটি ভিডিওবার্তা! এই দুই ভিডিও বার্তা দিয়েই বলতে গেলে পুরো আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে ভারত সরকার।

নরেন্দ্র মোদীর ভিডিওবার্তা পরবর্তী সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙার পর এই আন্দোলন প্রায় স্তিমিত হয়ে গিয়েছিল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে তাদের ৩ টি দাবির মধ্যে গতকাল পর্যন্ত ২ টি যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া হয়। আস্তে আস্তে কংগ্রেস সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো সাইডে চলে যায়।

আন্দোলনকারীদের মধ্যে সালমান খান প্রথমেই পিছু হঠেছেন, অরিজিৎ সিংয়ের তর্জন গর্জনও গতকাল থেকে শোনা যাচ্ছেনা, শাবানা আজমী, প্রকাশ রাজ, পীযুষ মিশ্র, আলিয়া ভাটদের দৃশ্যমান আর কিছু এখন আর দেখা যাচ্ছেনা! আর আজ ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো ৫ দিনের শ্বাসরুদ্ধকর একটা উত্তেজনা!

অবশ্যই, ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ প্রত্যাশিতই ছিল কারণ প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় মন্ত্রী হিসেবে তিনি কোনভাবেই দায় এড়াতে পারেন না।

একটা বুলেট খরচ ছাড়া যে দেশের সরকার মাত্র ৫ কার্যদিবসে এ ধরণের একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে, কোন পরাশক্তির রক্তচক্ষুকে পরোয়া করার প্রয়োজন তাদের নেই। বরং তাদের কাছ থেকে আগামী ১০০ বছরে বহু দেশ শিক্ষা নিবে কিভাবে বাইরের পরাশক্তির ফান্ডিং সত্ত্বেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার টিকিয়ে রাখা যায়, কিভাবে নিজের দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা যায়।

কোলকাতা থেকে নিলয় চক্রবর্তী: অবশেষে ভারতজুড়ে ছাত্র আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। টিয়ার গ্যাস এবং লাঠিচার্জ! দিল্লির সহিংস আন্দোলনকারীদের দমন করতে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র টিয়ার গ্যাস এবং লাঠিচার্জ করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে একটা গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেনি, এমনকি রাবার বুলেটও না!

দিল্লির যন্তর মন্তর সহ যে সব পয়েন্টে আন্দোলন ছড়িয়েছে, প্রত্যেকটা পয়েন্টে প্রকাশ্যে সিসি ক্যামেরার ব্যবহার তো হয়েছেই, পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের একদল চৌকস সদস্য, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রশিক্ষিত অফিসার এবং র‍্যাফের ( র‍্যাপিড একশন ফোর্স) সমন্বয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রতিটি স্থানে, প্রতিটি মুভমেন্ট, এমনকি তাদের নিজেদের মধ্যে কথোপকথন সবকিছুই কৌশলে রেকর্ড করে ফেলা হয়েছে।

এই আন্দোলনের পিছনে অর্থের অভ্যন্তরীণ উৎস,আন্তর্জাতিক উৎস, কারা কারা পিছনে কলকাঠি নেড়েছে, কারা কারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উস্কানি দিয়েছে, কারা কিভাবে যুক্ত হয়েছে, কি পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়েছে, ভারতের বা ভারতের বাইরে কে, কারা বা কোন অপশক্তি শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে দিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে ফেলে দিতে চেয়েছিল, এমনকি ভারতকে ভেঙে টুকরো টুকরো করতে চেয়েছিল, এই মুহুর্তে সব তথ্য ভারত সরকারের হাতে চলে এসেছে।

একদিকে যখন বিগত ৫ দিন ধরে এসব মোকাবিলা করা হচ্ছে, অন্যদিকে ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্রের জাল যেন এর চাইতে বেশি বিস্তৃত হতে না পারে, তার জন্য নরেন্দ্র মোদীর রেকর্ড ব্রেকিং সেই দুইটি ভিডিওবার্তা! এই দুই ভিডিও বার্তা দিয়েই বলতে গেলে পুরো আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে ভারত সরকার।

নরেন্দ্র মোদীর ভিডিওবার্তা পরবর্তী সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙার পর এই আন্দোলন প্রায় স্তিমিত হয়ে গিয়েছিল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে তাদের ৩ টি দাবির মধ্যে গতকাল পর্যন্ত ২ টি যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া হয়। আস্তে আস্তে কংগ্রেস সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো সাইডে চলে যায়।

আন্দোলনকারীদের মধ্যে সালমান খান প্রথমেই পিছু হঠেছেন, অরিজিৎ সিংয়ের তর্জন গর্জনও গতকাল থেকে শোনা যাচ্ছেনা, শাবানা আজমী, প্রকাশ রাজ, পীযুষ মিশ্র, আলিয়া ভাটদের দৃশ্যমান আর কিছু এখন আর দেখা যাচ্ছেনা! আর আজ ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো ৫ দিনের শ্বাসরুদ্ধকর একটা উত্তেজনা!

অবশ্যই, ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ প্রত্যাশিতই ছিল কারণ প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় মন্ত্রী হিসেবে তিনি কোনভাবেই দায় এড়াতে পারেন না।

একটা বুলেট খরচ ছাড়া যে দেশের সরকার মাত্র ৫ কার্যদিবসে এ ধরণের একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে, কোন পরাশক্তির রক্তচক্ষুকে পরোয়া করার প্রয়োজন তাদের নেই। বরং তাদের কাছ থেকে আগামী ১০০ বছরে বহু দেশ শিক্ষা নিবে কিভাবে বাইরের পরাশক্তির ফান্ডিং সত্ত্বেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার টিকিয়ে রাখা যায়, কিভাবে নিজের দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা যায়।