স্বাধীন সরকার,ঢাকা: রাজধানীর বনানী থানার আওতাধীন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কড়াইল বস্তি ও সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে সাধারণ বাসিন্দাদের মাঝে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ক্ষমতার রদবদল হলেও অবৈধ কারেন্ট ব্যবসার লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেত্রী রেশমি বেগমের হাত থেকে এই লাভজনক ও অবৈধ কারেন্ট কারবারের নিয়ন্ত্রণ এখন চলে গেছে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক কবির মিয়ার হাতে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কড়াইলের মোশারফ বাজার সংলগ্ন ‘স্যাটেলাইট পশ্চিম পাড়া’ এলাকায় একটি আবাসিক প্রিপেইড মিটার সংযোগ ব্যবহার করে পুরো এলাকার শতাধিক বাসা-বাড়িতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একটি মাত্র বৈধ্য মিটার থেকে ডজন ডজন সংযোগের মাধ্যমে মূল মিটারের ওপর বিপজ্জনক মাত্রায় ওভারলোড তৈরি করা হচ্ছে। এর বিনিময়ে রিকশা চালক, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের বাসিন্দাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে নতুন এই সিন্ডিকেট। শুধু অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবসাই নয়, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর কড়াইল এলাকায় আত্মগোপনে থাকা একাধিক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি-ঘর ও সম্পত্তির ‘পাহাড়াদার’ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে যুবদল নেতা কবির মিয়ার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার ছত্রছায়ায় এসব সম্পত্তি দেখভালের নামে তিনি সেখানে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছেন। অস্থায়ী ও অপরিকল্পিত তারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ায় কড়াইল ও আশপাশের এলাকায় প্রতিনিয়ত অগ্নিকাণ্ড ও প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কড়াইল পশ্চিম পাড়ার এক ডেকোরেটর ব্যবসায়ী বলেন, “আগে রেশমি আপারে টাকা দেওয়া লাগত, এহন কবির ভাইয়ের লোকজনেরে দেওয়া লাগে। আমাগো তো বিদ্যুৎ লাগে, তাই বাধ্য হইয়া টাকা দেই। মিটার একটাই, কিন্তু তার গেছে শয়ে শয়ে।”

কবির মিয়া (আহ্বায়ক, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল) বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি কোনো অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবসার সাথে যুক্ত নই এবং কোনো পলাতক আওয়ামী লীগ নেতার ঘরবাড়িও পাহারা দিচ্ছি না। দলীয়ভাবে আমাকে হেয় করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে।”

ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (নির্বাহী প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ অঞ্চল – ডেসকো) বলেন, “একটি আবাসিক বা প্রিপেইড মিটার থেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা একাধিক পরিবারে বিদ্যুৎ পুনঃবিক্রি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। মোশারফ বাজার বা স্যাটেলাইট পশ্চিম পাড়ায় একটি মিটারের বিপরীতে অবৈধ সংযোগের বিষয়টিতে আমরা দ্রুত অভিযান চালাব। সত্যতা পাওয়া গেলে সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বনানী থানা) বলেন, “অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কারণে এলাকাটিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থাকে। এটি আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। এ ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা কোনো প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের নামে অবৈধ চাঁদাবাজির খবর পেলে আমরা বিদ্যুৎ বিভাগের সহায়তায় দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”

স্বাধীন সরকার,ঢাকা: রাজধানীর বনানী থানার আওতাধীন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কড়াইল বস্তি ও সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে সাধারণ বাসিন্দাদের মাঝে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ক্ষমতার রদবদল হলেও অবৈধ কারেন্ট ব্যবসার লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেত্রী রেশমি বেগমের হাত থেকে এই লাভজনক ও অবৈধ কারেন্ট কারবারের নিয়ন্ত্রণ এখন চলে গেছে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক কবির মিয়ার হাতে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কড়াইলের মোশারফ বাজার সংলগ্ন ‘স্যাটেলাইট পশ্চিম পাড়া’ এলাকায় একটি আবাসিক প্রিপেইড মিটার সংযোগ ব্যবহার করে পুরো এলাকার শতাধিক বাসা-বাড়িতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একটি মাত্র বৈধ্য মিটার থেকে ডজন ডজন সংযোগের মাধ্যমে মূল মিটারের ওপর বিপজ্জনক মাত্রায় ওভারলোড তৈরি করা হচ্ছে। এর বিনিময়ে রিকশা চালক, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের বাসিন্দাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে নতুন এই সিন্ডিকেট। শুধু অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবসাই নয়, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর কড়াইল এলাকায় আত্মগোপনে থাকা একাধিক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি-ঘর ও সম্পত্তির ‘পাহাড়াদার’ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে যুবদল নেতা কবির মিয়ার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার ছত্রছায়ায় এসব সম্পত্তি দেখভালের নামে তিনি সেখানে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছেন। অস্থায়ী ও অপরিকল্পিত তারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ায় কড়াইল ও আশপাশের এলাকায় প্রতিনিয়ত অগ্নিকাণ্ড ও প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কড়াইল পশ্চিম পাড়ার এক ডেকোরেটর ব্যবসায়ী বলেন, “আগে রেশমি আপারে টাকা দেওয়া লাগত, এহন কবির ভাইয়ের লোকজনেরে দেওয়া লাগে। আমাগো তো বিদ্যুৎ লাগে, তাই বাধ্য হইয়া টাকা দেই। মিটার একটাই, কিন্তু তার গেছে শয়ে শয়ে।”

কবির মিয়া (আহ্বায়ক, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল) বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি কোনো অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবসার সাথে যুক্ত নই এবং কোনো পলাতক আওয়ামী লীগ নেতার ঘরবাড়িও পাহারা দিচ্ছি না। দলীয়ভাবে আমাকে হেয় করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে।”

ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (নির্বাহী প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ অঞ্চল – ডেসকো) বলেন, “একটি আবাসিক বা প্রিপেইড মিটার থেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা একাধিক পরিবারে বিদ্যুৎ পুনঃবিক্রি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। মোশারফ বাজার বা স্যাটেলাইট পশ্চিম পাড়ায় একটি মিটারের বিপরীতে অবৈধ সংযোগের বিষয়টিতে আমরা দ্রুত অভিযান চালাব। সত্যতা পাওয়া গেলে সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বনানী থানা) বলেন, “অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কারণে এলাকাটিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থাকে। এটি আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। এ ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা কোনো প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের নামে অবৈধ চাঁদাবাজির খবর পেলে আমরা বিদ্যুৎ বিভাগের সহায়তায় দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”