ইফতেখার,নগর প্রতিবেদক: নগরের শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারের নিচে লালখান বাজার থকে মুরাদপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবীদের আড্ডা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে উৎবেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ফ্লাইওভারের নিচের নির্জন ও অন্ধকার অংশগুলোতে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে বলে অভিযোগ তাদের।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ফ্লাইওভারের নিচের কিছু অংশে পযাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় রাত বাড়ার সাথে সাথে মানুষের চলাচল কমে যায়। এ সুযোগে সেখানে সন্দেহজনক বিভিন্ন মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি স্থানে মাদক সেবনের পাশাপাশি পথচারীদের কাছ থকে মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
নিয়মিত এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী কয়েকজন পথচারী জানান, দিনের বেলায় পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক থাকলেও সন্ধ্যার পর ফ্লাইওভারের নিচের কিছু অংশে চলাচলের সময় তারা আতঙ্কে থাকেন। বিশেষ করে একা পথচারী ও নারী যাত্রীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে পথচারীরা শংকিত।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ প্রতিবেদককে বলেন, “ফ্লাইওভারের নিচে নিয়মিত পুলিশি টহল বাড়ানো এবং পযাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা জরুরি। রাতে অনেকেই নিরাপত্তার কারণে এড়িয়ে চলেন।”
আরেক পথচারী বলেন, “এখানে নিয়মিত নজরদারি থাকলে মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের আনাগোনা কমানো সম্ভব। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফ্লাইওভারের নিচে নিয়মিত পুলিশি টহলের পাশাপাশি সিসিটিিভ ক্যামেরার আওতা বাড়ানো, পযাপ্ত সড়কবাতি স্থাপন এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা প্রয়োজন। একই সাথে ছিনতাইয়ের অভিযোগগুলো তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তাদের প্রত্যাশা, শহীদ ওয়াসিম আকরাম ফ্লাইওভারের নিচের লালখান বাজার থকে মুরাদপুর পর্যন্ত এলাকায় নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা একান্ত আবশ্যক।




