দি ক্রাইম প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জলাবদ্ধতা কমাতে এবং বর্ষা মৌসুম জুড়ে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখতে মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়িয়েছেন। চলমান ড্রেনেজ উন্নয়ন প্রকল্প, খাল, কালভার্ট এবং অন্যান্য জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা নিয়মিত পরিদর্শনও করছেন এবং বৃষ্টির পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলেই প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও প্রকল্প কর্মকর্তাদের অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়াসহ তিনি নিজেই নিরলসভাবে মনিটরিং করছেন।

সুত্রে জানা গেছে,সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস ছালামের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে জলবদ্ধতা প্রকল্পটি নগরবাসীর গোঁদের উপর বিঁষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের সুফল থেকে নগরবাসী এখনো বঞ্চিত। তৎসময়ে সরকারের বিশেষ একটি বিশেষ বাহিনীকে সম্পৃক্ত না করে লট আকারে ভাগ করে সিভিল ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজগুলো বন্টন করে দিলে সঠিক সময়ে এই জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা যেতো। সাবেক চেয়াম্যানের অতিলোভের কারণে চউকের ভাবমূর্তি নষ্ঠ হচ্ছে।

সুত্র মতে, শহরের বিভিন্ন অংশে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা বিশেষ পর্যবেক্ষণ দল মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে ড্রেনেজ চ্যানেল পরিদর্শন, বন্ধ হয়ে যাওয়া খাল পরিষ্কার করা, জমে থাকা পলি ও বর্জ্য অপসারণ এবং অস্থায়ী নির্মাণ প্রতিবন্ধক যেন বৃষ্টির পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি না করে তা নিশ্চিত করা।

পরিদর্শনকালে প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন জোর দিয়ে বলেন যে, বর্ষাকালে বাসিন্দাদের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করা সিডিএ-র অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।“বর্ষাকালে জনগণের দুর্ভোগ কমানোই আমাদের অঙ্গিকার। আমরা শুধু আমাদের দপ্তর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি না—আমরা মাঠে নেমে কাজ পরিদর্শন করছি এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং নগরবাসীসহ সকল অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি জনগণকে খাল ও নর্দমায় গৃহস্থালীর বর্জ্য বা নির্মাণ কাজের ধ্বংসাবশেষ না ফেলার আহ্বান জানান। বর্ষাকালে শহরাঞ্চলে বন্যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, পুরো বর্ষাকাল জুড়ে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, চলমান খাল পুনরুদ্ধার এবং ড্রেনেজ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সম্পূর্ণরূপে সম্পন্ন হলে, ভারী বৃষ্টিপাত মোকাবেলায় চট্টগ্রাম মহানগরের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা শহরজুড়ে জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি এবং সময়কাল উভয়ই হ্রাস করবে।

তিনি আরও বলেন,ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে যখনই কোনো স্থানে বন্যা দেখা দেবে, তখনই যেন বিলম্ব না করে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তা নিশ্চিত করতে প্রকৌশলী এবং প্রকল্প কর্মকর্তাদের উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

তত্বাবদায়ক প্রকৌশলী এম এন হাবিবুর রহমান এ প্রতিবেদকে জানান, বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই খাল পরিষ্কার এবং নর্দমা রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপক কাজ করা হয়েছে। প্রধান খালগুলোর পানি বহন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ পলি, বর্জ্য এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়েছে, এবং নিকটবর্তী খাল ও নদীতে নিরবচ্ছিন্ন পানি নিষ্কাশনের সুবিধার্থে নর্দমার মুখগুলো খোলা রাখা হয়েছে।কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারদের বর্ষাকাল সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ ড্রেনেজ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে বিলম্ব না হয়। ড্রেন বা খালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী নির্মাণ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা অবিলম্বে অপসারণ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের সময় সমন্বিত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে সিডিএ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (সিসি), জেলা প্রশাসন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখছে।

উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈছা আনচারী এ প্রতিবেদককে বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সমস্যা কমাতে টেকসই নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত খাল রক্ষণাবেক্ষণ এবং সমন্বিত নগর উন্নয়ন অপরিহার্য।তিনি বিশ্বাস করেন, আধুনিক নিষ্কাশন অবকাঠামোতে ক্রমাগত বিনিয়োগ ভারীবর্ষণের বিরুদ্ধে শহরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জলবদ্ধতা প্রকল্পের পরিচালক আহাম্মদ মাঈনুদ্দীন এ প্রতিবেদকে বলেন,সংশ্লিষ্ঠদের এই ধরনের সহযোগিতার ফলে কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেশ কয়েকটি স্থানীয় জলাবদ্ধতার ঘটনা আরও দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রকল্প কর্মকর্তা রাজীব দাশ এ প্রতিবেদককে বলেন, চলমান অবকাঠামো উন্নয়নের কারণে কিছু স্থানে সাময়িকভাবে পানি জমতে পারে। তবে,এই ধরনের পরিস্থিতি দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব স্বাভাবিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল নিয়োগ করা হয়েছে।

দি ক্রাইম প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরজুড়ে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জলাবদ্ধতা কমাতে এবং বর্ষা মৌসুম জুড়ে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখতে মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়িয়েছেন। চলমান ড্রেনেজ উন্নয়ন প্রকল্প, খাল, কালভার্ট এবং অন্যান্য জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা নিয়মিত পরিদর্শনও করছেন এবং বৃষ্টির পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলেই প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও প্রকল্প কর্মকর্তাদের অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়াসহ তিনি নিজেই নিরলসভাবে মনিটরিং করছেন।

সুত্রে জানা গেছে,সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস ছালামের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে জলবদ্ধতা প্রকল্পটি নগরবাসীর গোঁদের উপর বিঁষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের সুফল থেকে নগরবাসী এখনো বঞ্চিত। তৎসময়ে সরকারের বিশেষ একটি বিশেষ বাহিনীকে সম্পৃক্ত না করে লট আকারে ভাগ করে সিভিল ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজগুলো বন্টন করে দিলে সঠিক সময়ে এই জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা যেতো। সাবেক চেয়াম্যানের অতিলোভের কারণে চউকের ভাবমূর্তি নষ্ঠ হচ্ছে।

সুত্র মতে, শহরের বিভিন্ন অংশে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা বিশেষ পর্যবেক্ষণ দল মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে ড্রেনেজ চ্যানেল পরিদর্শন, বন্ধ হয়ে যাওয়া খাল পরিষ্কার করা, জমে থাকা পলি ও বর্জ্য অপসারণ এবং অস্থায়ী নির্মাণ প্রতিবন্ধক যেন বৃষ্টির পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি না করে তা নিশ্চিত করা।

পরিদর্শনকালে প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন জোর দিয়ে বলেন যে, বর্ষাকালে বাসিন্দাদের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করা সিডিএ-র অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।“বর্ষাকালে জনগণের দুর্ভোগ কমানোই আমাদের অঙ্গিকার। আমরা শুধু আমাদের দপ্তর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি না—আমরা মাঠে নেমে কাজ পরিদর্শন করছি এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানেই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং নগরবাসীসহ সকল অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি জনগণকে খাল ও নর্দমায় গৃহস্থালীর বর্জ্য বা নির্মাণ কাজের ধ্বংসাবশেষ না ফেলার আহ্বান জানান। বর্ষাকালে শহরাঞ্চলে বন্যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, পুরো বর্ষাকাল জুড়ে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, চলমান খাল পুনরুদ্ধার এবং ড্রেনেজ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সম্পূর্ণরূপে সম্পন্ন হলে, ভারী বৃষ্টিপাত মোকাবেলায় চট্টগ্রাম মহানগরের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা শহরজুড়ে জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি এবং সময়কাল উভয়ই হ্রাস করবে।

তিনি আরও বলেন,ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে যখনই কোনো স্থানে বন্যা দেখা দেবে, তখনই যেন বিলম্ব না করে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়, তা নিশ্চিত করতে প্রকৌশলী এবং প্রকল্প কর্মকর্তাদের উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

তত্বাবদায়ক প্রকৌশলী এম এন হাবিবুর রহমান এ প্রতিবেদকে জানান, বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই খাল পরিষ্কার এবং নর্দমা রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপক কাজ করা হয়েছে। প্রধান খালগুলোর পানি বহন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ পলি, বর্জ্য এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়েছে, এবং নিকটবর্তী খাল ও নদীতে নিরবচ্ছিন্ন পানি নিষ্কাশনের সুবিধার্থে নর্দমার মুখগুলো খোলা রাখা হয়েছে।কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারদের বর্ষাকাল সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ ড্রেনেজ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে বিলম্ব না হয়। ড্রেন বা খালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী নির্মাণ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা অবিলম্বে অপসারণ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের সময় সমন্বিত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে সিডিএ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (সিসি), জেলা প্রশাসন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখছে।

উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈছা আনচারী এ প্রতিবেদককে বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সমস্যা কমাতে টেকসই নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত খাল রক্ষণাবেক্ষণ এবং সমন্বিত নগর উন্নয়ন অপরিহার্য।তিনি বিশ্বাস করেন, আধুনিক নিষ্কাশন অবকাঠামোতে ক্রমাগত বিনিয়োগ ভারীবর্ষণের বিরুদ্ধে শহরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জলবদ্ধতা প্রকল্পের পরিচালক আহাম্মদ মাঈনুদ্দীন এ প্রতিবেদকে বলেন,সংশ্লিষ্ঠদের এই ধরনের সহযোগিতার ফলে কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেশ কয়েকটি স্থানীয় জলাবদ্ধতার ঘটনা আরও দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রকল্প কর্মকর্তা রাজীব দাশ এ প্রতিবেদককে বলেন, চলমান অবকাঠামো উন্নয়নের কারণে কিছু স্থানে সাময়িকভাবে পানি জমতে পারে। তবে,এই ধরনের পরিস্থিতি দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব স্বাভাবিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল নিয়োগ করা হয়েছে।