দি ক্রাইম ডেস্ক: হেয়ার কাট বাতিল ও পুরো মুনাফাসহ আমানত ফিরে পেতে নগরীর নিউমার্কেট মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা। গতকাল বেলা ১১টার দিকে ‘সম্মিলিত পাঁচ ইসলামিক ব্যাংক ডিপোজিটরস অ্যাসোসিয়েশন’র ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নিউমার্কেট মোড় থেকে মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন আমানতকারীরা। পরে সেখান থেকে তাদের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়িত্বরত পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে দাবি তুলে ধরে। গভর্নরের বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।

বিক্ষোভকালে আমানতকারীরা ‘হই হই রই রই, আমানতের টাকা গেল কই’; ‘আমার টাকা ব্যাংকে, আমি কেন রাস্তায়’, ‘হেয়ার কাট, হেয়ার কাট, মানি না মানব না’–সহ নানা স্লোগান দেন।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি শারমিন আক্তার বলেন, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছি। আমরা আমাদের ন্যায্য অর্থের জন্যে আন্দোলন করছি। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া না হলে, আমরা কঠিন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।

জানা গেছে, বেসরকারি শরীয়াভিত্তিক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে গত বছর রাষ্ট্রায়ত্ত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়। এরপর গত দুই অর্থবছরের আমানতের বিপরীতে কোনো মুনাফা না দেওয়ার ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ‘হেয়ার কাট’ পদ্ধতিতে তা বাতিল করা হয়। পরে আন্দোলনের মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমানতকারীদের দাবি–গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ‘হেয়ার কাট’ (টাকা কর্তন) অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে, ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে ও ব্যাংকে রক্ষিত গ্রাহকদের আমানতের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ব্যাংকে হেয়ার কাট বাতিল এবং লেনদেন স্বাভাবিক করার দাবিতে চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন আমানতকারীরা। ব্যাংকগুলো হলো এঙ্মি ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।

দি ক্রাইম ডেস্ক: হেয়ার কাট বাতিল ও পুরো মুনাফাসহ আমানত ফিরে পেতে নগরীর নিউমার্কেট মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা। গতকাল বেলা ১১টার দিকে ‘সম্মিলিত পাঁচ ইসলামিক ব্যাংক ডিপোজিটরস অ্যাসোসিয়েশন’র ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নিউমার্কেট মোড় থেকে মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন আমানতকারীরা। পরে সেখান থেকে তাদের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়িত্বরত পরিচালকের কার্যালয়ে গিয়ে দাবি তুলে ধরে। গভর্নরের বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা।

বিক্ষোভকালে আমানতকারীরা ‘হই হই রই রই, আমানতের টাকা গেল কই’; ‘আমার টাকা ব্যাংকে, আমি কেন রাস্তায়’, ‘হেয়ার কাট, হেয়ার কাট, মানি না মানব না’–সহ নানা স্লোগান দেন।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি শারমিন আক্তার বলেন, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছি। আমরা আমাদের ন্যায্য অর্থের জন্যে আন্দোলন করছি। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া না হলে, আমরা কঠিন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হব।

জানা গেছে, বেসরকারি শরীয়াভিত্তিক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে গত বছর রাষ্ট্রায়ত্ত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়। এরপর গত দুই অর্থবছরের আমানতের বিপরীতে কোনো মুনাফা না দেওয়ার ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ‘হেয়ার কাট’ পদ্ধতিতে তা বাতিল করা হয়। পরে আন্দোলনের মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমানতকারীদের দাবি–গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ‘হেয়ার কাট’ (টাকা কর্তন) অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে, ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে ও ব্যাংকে রক্ষিত গ্রাহকদের আমানতের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচ ব্যাংকে হেয়ার কাট বাতিল এবং লেনদেন স্বাভাবিক করার দাবিতে চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন আমানতকারীরা। ব্যাংকগুলো হলো এঙ্মি ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।