দি ক্রাইম ডেস্ক: নগরের বাকলিয়া থানার ডিসি রোড এলাকায় প্রায় ১৭ বছর আগে সংঘটিত পলাশ হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৯ জুন) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মাহমুদুল হাসান প্রকাশ সোহেল ও আইয়ুব আলী প্রকাশ বাবুল।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, মামলায় ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দুই আসামিকে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই পলাতক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০০৯ সালের ২৭ আগস্ট আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মো. পলাশকে নগরের বাকলিয়া থানার ডিসি রোড এলাকার জামাল বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় নিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় পরদিন ২৮ আগস্ট নিহতের ভাই মো. সম্রাট বাকলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে ২০১২ সালের ১২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। মামলাটি প্রথমে বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন থাকলেও পরে চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

দি ক্রাইম ডেস্ক: নগরের বাকলিয়া থানার ডিসি রোড এলাকায় প্রায় ১৭ বছর আগে সংঘটিত পলাশ হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৯ জুন) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মাহমুদুল হাসান প্রকাশ সোহেল ও আইয়ুব আলী প্রকাশ বাবুল।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, মামলায় ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দুই আসামিকে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই পলাতক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০০৯ সালের ২৭ আগস্ট আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মো. পলাশকে নগরের বাকলিয়া থানার ডিসি রোড এলাকার জামাল বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় নিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় পরদিন ২৮ আগস্ট নিহতের ভাই মো. সম্রাট বাকলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে ২০১২ সালের ১২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। মামলাটি প্রথমে বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন থাকলেও পরে চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।