নিজস্ব প্রতিবেদক: হুকুম দখল চট্টগ্রামবাসীর সতিন কাঁটা বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। আজ মঙ্গলবার (২৯ মার্চ ) সকালে এম এ আজিজ সড়কের দক্ষিণ হালিশহর নারিকেল তলা এলাকায় এল এ মামলা নং-০৯/১৫-১৬ এর অধিগ্রহণকৃত জায়গার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর এক মানববন্ধনে উপরোক্ত মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নানামুখী উন্নয়ন কর্মকান্ডের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নানামুখী উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল এখন মানুষের দোরগোড়ায়। সাবমেরিন, পদ্মা সেতু, পায়রা বন্দর, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, উড়াল সেতুসহ বৃহৎ উন্নয়ন কর্মকান্ডসমূহ পরিচালনা করেছে বর্তমান সরকার। অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলোকে বাঁধাগ্রস্ত করছে এক শ্রেণীর লোভী সিন্ডিকেট চক্র। এসব মামলাবাজ সিন্ডিকেট চক্রের সাথে প্রত্যক্ষভাবে আঁতাত রয়েছে এল এ অফিসের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের।
সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, সে রকম একটি চক্রের মামলার ফাঁদে পড়ে বছর ধরে হুকুম দখলের টাকা থেকে বঞ্চিত রয়েছে শতাধিকেরও বেশি পরিবার। ইতিপূর্বে নৌবাহিনীর ঘাটি নির্মাণ এবং স্টীলমিল প্রতিষ্ঠার সময় উক্ত পরিবারগুলোর জায়গা হুকুম দখল করে বর্তমান জায়গায় রেজিষ্ট্রি মূলে দখল দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি পরিবারগুলো আবারো উচ্ছেদ আতংকে রয়েছে। যে কোন সময় তাদেরকে বসতি থেকে উচ্ছেদ করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। অথচ তারা এখনো পর্যন্ত হুকুম দখলের টাকাও বুঝে পায়নি। এতে করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত হুকুম দখলের শর্ত লংঘন করা হচ্ছে পুরোপুরিভাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ছিল পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ ছাড়া কাউকে উচ্ছেদ করা যাবে না। কিন্তু ঐ ভূয়া মামলাবাজ সিন্ডিকেটের মামলার কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে হুকুম দখলের টাকা উত্তোলনে বাঁধা প্রদান করা হচ্ছে। এতে করে বে-টার্মিনালসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় আটকে রয়েছে। ফলত চট্টগ্রামকে আধুনিক রূপে গড়ে তোলার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন তা নস্যাত হতে চলেছে। এসব মামলাবাজ সিন্ডিকেট চক্রটি উন্নয়নের শত্রু।
তিনি আরো বলেন চট্টগ্রামের তিন চতুর্থাংশ জায়গা দখল করে রেখেছে বিভিন্ন সংস্থা। চট্টগ্রামবাসী এখন নিজ দেশে পরবাসী। অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য তারা জায়গা ছাড় দিতে রাজী হলেও ক্ষতিপূরনের টাকা বুঝিয়ে না দিয়েই পরিবারগুলোকে উচ্ছেদ করতে চায় বিভিন্ন সংস্থা। এসব মামলাবাজ সিন্ডিকেট প্রকাশ্যে পার্সেন্টেজ দাবী করছে এবং দাবীকৃত টাকা পরিশোধ না করলে মামলা প্রত্যাহার করা হবে না বলে হুমকি প্রদান করছে। এতে করে প্রকৃত জায়গার মালিকগণ অসহায় হয়ে পড়ছে। সরকার হুকুম দখলকৃত জায়গার সম্পূর্ণ অর্থ ছাড় করলেও মামলা মোকদ্দমার জালে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গার মালিকগণ নিদারুন কষ্ট ভোগ করছে। নিজেদের বাপ-দাদার জায়গা জমি হারিয়ে তারা উদ্বাস্তুর মতো দিনাতিপাত করছে।
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্টানগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সুজন বলেন, রমজান মাসের মধ্যে যদি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহ হুকুম দখলের টাকা বুঝে না পায় তাহলে ভুক্তভোগীদের সাথে নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানের সামনে অনশন কর্মসূচী পালন করবেন তিনি। এসব শতশত পরিবারকে অনিশ্চয়তা থেকে বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরও আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
যুবনেতা মো. ওয়াসিম আকরামের সভাপতিত্বে এবং মোহাম্মদ বেলালের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ নেওয়াজ, আকবর হোসেন কবি, যুবনেতা সমীর মহাজন লিটন, আব্দুল কুদ্দুস মাখন, ইফতেখার আহম্মেদ, পতেঙ্গা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান হাবিব সেতু, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল হাই, হাছি মিয়া, আব্দুল গফুরসহ শতশত এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: হুকুম দখল চট্টগ্রামবাসীর সতিন কাঁটা বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। আজ মঙ্গলবার (২৯ মার্চ ) সকালে এম এ আজিজ সড়কের দক্ষিণ হালিশহর নারিকেল তলা এলাকায় এল এ মামলা নং-০৯/১৫-১৬ এর অধিগ্রহণকৃত জায়গার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর এক মানববন্ধনে উপরোক্ত মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নানামুখী উন্নয়ন কর্মকান্ডের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নানামুখী উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল এখন মানুষের দোরগোড়ায়। সাবমেরিন, পদ্মা সেতু, পায়রা বন্দর, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, উড়াল সেতুসহ বৃহৎ উন্নয়ন কর্মকান্ডসমূহ পরিচালনা করেছে বর্তমান সরকার। অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলোকে বাঁধাগ্রস্ত করছে এক শ্রেণীর লোভী সিন্ডিকেট চক্র। এসব মামলাবাজ সিন্ডিকেট চক্রের সাথে প্রত্যক্ষভাবে আঁতাত রয়েছে এল এ অফিসের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের।
সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, সে রকম একটি চক্রের মামলার ফাঁদে পড়ে বছর ধরে হুকুম দখলের টাকা থেকে বঞ্চিত রয়েছে শতাধিকেরও বেশি পরিবার। ইতিপূর্বে নৌবাহিনীর ঘাটি নির্মাণ এবং স্টীলমিল প্রতিষ্ঠার সময় উক্ত পরিবারগুলোর জায়গা হুকুম দখল করে বর্তমান জায়গায় রেজিষ্ট্রি মূলে দখল দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি পরিবারগুলো আবারো উচ্ছেদ আতংকে রয়েছে। যে কোন সময় তাদেরকে বসতি থেকে উচ্ছেদ করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। অথচ তারা এখনো পর্যন্ত হুকুম দখলের টাকাও বুঝে পায়নি। এতে করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত হুকুম দখলের শর্ত লংঘন করা হচ্ছে পুরোপুরিভাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ছিল পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ ছাড়া কাউকে উচ্ছেদ করা যাবে না। কিন্তু ঐ ভূয়া মামলাবাজ সিন্ডিকেটের মামলার কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে হুকুম দখলের টাকা উত্তোলনে বাঁধা প্রদান করা হচ্ছে। এতে করে বে-টার্মিনালসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় আটকে রয়েছে। ফলত চট্টগ্রামকে আধুনিক রূপে গড়ে তোলার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন তা নস্যাত হতে চলেছে। এসব মামলাবাজ সিন্ডিকেট চক্রটি উন্নয়নের শত্রু।
তিনি আরো বলেন চট্টগ্রামের তিন চতুর্থাংশ জায়গা দখল করে রেখেছে বিভিন্ন সংস্থা। চট্টগ্রামবাসী এখন নিজ দেশে পরবাসী। অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য তারা জায়গা ছাড় দিতে রাজী হলেও ক্ষতিপূরনের টাকা বুঝিয়ে না দিয়েই পরিবারগুলোকে উচ্ছেদ করতে চায় বিভিন্ন সংস্থা। এসব মামলাবাজ সিন্ডিকেট প্রকাশ্যে পার্সেন্টেজ দাবী করছে এবং দাবীকৃত টাকা পরিশোধ না করলে মামলা প্রত্যাহার করা হবে না বলে হুমকি প্রদান করছে। এতে করে প্রকৃত জায়গার মালিকগণ অসহায় হয়ে পড়ছে। সরকার হুকুম দখলকৃত জায়গার সম্পূর্ণ অর্থ ছাড় করলেও মামলা মোকদ্দমার জালে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গার মালিকগণ নিদারুন কষ্ট ভোগ করছে। নিজেদের বাপ-দাদার জায়গা জমি হারিয়ে তারা উদ্বাস্তুর মতো দিনাতিপাত করছে।
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্টানগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সুজন বলেন, রমজান মাসের মধ্যে যদি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহ হুকুম দখলের টাকা বুঝে না পায় তাহলে ভুক্তভোগীদের সাথে নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানের সামনে অনশন কর্মসূচী পালন করবেন তিনি। এসব শতশত পরিবারকে অনিশ্চয়তা থেকে বাঁচাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরও আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
যুবনেতা মো. ওয়াসিম আকরামের সভাপতিত্বে এবং মোহাম্মদ বেলালের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ নেওয়াজ, আকবর হোসেন কবি, যুবনেতা সমীর মহাজন লিটন, আব্দুল কুদ্দুস মাখন, ইফতেখার আহম্মেদ, পতেঙ্গা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান হাবিব সেতু, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল হাই, হাছি মিয়া, আব্দুল গফুরসহ শতশত এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।