দি ক্রাইম ডেস্ক: নেত্রকোনা সদর উপজেলার বামনীকোনা গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে উচ্চৈঃস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মোস্তফা আমীর ফয়সাল (২০) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের বামনীকোনা গ্রামের সংসদ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোস্তফা আমীর ফয়সাল বামনীকোনা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি নেত্রকোনা আবু আব্বাছ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, স্থানীয় ইদ্রিস আলীর মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাতের দিকে বাড়িতে গান বাজানো ও ছবি তোলার আয়োজন করা হয়। এ সময় একই গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে মাসুম (১৯) কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে সেখানে গিয়ে উচ্চৈঃস্বরে গান বাজিয়ে নাচ-গান শুরু করেন।

এক পর্যায়ে ফয়সাল তাদের সেখান থেকে চলে যেতে বললে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে মাসুম ঘটনাস্থল ত্যাগ করে কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নিয়ে ফিরে এসে ফয়সাল ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা চালায় হয় বলে অভিযোগ করেছে নিহতের স্বজনরা।

হামলায় ফয়সাল, রবিন, সৌরভ ও সাদেকুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ফয়সাল ও সাদেকুল ইসলামের অবস্থার অবনতি হলে তাদের ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টার দিকে ফয়সালের মৃত্যু হয়।

নেত্রকোনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আল মামুন সরকার জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনার আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

দি ক্রাইম ডেস্ক: নেত্রকোনা সদর উপজেলার বামনীকোনা গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে উচ্চৈঃস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মোস্তফা আমীর ফয়সাল (২০) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের বামনীকোনা গ্রামের সংসদ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোস্তফা আমীর ফয়সাল বামনীকোনা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি নেত্রকোনা আবু আব্বাছ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, স্থানীয় ইদ্রিস আলীর মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাতের দিকে বাড়িতে গান বাজানো ও ছবি তোলার আয়োজন করা হয়। এ সময় একই গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে মাসুম (১৯) কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে সেখানে গিয়ে উচ্চৈঃস্বরে গান বাজিয়ে নাচ-গান শুরু করেন।

এক পর্যায়ে ফয়সাল তাদের সেখান থেকে চলে যেতে বললে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে মাসুম ঘটনাস্থল ত্যাগ করে কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নিয়ে ফিরে এসে ফয়সাল ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা চালায় হয় বলে অভিযোগ করেছে নিহতের স্বজনরা।

হামলায় ফয়সাল, রবিন, সৌরভ ও সাদেকুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ফয়সাল ও সাদেকুল ইসলামের অবস্থার অবনতি হলে তাদের ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টার দিকে ফয়সালের মৃত্যু হয়।

নেত্রকোনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আল মামুন সরকার জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনার আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।