বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: বিএনপি জনগণের সরকার এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবে। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব স্থানে সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চকরিয়ার ছড়াকুল এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ, সড়ক ও বসতবাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা সপ্না, মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার আ ন ম সাজিদুর রহমান এবং চকরিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: বিএনপি জনগণের সরকার এবং সবসময় জনগণের পাশে থাকবে। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব স্থানে সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চকরিয়ার ছড়াকুল এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ, সড়ক ও বসতবাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা সপ্না, মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার আ ন ম সাজিদুর রহমান এবং চকরিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।